বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে মানিকগঞ্জের ফাহিম খান রনি

editor ৫ই পৌষ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ সারাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক ০৬ ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার ।

আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা ও পর্যবেক্ষণ উপ কমিটিতে জায়গা পেলেন  মানিকগঞ্জের তরুণ রাজনীতিক ফাহিম রহমান খান রনি।

১৯৯৫ সালে এইচএসসি পাশ করার পর প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে ভর্তি হয়ে ফাহিম খান রনির রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। তৎকালীন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের(শামীম-পান্না )কমিটির নেতৃত্বে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে চলমান উত্তাল আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহনের মধ্য দিয়ে রাজনীতি শুরু।পরবর্তীতে  ১৯৯৬এর ১২ই জুন নির্বাচনে সক্রিয় কর্মী হিসেবে নৌকার পক্ষে ব্যাপক প্রচার কার্যক্রমের মাধ্যমে সকলের মাঝে ব্যাপক পরিচিতি ও স্নেহধন্যতা লাভ করেন। ততকালীন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ শীর্ষ নেতৃবৃন্দের প্রায় সকলেই রনিকে এখনো যথেষ্ট স্নেহ ভালোবাসায় আগলে রেখেছেন, তাদের প্রায় সকলেই এখন আওয়ামী লীগের জাতীয় নেতা, সাংসদ ও মন্ত্রী।

পরবর্তীতে অর্থনীতি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক ও সভাপতির পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির সদস্য  মনোনীত হন। এরপর অনার্স সম্পন্ন করে মাস্টার্স পড়াকালীন সময়ে ২০০১ নির্বাচনের পর সারাদেশে জামাত-বিএনপির রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মুখেও সাহসীকতার সাথে সেই চরম দুসসময়ে সক্রিয় ভুমিকায় অবতীর্ণ হন ও ২০০২ সনে ঈদের দিন রাতে ততকালীন বিরোধী দলীয় নেতা,দলীয় সভানেত্রীর বাসভবন সুধাসদন হতে লিয়াকত সিকদার ও নজরুল ইসলাম বাবু ও ১০ ছাত্রনেতাসহ রনি গ্রেপ্তার হয়ে অসহ্য নির্যাতনের শিকার ও  কারাবরণ করেন,যা আজও দলের অনেকেই প্রায়শই স্বরন করেন। কিছুদিন পরই ছাত্রলীগের জাতীয় সম্মেলনে নতুন (লিয়াকত-বাবু) কমিটি হলে ২০১ সদস্যের কমিটিতে রনি সদস্য মনোনীত হন ও নবনির্বাচিত সভাপতি সম্পাদক কারাগারে থাকায় ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক (পরবর্তীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এপিএস) সাইফুজ্জামান শিখরের নেতৃত্বে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছাত্রলীগকে সুসংগঠিত করতে বিশেষ সাহসী ভুমিকা রাখেন রনি।

রাজনীতির পাশাপাশি পড়াশোনায়ও মেধাবী এই সাহসী ছাত্রনেতা রনি ইংল্যান্ড এ বিশেষ স্কলারশিপ পেয়ে এমবিএ ডিগ্রী অর্জন করেন ও লন্ডনে অবস্থান কালে সক্রিয় রাজনীতির মাঝে জড়িয়ে রাখেন। পরবর্তীতে ২০০৬সনে দেশে এসেই ছাত্রলীগের নবনির্বাচিত(রিপন-রোটন)কমিটির সহ সভাপতি হন ও খুনী খালেদা বিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপুর্ন সংগঠক হিসেবে সারাদেশব্যাপী ব্যাপক আলোচিত হন। পরবর্তীতে ওয়ান ইলেভেনে নেত্রী মুক্তি আন্দোলনে জোরালো ভুমিকাসহ নির্বাচনে বিশেষ অবদান রাখেন ব্যাপক সুপরিচিত সাহসী এই সাবেক ছাত্রনেতা। এই রাজনৈতিক পথ চলায় রনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সাংগঠনিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। সেই ধারাবাহিকতায় তিনি ২০১২ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ সম্পাদক নির্বাচিত হন।পরবর্তীতে মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের নবগঠিত কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে স্থান পাওয়া প্রসঙ্গে ফাহিম খান রনি বলেন, এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব,এরকম দায়িত্বশীল কর্মকান্ডে আমাকে সম্পৃক্ত করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক জননেতা ওবায়দুল কাদের এমপির প্রতি আমার অশেষ  কৃতজ্ঞতা।আমাদের প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে এ নির্বাচনে বিজয়ী করা, সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছেন তিনি ।

 

কালের কাগজ/প্রতিবেদক/জা.উ.ভি

সম্প্রতি সংবাদ