ব্রেকিং নিউজ

শিবালয় বাসীর প্রানের মানুষআলহাজ্ব আব্দুর রহিম খান

editor ১১ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ সারাদেশ

সুরেশ চন্দ্র রায়,শিবালয় (মানিকগঞ্জ): ৩১ মে, শনিবার-২০১৯।
দেশে হাজার হাজার বিত্তবান লোক রয়েছে। কিন্তু দানবীরের সংখ্যা নিতান্তই নগণ্য। মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার চিত্রও এর ব্যতিক্রম নয়। ধন এবং মনের সমন্বয়ে গঠিত ব্যক্তির সংখ্যা খুবই কম। কারো মন আছে, ধন নেই। আবার কারো ধন আছে, মন নেই। এ উপজেলায় ধনী লোকের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। কিন্তু এখানে দানবীরের সংখ্যা খুঁজতে গেলে সর্বসাকূল্যে একের অধিক পাওয়া প্রায় অসম্ভব। এ উপজেলায় ধন এবং মনের সমন্বয় যার মাঝে উপজেলাবাসী খুঁজে পান তিনি – শিবালয়ের কৃতি সন্তান, শিবালয় উপজেলার প্রাক্তন সফল চেয়ারম্যান, একাধিক মসজিদ মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান সভাপতি, মানিকগঞ্জ জেলা জাকের পার্টির প্রাক্তন সভাপতি, মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক দানবীর আলহাজ্ব আব্দুর রহিম খান।
উপজেলার বনগ্রাম গ্রামের বৃদ্ধ মোঃ আমজাদ মিয়া বলেন, আমরা দিন এনে দিন খাই। কিন্তু ঈদ নিয়ে আমাদের কোন চিন্তা নাই। কারন আমাদের মতো গরীব মানুষের জন্য খান সাব আছেন। শুধূ ঈদের সময় নয়, যে কোন প্রয়োজনে আমরা খান সাহেবের নিকট ছুটে যাই। আজ পর্যন্ত আমরা তার কাছ থেকে খালি হাতে ফিরে আসিনি। তিনি আমাদের কাছে মহাপুরুষ সমতুল্য।
নয়াচর গ্রামের মধ্য বয়সী লোক রামপদ পাইন ভুলু বলেন, খান সাহেব আমাদের প্রাণের মানুষ, আমাদের ভালবাসার মানুষ। আত্মিক সম্পর্কের কাছে টাকা পয়সা মূল্যহীন। তিনি তার আচার ব্যবহার আর মিষ্টি কথার মাধ্যমে আমাদের মনের কোণে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন। দেহে প্রাণ থাকতে আমরা খান সাবকে ভুলতে পারবো না।
শিবালয়ের বয়স্ক ব্যক্তি মোঃ আনসার আলী বলেন, আব্দুর রহিম খান জীবনে অকান্ত পরিশ্রম করেছেন। তার সততা, নিষ্ঠা আর অকান্ত পরিশ্রমের ফলস্বরুপ সৃষ্টিকর্তা আজ তাকে মর্যাদার আসন দিয়েছেন। তিনি এখন সেখানে বসে নিঃস্বার্থভাবে উপজেলাবাসীর সেবা করছেন। তিনি আরো বলেন, খান সাবের এখন আর কোন চাওয়া পাওয়া নেই। উপজেলাবাসীর ভালবাসা আর সৃষ্টিকর্তার নৈকট্য লাভই তার একমাত্র লক্ষ্য।
শিবালয় উপজেলাবাসীর প্রানের মানুষ আলহাজ্ব আব্দুর রহিম খান একান্ত সাক্ষাৎকারে দৈনিক আমার সংবাদকে বলেন, সৃষ্টিকর্তা আমাকে ভালবেসে কিছু অর্থসম্পদ দিয়েছেন। এই সম্পদ নিয়ে আমি গরীব দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়াতে চেষ্টা করি। আমার এই সম্পদের একটি অংশ যখন গরীব দুঃখীদের মাঝে বিতরন করি তখন মনে হয় আমি যেন শেখ হাসিনার নির্দেশ পালন করছি। আনন্দে তখন আমার হৃদয় মন নিজের অজান্তেই দোলা দিয়ে যায়। তিনি বলেন, কবি কামিনী রায় বলেছেন-আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসেনি কেহ অবনীর পরে, সকলের তরে সকলে মোরা, প্রত্যেকে মোরা পরের তরে। আবেগপ্লুত কন্ঠে খান সাহেব আরো বলেন, মহাপুরুষ স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন- জীবে প্রেম করে যেজন, সেজন সেবিছে ঈশ্বর। আমি এই বাক্যটি মনে প্রাণে বিশ্বাস করে জীবের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি।কার ভিতর যে তিনি লুকিয়ে আছেন, কে জানে? এ দুনিয়ায় চিরদিন থাকা যাবে না,একদিন চলে যেতে হবে। আমি আমার উপজেলাবাসীর পাশে সবসময় ছিলাম, থাকবো আজীবন নিঃস্বার্থভাবে।

কালের কাগজ/প্রতিনিধি/জা.উ.ভি

সম্প্রতি সংবাদ