দুর্জয়ের ছোয়ায় বদলে যাচ্ছে জনপদ উন্নয়ন মুখী নানা কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে

editor ৯ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ breaking সারাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক:০৩ জুন-২০১৯,সোমবার।

বর্তমান সরকারের  প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী  দেশরত্ন শেখ হাসিনার উন্নয়ন মুখী নানা কর্মকান্ড  ও পরিকল্পনা  বাস্তবায়নের কাজ  দ্রুত এগিয়ে চলছে এবং মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এ.এম নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের দৃঢ় প্রচেষ্টায়  মানিকগঞ্জসহ দেশের দক্ষিন-পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের ২২ টি  জেলার কয়েক লক্ষ সাধারন মানুষের সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে জনদুর্ভোগ লাঘব হচ্ছে।
রাজধানীর সাথে দেশের দক্ষিন- পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার যাতায়াতের মাধ্যম পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাটকে হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিকায়ন,পাটুরিয়ায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, ঢাকা- পাটুরিয়া-গোয়ালন্দ রেললাইন নির্মানের বাস্তবায়নে পরিকল্পনা রয়েছে, উত্তরাঞ্চলের ২২টি জেলার দীর্ঘদিনের প্রতিবন্ধকতা এবং ঢাকা-গাজীপুর- টাঙ্গাইল সড়কের অপ্রত্যাশিত যানজট নিরসনে বরংগাইল- টাঙ্গাইল- জামালপুর- ময়মনসিংহ সড়ককে মহাসড়কে রূপান্তর,ঘিওরের ইছামতি ও কালীগঙ্গা সেতু নির্মান এবং ধলেশ্বরী নদীতে সেতু নির্মানের কাজ এগিয়ে চেলছে এই সব পরিকল্পনা যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে জননেত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত বলে অভিজ্ঞ মহল ও সাধারন জনগন মনে করছেন।

এদিকে, পাটুরিয়া-ঝিটকা, মহাদেবপুর-ঝিটকা, ঘিওর-বানিয়াজুরী,ঘিওর-বড়টিয়া- টেপড়া, মীরপুর- কলিয়া- মানিকগঞ্জ সড়কসহ একাধিক নতুন রাস্তা পাকাকরন প্রকল্প বাস্তবায়ন, বাইপাস সড়ক নির্মানসহ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে প্রায় হাজার কোটি টাকার একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প।
এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পাল্টে যাবে মানিকগঞ্জের জনপদ ও সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে জনগনের জীবন যাত্রার মান হবে উন্নত। লাঘব হবে মানিকগঞ্জসহ দেশের দক্ষিন- পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের ২২  জেলার জনদুর্ভোগ। বিগত বিএনপি জোট সরকার আমলে সম্ভাবনাময় এ অঞ্চলের যানজট নিরসনসহ সড়ক যোগাযোগ এবং উন্নয়নে তেমন কোন উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারেনি তাই জনগন বিএনপি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে ।
রাজধানীর সাথে দেশের দক্ষিন-পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের ৩৫ টি জেলার লাখো মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে নেয়া হয়নি বন্দর নগরী এলাকায় ও যোগাযোগ ক্ষেত্রে তেমন কোন স্থায়ী ব্যবস্থা। দুইবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য এএম নাঈমুর রহমান দুর্জয় জননেত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত স্নেহেষ্পদ ও আস্থাভাজন হওয়ায় এলাকার উন্নয়নের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী অতীব সংবেদনশীল।তাই জাতির জনকের স্বপ্ন পুরনে এ অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ একাধিক বড় বড়  উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

