ব্রেকিং নিউজ

পাটুরিয়া ও আরিচায় ভোক্তা অধিকারের বিশেষ অভিযান ঔষুধের দোকান বন্ধ

editor ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ সারাদেশ

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধিঃ ১৪ মে২০১৯,মঙ্গলবার।

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে চলাচলকৃত ফেরি ক্যান্টিনে অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রি ও ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রীবাহী বাসে ইচ্ছা মাফিক ভাড়া আদায়সহ আরিচা ঘাটে ফার্মেসীতে নকল ঔষুধ বিক্রির বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে মানিকগঞ্জ জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (উপ-সচিব) মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার ও মানিকগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট মশিউর রহমানের নির্দেশনায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল এ অভিযান পরিচালনা করেন।

জানা গেছে, পাটুরিয়া ঘাটে কে-টাইপ কাবেরী নামক ফেরীতে অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রির দায়ে ক্যান্টিন মালিককে ২০ হাজার টাকা অর্থ দন্ড, আরিচা ডাকবাংলো রুটে ব্যাপারী ফার্মেসীতে পাওয়া নকল ঔষুধ বিক্রির অপরাধে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নকল ঔষুধ জব্দ ও তা মজুদ রাখায় দায়ে পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত দোকান বন্ধ রাখার নির্দশ দেয়া হয়। জব্দকৃত ঔষুধ গুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে অভিযান পরিচালনাকারী আসাদুজ্জামান রুমেল সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
তিনি আরো জানান,স্কয়ার ফার্মাসিউটিকেলসের সেকলো- ২০ ঔষধের হুবহু নকল ঔষধ এবং ডি এ আর নম্বর বিহীন ‘সেকলোজেন’ বিক্রি হচ্ছে শিবালয় উপজেলার আরিচা ঘাটের “বেপারী মেডিকেল হলে” এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে জব্দ করা হয়েছে অননুমোদিত ও নকল ঔষধ।
এদিকে পাটুরিয়া ঘাটে ক্রেতা সেজে ফেরীতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় ৩ টি ফেরী হতে পণ্য ক্রয় করা হয়। খান জাহান আলী ফেরী ও ভাষা শহীদ বরকত ফেরী ক্যান্টিনে নির্ধারিত মূল্যে পণ্য পাওয়া গেলেও অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রয় করায় “কাবেরী ফেরী ক্যান্টিনকে” ভোক্তা অধিকার আইন, ২০০৯ এর ৪০ ধারায় ২০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। ফেরীর নীচ তলায় অবস্থিত ফল বিক্রেতার দোকানে বিক্রয়ের জন্য রাখা পঁচা ও খাওয়ার অনুপযোগী ফল ধ্বংস করা হয়।
এছাড়া, পাটুরিয়ায় যাত্রীবাহী পরিবহন নীলাচল, পদ্মা লাইন, নবীন বরনে অতিরিক্ত যাত্রীবহন ও ভাড়া আদায়ে সর্তক করাসহ ভোক্তা অধিকার আইন সম্পর্কে জন-সচেতনাতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিফলেট বিতরন করা হয়।

অভিযানে শিবালয় উপজেলা স্যানেটরী ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক হামিদা ইয়াসমিনসহ গ্রাম প্রতিরক্ষা আনসার বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। ভেজাল, নকল ও প্রতারনা রোধে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দাবি করেছেন। ###

কালের কাগজ/প্রতিনিধি/জা.উ.ভি

সম্প্রতি সংবাদ