ব্রেকিং নিউজ

জামায়াতকে ক্ষমা চাইতে বলায় মানসিক রোগীর আখ্যা পেলেন ডা. জাফরুল্লাহ!

editor ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ জাতীয়

নিজস্ব প্রতিবেদক:১৭ মে-২০১৯,শুক্রবার।

দলের নেতার সামনেই ১৯৭১ সালে দেশ বিরোধী ভূমিকা পালনের জন্য জামায়াতকে জনসম্মুখে ক্ষমা চাইতে বলে ক্ষোভের মুখে পড়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

ঐক্যফ্রন্ট গঠনের শুরু থেকেই নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে জামায়াতকে দেশবাসীর সামনে বেইজ্জত করতে জাফরুল্লাহ একটি মহলের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন বলে মনে করে জামায়াত। জামায়াতকে প্রশ্নবিদ্ধ করে ২০ দলীয় জোটকে দুর্বল করার পায়তারা করছেন জাফরুল্লাহ। ঐক্যফ্রন্টকে শক্তিশালী করে বিএনপির কাছে ড. কামালের গুরুত্ব বাড়াতে জামায়াতকে নিয়ে জাফরুল্লাহ অপরাজনীতি করছেন বলেও মনে করছে জামায়াত। জাফরুল্লাহকে মানসিক রোগী মনে করে জামায়াত। তার চিকিৎসারও তাগিদ দিয়েছেন দলটির নেতারা।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় একজন নেতার সঙ্গে একান্ত আলাপকালে ডা. জাফরুল্লাহ’র কৌশলের বিষয়ে জানা গেছে।

জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে ড. কামালের পেইড এজেন্ট হিসেবে উল্লেখ করে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মিয়া গোলাম পরোয়ার বলেন, জামায়াত যতদিন বিএনপির সঙ্গে ছিল ততদিন কিন্তু ডা. জাফরুল্লাহ’র কোন আপত্তি ছিল না। ঐক্যফ্রন্ট গঠন করার পর থেকে বিরোধী দলের রাজনীতিতে জামায়াত অচ্ছুত হয়ে পড়ল। জামায়াতকে নিয়ে প্রকাশ্যে আজে-বাজে কথা বলা শুরু করলেন তথাকথিত সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। জামায়াত নিয়ে শুরু হলো তাদের রাজনৈতিক অ্যালার্জি।

তিনি আরো বলেন, ড. কামাল জামায়াতকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করার পরই কিন্তু জাফরুল্লাহ চৌধুরীও সেই পথ অনুসরণ করেন। ড. কামালের মন জয় করার জন্য এখন জামায়াতকে নিয়ে মনগড়া সব কথা বলছেন তিনি। জামায়াতকে কারো কথা শুনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে না। ২০ দলীয় জোটকে দুর্বল করে ঐক্যফ্রন্ট তথা ড. কামালের অধস্তন করতে জাফরুল্লাহ পরিকল্পনা মাফিক কাজ করছেন।

গোলাম পরোয়ার এও বলেন, আসলে জাফরুল্লাহ চৌধুরী জড়বুদ্ধির মানুষ। তার মানসিক বৈকল্য দেখা দিয়েছে। কখন কি বলেন তার ঠিক নেই। কখনো তারেককে বকা দেন, আবার কখনো সরকারকে দোষারোপ করেন। তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ। তার মানসিক চিকিৎসা প্রয়োজন।

সম্প্রতি সংবাদ