ব্রেকিং নিউজ

দৌলতপুরে নদী ভাঙ্গনে শতাধিক বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন । ভাঙ্গন রোধে প্রধানমন্ত্রী ও স্থানীয় সাংসদদের সুদৃষ্টি কামনা

editor ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ breaking সারাদেশ

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ ২৫ এপ্রিল-২০১৯,বৃহস্পতিবার।
হঠাৎ যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার যমুনা নদীর তীরবর্তী বাচামারা ও চরকাটারী ইউনিয়নের জনপদের ৪ টি গ্রামে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে । ভাঙ্গনের ফলে প্রায় শতাধিক বসত বাড়ি,কয়েক শত বিঘা আবাদি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা দেখা গেছে,ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি পরিবারের লোক জন বাচামারা পাকা সড়কের পুর্ব পাশে অন্যে জায়গায় ঘর-দরজা,ধান-চাল,জিনিসপত্র ,গবাদি পশু, নিয়ে আশ্রয় নিয়েছে ।
ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত অরেচ মোল্যা আক্ষেপ করে দৈনিক কালের কাগজকে বলেন, আমাগো বাড়ি ঘর গাংগে ভ্যাংগা গেছে,আর বাপু কত বছর ধইর‌্যা তো খালি ছবি তুলছাও গ্যাং ভাংঙ্গা বন্ধ হয়না তো ?

ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত বাচ্চু মন্ডল দৈনিক কালের কাগজকে বলেন,চরের মানুষগো খালি আশা দেহাও টিভিতে পেপারে আমাগো ছবি দেহাইলে গাং ভাংঙ্গা বন্ধ ওইবো , কবে ওইবো আমরা মরার পড়ে ওইবো না কি?
যেভাবে গ্যাং ভাংঙ্গা শুরু ওইছে এবার বাচামারা শেষ হইয়া যাইবো ।
এদিকে বাচামারা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ দৈনিক কালের কাগজকে জানান, হঠাৎ যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে যমুনা নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। নদীতে তীব্র স্রোতে গত ১৫/২০ দিনে বাচামারা উত্তর খন্ড,বাচামারা শুকুর মিয়ার পাড়ার ৮০/৯০ টি পরিবারের বসত বাড়ি-আবাদি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে।
এদিকে চরকাটারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল বারেক মন্ডল দৈনিক কালের কাগজকে  জানান, অসময় হঠাৎ যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে লালপুর,কাঁঠালতুলী এলাকায় নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে । এভাবে নদীর ভাঙ্গন চলতে থাকলে চরকাটারী ইউনিয়নের অস্তিত্ব থাকবে না । জনপ্রতিনিধি ও এলাকা বাসী নদী ভাঙ্গন রোধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও স্থানীয় সংসদ সদস্য নাঈমুর রহমান দূর্জয়ের সুদৃষ্টি ও হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ।

কালের কাগজ/প্রতিনিধি/জা.উ.ভি

সম্প্রতি সংবাদ