জোটের অস্থিরতা লাঘবে কৌশল খুঁজছে বিএনপি!

editor ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ জাতীয়

নিজস্ব প্রতিবেদক:২০১৯,রবিবার।

বিএনপির নির্বাচিত ৬ জনের মধ্যে ৫ নেতা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেয়ার পর ২০ দলীয় জোটের রাজনীতিতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, কোন প্রলোভনে পড়ে শপথ প্রসঙ্গে সিদ্ধান্ত পাল্টালো বিএনপি? আর কেন মির্জা ফখরুল ছাড়া বাকি বিজয়ীরা শপথ গ্রহণ করলো?

এ নিয়ে সৃষ্ট সমালোচনায় দলের অভ্যন্তরে কর্মীদের আক্ষেপ ও ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানা গেছে। কেননা, বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের দাবি, স্থায়ী কমিটির সদস্যদের কোনো ধরণের মতামত ছাড়াই এমন বিধ্বংসী সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল। একই ইস্যুতে ২০ দলীয় জোটের এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিকদের রোষানলে পড়েছে বিএনপি। এমতাবস্থায় উভয় সংকট থেকে বের হওয়ায় পথ খুঁজছে বিএনপি। সৃষ্ট ‘বিব্রতকর’পরিস্থিতি দ্রুতই কাটিয়ে উঠতে চায় বিএনপি।

এ জন্য বারবার ঐক্যের ওপর জোর দিচ্ছে দলের হাইকমান্ড। একই সাথে আন্দোলনের মাঠে থাকা দলটির মিত্রদের মনোভাবও বোঝার চেষ্টা করা হচ্ছে। শপথ গ্রহণ ইস্যুতে দলীয় সিদ্ধান্ত স্পষ্ট করারও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

এদিকে বিএনপির পুরনো শরিক দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) জোট ছেড়েছে। অন্যদিকে লেবার পার্টি বলেছে, বিএনপি ২৩ মের মধ্যে ঐক্যফ্রন্ট না ছাড়লে তারা পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে ভাবতে বাধ্য হবেন। এদিকে বিজেপি জোট ছাড়ার তিন দিনের মাথায় ঐক্যফ্রন্ট ছাড়ার আল্টিমেটাম দিয়েছে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী নেতৃত্বাধীন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ। সব মিলিয়ে জোট ভাঙ্গার যে সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে তাতে ভীত হয়ে পড়েছে বিএনপি।

এই বিষয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক একটি দলের সভাপতি বলেন, দল হিসেবে বিএনপির রাজনীতি করতে হলে আগে রাজনৈতিক পলিসি ঠিক করতে হবে। নির্বাচন-পূর্ব ও পরবর্তী পরিস্থিতি আমাদের সামনেই ঘটছে। কিন্তু নিজেদের অবস্থান আগে স্পষ্ট করতে হবে। এতে করে দৃশ্যমান যে সঙ্কট দেখা যাচ্ছে, তা দূর হতে সাহায্য করবে। জোটের অস্থিরতার বিষয়ে আগে থেকেই বিএনপির ভাবা উচিৎ ছিলো। এখন পরিস্থিতি কোন দিকে এগুবে তা আসলে সময়ই বলে দেবে।

সম্প্রতি সংবাদ