বীর মুক্তিযোদ্ধা টাইগার লোকমান হোসেন বলেন, এমপি দুর্জয়ের বাবা অধ্যক্ষ সায়েদুর রহমান ১৯৭৩ সালে এ সাংসদ নির্বাচিত হন।পরে জেলা সদর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া অবহেলিত এ অঞ্চল পুনরুদ্ধারে সিংজুরী ও বৈকুন্টপুর কালীগঙ্গা ও ধলেশ্বরী নদীতে সেতু নির্মানের পরিকল্পনা গ্রহন করেন।১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা বিরোধী দোষড়রা জাতির জনককে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করার পর তা স্বপ্নই থেকে যায়। তারই উত্তরসূরী জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর ২০১৪ সালে এএম নাঈমুর রহমান দুর্জয় এমপি নির্বাচিত হন।পরে জননেত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনায় এমপি দুর্জয় এর প্রচেষ্টায় বহুদিনের প্রতিক্ষীত স্থানীয় সরকারের অধিনে ৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪৩০ মিটার দীর্ঘ কালীগঙ্গা সেতুর নির্মান কাজ বাস্তবায়নসহ ধলেশ্বরী সেতু নির্মানের পরিকল্পনা গ্রহন করেন।সেতু দু’টি নির্মিত হলে জেলা সদরসহ রাজধানীর সাথে পাশ্ববর্তী ১০ টি জেলার মানুষের জনদুর্ভোগ নিরসন হবে। অবহেলিত এ অঞ্চলকে জনদুর্ভোগ থেকে মুক্তি দেয়ায় জননেত্রী শেখ হাসিনা ও এমপি দুর্জয়সহ সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এই বীর মুক্তিযোদ্ধা।
জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট শচিন্দ্রনাথ মিত্র জানান, ঘিওর ইছামতি নদীতে সেতু ও সংযোগ সড়ক নির্মান এবং বরংগাইল -টাঙ্গাইল- জামালপুর- ময়মনসিংহ সড়ককে মহাসড়কে রূপান্তর জননেত্রী শেখ হাসিনার একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত।এটা সম্ভব হয়েছে মুলত এমপি দুর্জয়ের উপর জননেত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত আস্থা ও ভালবাসার কারনে।এ মহাসড়ক নির্মিত হলে যানজট নিরসনসহ রাজধানীর সাথে মানিকগঞ্জ ও পাশ্ববর্তী কয়েকটি জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো সুগম হবে ।বাড়বে জীবন যাত্রার মান।এমন উন্নয়নমূখী পদক্ষেপ গ্রহন করায় উন্নয়নের রোল মডেল জননেত্রী শেখ হাসিনা ও দুর্জয় এমপি’র দীর্ঘায়ূ ও মঙ্গল কামনা করেন এই  আ’লীগ নেতা।

 

টাঙ্গাইল জেলা হিন্দু বৌদ্ধ- খৃস্টান ঐক্য পরিষদের আহবায়ক সুভাষ চন্দ্র সাহা বলেন, বরংগাইল- টাঙ্গাইল- জামালপুর-ময়মনসিংহ সড়ককে মহাসড়কে রূপান্তর, পাটুরিয়ায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ও ঢাকা-পাটুরিয়া- গোয়ালন্দ রেললাইন নির্মানের পদক্ষেপ বর্তমান সরকারের একটি উজ্জল দৃ্ষ্টান্ত। এ মহাসড়ক নির্মিত হলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও চাকরীজীবিসহ দেশের দক্ষিন- পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের ৩০জেলার কমবে জনদূর্ভোগ। এতে রাজধানীর সাথে এসব অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার মান বহুলাংশে বেড়ে যাবে এবং স্বল্প সময়ে মানুষ পৌছতে পাবরে গন্তব্যে। এমন উন্নয়নমুখী পরিকল্পনা গ্রহন করায় জননেত্রী শেখ হাসিনা ও সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তিনি।

টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফজলুর রহমান ফারুক বলেন, পাটুরিয়ায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ও ঢাকা-পাটুরিয়া- গোয়ালন্দ রেললাইন নির্মান,বরংগাইল-টাঙ্গাইল- শেরপুর- জামালপুর- ময়মনসিংহ সড়ককে মহাসড়কে রূপান্তর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত।
এ মহাসড়ক নির্মিত হলে লাঘব হবে টাঙ্গাইল-মানিকগঞ্জসহ রাজধানীর সাথে দেশের দক্ষিন-পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের ৩০ টি জেলার জনদুর্ভোগ । বিকাশ ঘটবে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পের। এতে পাশ্ববর্তী দেশ ভারতেও তা রপ্তানী করা সহজ হবে।ঢাকা-টাঙ্গাইল- ভূয়াপুর সড়কে সৃ্ষ্ট দীর্ঘ যানজট নিরসনসহ ব্যবসা-বানিজ্যে ক্ষেত্রে সহজেই লোকসান কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে এবং বাড়বে জীবন যাত্রার মান।এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এমন উন্নয়নমুলক প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গ্রহন করায় টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ ও জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা ও ক্রিকেট জগতের উজ্জল নক্ষত্র এএম নাঈমুর রহমান দুর্জয় এমপিসহ সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তিনি।

গাজীপুরের বাসিন্দা দুরপাল্লার এক বাসচালক আবুল বাশার শেখ   বলেন,    ঈদ ও পুঁজায় ঢাকা-টাঙ্গাইল- ভূয়াপুর সড়কে প্রচুর জ্যাম থাকে। এ কারনে ৫ ঘন্টার রাস্তা আমগো যাইতে লাগে ১৫ থেকে ১৮ ঘন্টা।এ কারনে বাদ্য হয়ে বিকল্প রাস্তা মানিকগঞ্জের বরংগাইল- নাগরপুর-টাঙ্গাইল সড়ক ব্যবহার করতে হয়। ওইটা অাঞ্চলিক মহাসড়ক হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে আমাদের পথ চলতে হয়। যেহেতু শেখ হাসিনা ও দুর্জয় এমপি ওই রাস্তাকে আরো বড় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে- তাহলে তো আর কোন কথাই থাকে না। ওই রাস্তা হইলেই আমাদের ভোগান্তি আর থাকবেনা। শেখ হাসিনা আছে বলেই আমরা রাস্তায় নিরাপদে চলতে পারি।আমার জন্য না হোক দেশের জন্য তার বাঁইচা থাকা লাগবো এমন মন্তব্যই করলেন-।

