ব্রেকিং নিউজ

শিবালয়ে তীব্র তাপদাহে স্বস্তির সন্ধানে সবাই

editor ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ সারাদেশ

সুরেশ চন্দ্র রায়(শিবালয়)মানিকগঞ্জ।১২ মে-২০১৯,রবিবার।
মানিকগঞ্জের শিবালয়ে কাঠফাঁটা রোদ আর ভ্যাপসা গরমের কারনে চরম অশান্তির মধ্যে রয়েছে এখানকার মানুষ এবং পশু প্রজাতি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ফনি পরবর্তী সময়ে এখানে রোদ আর গরমের মাত্রা অতিক্রম করেছে সহনীয় পর্যায়। অফিস আদালত স্কুল কলেজ গামী জনসাধারন থেকে শুরু করে কৃষক মজুর গৃহিনী সকলের মাঝেই বিরাজ করছে হিট ষ্ট্রোক আতঙ্ক। এ চিন্তা থেকে বন্যপশুও বাদ পড়েনি। যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় রকমের কোন দুর্ঘটনা। বিশেষ করে পিতামাতা তাদের ছোট বাচ্চাদের নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রা। বিশেষ প্রযোজন ব্যতিত কেউ বাড়ি থেকে বের হচ্ছে না। বৈদ্যুতিক পাখার বাতাসেও শীতল হচ্ছে না শরীর।
শিবালয় উপজেলা ঘুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, বাড়ির লোকজন ছোট ছেলে মেয়ে নিয়ে ঘর ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন নিকটবর্তী গাছের ছায়ায়। তাদের সঙ্গে রয়েছে কলস ভর্তি পানি, লেবু আর চিনি। আবার কোথাও কোথাও দেখা গেছে ওরস্যালাইনের প্যাকেট। অনেক জায়গার পুকুরে দেখা গেছে বাচ্চা ছেলে মেয়েরা গোসল করছে মনের আনন্দে। অফিসগামী লোকজন আর ছাত্রছাত্রীরা ভিড় করছেন আখের রস আর ডাবের দোকানে। মাঠের কৃষক আর দিন মজুর কাঁচা আমের উপর নির্ভর করছেন। বাড়ির বিড়ালটি একটু স্বস্তির আশায় শুয়ে আছে টিউবওয়েল পাড়ে। আর কুকুরগুলো সাঁতার কাটছে পুকুরের পানিতে। সবার লক্ষ্য একটাই-গরমের হাত থেকে ক্ষনিকের জন্য স্বস্তি পাওয়া।
শিবালয় উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এখানে দিনের তাপমাত্রা প্রায় ৩৮ডিগ্রী সেলসিয়াস। যা কৃষি পন্যের জন্য হুমকি স্বরুপ। বিশেষ করে এমন তাপমাত্রার কারনে ধানে চিটা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্র এর স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ আরশ্বাদ উল্লাহ বলেন, তাপদাহ আর ভ্যাঁপসা গরমের কারনে ঠান্ডা, কাশি, জ্বর ও পেটের সমস্যা জনীত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ সকল সমস্যা নিয়ে আমার হাসপাতালে গতকাল ৪৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। তিনি সর্বসাধারনকে বেশি পরিমান পানি পান করতে অনুরোধ করেছেন এবং বাহিরের খাদ্যদ্রব্য গ্রহন করতে নিষেধ করেছেন।

কালের কাগজ/প্রতিনিধি/জা.উ.ভি

সম্প্রতি সংবাদ