ব্রেকিং নিউজ

মানুষ ঘরে না ফেরা পর্যন্ত রাস্তায় থাকবো: টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত

editor ১৭ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ সারাদেশ

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি :  ৩০ মে ২০১৯ ,বৃহস্পতিবার।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার বলেছেন, ঘরমুখো মানুষ ঘরে না ফেরা পর্যন্ত আমরা রাস্তায় থাকবো। ঈদ যাত্রা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা মাঠ থেকে ফিরবো না। যে যেখানে থাকেন সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।

তিনি বলেন, যানজট নিরসনের লক্ষ্যে যে তথ্য পান আমাদের জানাবেন।  যানবাহনে  রাস্তায় কোনো চাঁদাবাজি চলবে না। রাস্তায় পুলিশ, যে কোন পাবলিক  চাঁদাবাজি করলে  ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে । কোনো ধরনের চাঁজাবাজের পক্ষে আমরা নেই। চাঁদাবাজির তথ্য পেলে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

বৃস্পতিবার দুপুরে এসপির কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মহাসড়ক নিয়ে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

পুলিশ সুপার  সঞ্জিত কুমার বলেন, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক দীর্ঘ ৬৫ কিলোমিটার। পাশাপাশি টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ ৪০ কিলোমিটারের রাস্তা রয়েছে। এবার ঈদে উত্তরবঙ্গের ১৬টিসহ মোট ২২টি জেলার যাত্রীরা এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করবে। ঈদ পালন শেষে যেন পুনরায় তাদের কর্মস্থলে যেতে পারে সে লক্ষ্যে মোট ১০৫ কিলোমিটার রাস্তা পাঁচটি সেক্টরের ভাগ করেছি। ঈদ যাত্রা নিরাপদ করতে প্রতিটি সেক্টরে একজন করে অ্যাডিশনাল এসপি, এএসপি, ইন্সপেক্টরসহ বিভিন্ন পদ মর্যাদার সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন।
পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার   বলেন, যে সমস্ত জায়গায় রাস্তার নির্মাণ কাজ হচ্ছে সে জায়গায় সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। ওই এলাকায়ও অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা আছে। পাশাপাশি অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি, ছিনতাই, ডাকাতি রোধে কিছু প্রিকেট পার্টি দিয়েছি। ইন্টেলিজেন্স বেইস কিছু কাজ করছি। পাঁচটি সেক্টরকে নিরাপদ ও যাত্রীদের যাত্রা স্মুথলি (সফল) হওয়ার জন্য জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় পাঁচটি কমিটি করা হয়েছে। সেই পাঁচটি কমিটিতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, সাংবাদিক, সড়ক বিভাগের কর্মকর্তা, ইউপি পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার, গ্রাম পুলিশকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। বগুড়ার এসপি স্যার ও বগুড়া হাইওয়ে পুলিশের সঙ্গে আমাদের সভা হয়েছে। যাতে করে সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইলে কোনো ধরনের যানজট সৃষ্টি না হয়।

তিনি আরো বলেন, আমরা আশা করি রাস্তায় কোনো হয়রানি ছাড়া ঈদে বাড়ি ফিরবে ও বাড়ি থেকে কর্মস্থলে ফিরবে। এবার রাস্তা সাত শতাধিক পুলিশ মোতায়েন থাকবে। আমরা তিনটি কন্ট্রোল রুম, দুইটি ওয়াচ টাওয়ার, ১৬টি বাঁশকুল দিয়েছি যাতে করে তিন চাকার কোন যানবাহন মহাসড়কে উঠতে না পারে।

এসময় অ্যাডিশনাল এসপি (অপরাধ) মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া, অ্যাডিশনাল এসপি (ডিএসবি) মো. শফিকুল ইসলামসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের কাগজ/প্রতিনিধি/জা.উ.ভি

সম্প্রতি সংবাদ