এ ব্যাপারে মহাদেবপুর সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ মো: খলিলুর রহমান জানান,পাটুরিয়ায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ও ঢাকা-পাটুরিয়া- গোয়ালন্দ রেললাইন নির্মান এবং বরংগাইল-টাঙ্গাইল সড়ককে মহাসড়কে রূপান্তর করায় মানিকগঞ্জসহ ৩০/৪০টি জেলার জনদুর্ভোগ কমে যাবে। এতে শিক্ষাঙ্গনের গ্রহনযোগ্যতাসহ বাড়বে জীবনযাত্রার মান।সরকারের এমন পদক্ষেপ অনেকটাই চোখে পরার মত।তিনি এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গ্রহন করায় জননেত্রী শেখ হাসিনা ও এমপি দুর্জয়কে কলেজের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

 

মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট গোলাম মহীউদ্দীন বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার আদলে পাটুরিয়ায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, ঢাকা-পাটুরিয়া-গোয়ালন্দ রেললাইন নির্মান,পাটুরিয়া-গোয়ালন্দ ঘাটকে আধুনিকায়ন,এবং বরংগাইল-টাঙ্গাইল-জামালপুর- ময়মনসিংহ সড়ককে মহাসড়কে রুপান্তর করার পরিকল্পনা একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। এটা মানিকগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর সাথে মানিকগঞ্জসহ দেশের দক্ষিন-পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের ৩৫টি জেলার জনদুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে। বাড়বে জীবন যাত্রার মান।ঈদ ও পুজায় ঘরমুখো মানুষগুলো স্বল্প সময়ে গন্তব্যে পৌঁছতে পারবে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে মুলত জননেত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত আস্থাভাজন ও আদরের বর্তমান সংসদ সদস্য এএম নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের কারনে।
এসব উন্নয়নমুখী পরিকল্পনা গ্রহন করায় মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদ ও জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বিশ্ব মানবতার “মা” উন্নয়নের অগ্রদূত জননেত্রী শেখ হাসিনা ও দুর্জয় এমপিকে আন্তরিক অভিনন্দন ও মোবারকবাদ জানান তিনি।

এ ব্যাপারে মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয় বলেন, জাতির জনকের স্বপ্ন বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে জননেত্রী এ অঞ্চলের পাটুরিয়ায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, পাটুরিয়া-গোয়ালন্দ রেললাইন নির্মান, জনদুর্ভোগ লাঘবে হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পাটুরিয়া- দৌলতদিয়া ঘাটকে আধুনিকায়ন, ৬৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫৫কি.মি দীর্ঘ বরংগাইল- টাঙ্গাইল- জামালপুর- ময়মনসিংহ সড়ককে মহাসড়কে রূপান্তর, শতকোটি টাকা ব্যয়ে ইছামতি ও কালীগঙ্গা সেতু নির্মান এবং ধলেশ্বরী নদীতে সেতু নির্মানের পরিকল্পনা জননেত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। জননেত্রী শেখ হাসিনার এমন পদক্ষেপ জনমনে আশার সঞ্জার ঘটিয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর সাথে মানিকগঞ্জসহ দেশের দক্ষিন- পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের ২৫/৩০ জেলার জনদুর্ভোগ লাঘব হবে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ জীবন যাত্রার মান বহুলাংশে বেড়ে যাবে। এতে এলাকাবাসী প্রধানমন্ত্রীর নিকট চির কৃতজ্ঞ হয়ে থাকবে বলে আমি মনে করি।
তিনি আরো বলেন, এমন উন্নয়নমুখী পদক্ষেপ দলীয় কাঠামোকে আরো মজবুত করবে। এতে মানিকগঞ্জ জননেত্রী শেখ হাসিনার একটি শক্তশালী ঘাটি হিসেবে আখ্যায়িত হবে। জননেত্রী শেখ হাসিনার কারনেই এসব সম্ভব হচ্ছে এবং জাতির জনকের কন্যা বিধায় দেশের উন্নয়নে এমন যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছেন।
তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানসহ সপরিবারে নিহত সকল শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন। উন্নয়নমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গ্রহন করায় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং দীর্ঘায়ূ কামনা করেন।####

কালের কাগজ/প্রতিবেদক/জা.উ.ভি

সম্প্রতি সংবাদ