পদ বঞ্চিতদের নিয়ে গঠিত হচ্ছে ‘তৃণমূল গণফোরাম’, মন্টুর দিকে সন্দেহের তীর!

editor ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ জাতীয়

কালের কাগজ ডেস্ক:০৬ মে-২০১৯,সোমবার।

গণফোরামের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলটির ভেতর নতুন করে শুরু হয়েছে অসন্তোষ। পদ পাওয়া নিয়ে নতুন করে অস্বস্তি দেখা দিয়েছে গণফোরামে। যার কারণে দলটিতে দেখা দিয়েছে ভাঙনের শঙ্কা। যার ফলশ্রুতিতে ‘তৃণমূল গণফোরাম’ নামে নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের প্রক্রিয়াও শুরু করেছেন পদ বঞ্চিত একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা।

গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে তৃণমূল গণফোরাম গঠনে পদ বঞ্চিতদের পর্দার পেছন থেকে পৃষ্ঠপোষকতা করছেন দলটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু এবং অগ্রভাগে রয়েছেন গণফোরামের সাবেক প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পথিক।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, নতুন কমিটিতে দলটির সভাপতি হিসেবে স্বপদে বহাল আছেন ড. কামাল হোসেন। অন্যদিকে মোস্তফা মহসীন মন্টুকে সরিয়ে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে ড. রেজা কিবরিয়াকে। এদিকে পদ বঞ্চিত ও কাঙ্ক্ষিত পদ না পাওয়া নিয়ে গণফোরামে তৈরি হয়েছে অস্বস্তি। তাই সাবেক সাধারণ সম্পাদকের পদে থাকা মোস্তফা মহসীন মন্টু ও সাবেক প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পথিক গণফোরামে থাকছেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। এই দুজনের প্রারম্ভিক প্রচেষ্টায় ‘তৃণমূল গণফোরাম’ নামে নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের চেষ্টা চলছে বলেও গণফোরামের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের মুখে মুখে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।

গুঞ্জনের বিষয়ে গণফোরামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টুকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, কি বলব? দীর্ঘদিন দল করে কোন মূল্যায়ন পেলাম না। হাইব্রিড ও অতিথি নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ পদ দেয়া হচ্ছে। পরীক্ষিত নেতারা রাজনীতিতে বরাবরই অপাংক্তেয়। তৃণমূল গণফোরাম গঠনের বিষয়ে যা শুনছেন, তা কিছুটা সত্য। সময়ই বলে দেবে আমাদের সিদ্ধান্ত ঠিক না বেঠিক।

এদিকে রফিকুল ইসলাম পথিক বলেন, নতুন দল গঠনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। এর নাম হবে তৃণমূল গণফোরাম। গণফোরাম আমাদের বঞ্চনা ছাড়া কিছুই দেয়নি। সুতরাং সেই দলে থাকার কোন মানেই হয় না। ড. কামাল হোসেন নিজের এবং দলের নীতি বিসর্জন দিয়ে মোকাব্বির খানকে পদ দিয়েছেন। এখন প্রশ্ন উঠতে পারে তাহলে সুলতান মনসুর কি দোষ করেছেন। তাকে কেনো দলে পদ দেওয়া হলো না? সুতরাং এমন নীতি-হীন দলের সাথে আমি নেই।

সম্প্রতি সংবাদ