নাগরপুরে প্রথমবার জিততে চায় আওয়ামী লীগ

editor ১লা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ সারাদেশ

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:২৮ মার্চ-২০১৯,বৃহস্পতিবার।
আগামী ৩১ শে মার্চ চতুর্থ ধাপে টাঙ্গাইলের নাগরপুরে অনুষ্ঠিত হবে পঞ্চম উপজেলা নির্বাচন। বিগত সময়ে অনুষ্ঠিত চারটি উপজেলা নির্বাচনের একটিতেও জয়লাভ করতে না পারা আওয়ামী লীগ এবার প্রথম বারের মত জয়লাভ করে উপজেলা পরিষদ নিজেদের দখলে নিতে চায়। গত চারবারের নির্বাচনে একবার জাসদ, একবার জাতীয় পার্টি আর পরপর দুইবার বিএনপি জয়লাভ করে। আর এ জন্যই এবার দলীয় মনোনয়ন পরিবর্তন করে নাগরপুর সদর ইউপি’র পরপর দুইবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মো.কুদরত আলীকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ দলীয় সমর্থকরা মনে করছেন বিগত সময়ে দলীয় মনোনয়নে ভুল ছিল বলেই আওয়ামী লীগ এ উপজেলায় জিততে পারেনি। এবার সৎ যোগ্য ও জনপ্রিয় ব্যাক্তি মো.কুদরত আলী কে মনোনয়ন দেওয়ায় আমরা আশাবাদী তিনি জনগনের ভালবাসা ও সমর্থন নিয়ে প্রথম বারের মত নাগরপুরে উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয় কেতন উড়াতে পারবেন। তাছাড়া সূখী সমৃদ্ধ ও উন্নত নাগরপুর গড়তে এবং উন্নয়নের মহাসড়কে নাগরপুরকে যুক্ত করতে নাগরপুরবাসী কুদরত আলীকেই বেছে নিবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন এবার নাগরপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। কারন সাবেক দুই চেয়ারম্যান আব্দুস ছামাদ দুলাল ও আব্দুল কুদ্দুসকে পিছনে ফেলে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো.কুদরত আলীকে বিজয়ী হতে হবে। এখন নির্বাচনের প্রচারনার শেষ সময়ে উপজেলার সর্বত্র উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ছুটছেন তাদের নিজেদের ভোট বৃদ্ধির জন্য। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মিছিল সমাবেশে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এবার নাগরপুর উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, জাসদ, স্বতন্ত্র ছাড়াও স্বতন্ত্রের চাদরে মোড়ানো বিএনপি অংশগ্রহন করছে। এ উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীদের ঘাড়ের উপর নিশ্বাস ফেলছে স্বতন্ত্র ভাবে অংশ নেওয়া বিএনপি প্রার্থীরা। বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীরা মুখে বলছেন যে তারা এ প্রহসনের নির্বাচন বয়কট করেছেন, তারা ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে যাবেন না এবং তাদের যে প্রার্থী রয়েছে তাদের দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। কিন্তু বিএনপি সমর্থকরা বলছেন ভিন্ন কথা, তারা বলছেন যদি ভোট সুষ্ঠ হয় তাহলে তারা ভোট কেন্দ্রে গিয়ে উচিত জবাব দিবেন। তাই এ উপজেলায় কোন পদে একবারও জিততে না পারা আওয়ামী লীগের জন্য এ নির্বাচন মর্যাদার লড়াইয়ে পরিনত হয়েছে। কারন বিগত দুই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও উপজেলা নির্বাচনে তারা পরাজিত হয়েছে। তারা এবারের নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহন করেছে। চেয়ারম্যান পদে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও ভাইস চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র (বিএনপি) প্রার্থীদেরকেই এগিয়ে রাখছেন বিশ্লেষকরা কারন এক্ষেত্রে তারা একক প্রার্থী দিলেও আওয়ামী লীগ থেকে রয়েছে একাধিক প্রার্থী।

কালের কাগজ /প্রতিনিধি/জা.উ.ভি

সম্প্রতি সংবাদ