ব্রেকিং নিউজ

দৌলতপুরে নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক

editor ৩রা ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ সারাদেশ

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ০৮ জুলাই ২০১৯,সোমবার।
যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার যমুনা নদীর তীরবর্তী বাচামারা ও চরকাটারী ইউনিয়নের জনপদের ৪ টি গ্রামে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে । ভাঙ্গনের ফলে প্রায় ৩ শত ৪৬ টি বসত বাড়ি,কয়েক শত বিঘা আবাদি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
সোমবার (০৮ জুলাই) দুপুরে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার যমুনা নদীর তীরবর্তী বাচামারা ও চরকাটারী ইউনয়নে নদী পথে ইঞ্জিন চালিত নৌকা নিয়ে ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেছেন মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক এস.এম ফেরদৌস। এসময় উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম রাজা,উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরিনা শারমিন,উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আবুল, চরকাটারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুল বারেক মন্ডল,সহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা দেখা গেছে,ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি পরিবারের লোক জন নিয়ে নদীর পাড়ে অন্যে জায়গায় ঘর-দরজা,ধান-চাল,জিনিসপত্র ,গবাদি পশু, নিয়ে আশ্রয় নিয়েছে । যমুনা নদীর ভাঙ্গন ঠেকাতে কয়েক সপ্তাহ পূর্বে বাচামার এলাকায় মানিকগঞ্জ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড ৪ হাজার বস্তা( জিও ব্যাগ) নদীর পাড় ঘেষে ফেলছে তা কোন কাজে আসেনি । ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী ব্যাবস্থা গ্রহন করা জরুরী হয়ে পড়েছে ।

মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক এস.এম ফেরদৌস নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্দেশ্যে বলেন,ইতিমধ্যে চরকাটারী ও বাচামারা ৭ মেট্টিক টন চাল বিতরন করা হয়েছে । সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্তদের নিয়ে সব সময় চিন্তা করেন। আগামীতে সরকার আরো বরাদ্দ দিবে নগদ অর্থ ,চাল,ঢেউটিন যাই আসুক সবটুকু জিনিস ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সমান ভাবে বিতরন করা হবে । তিনি বলেন, বাচামারা ও চরকাটারী ৬/৭ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙ্গন রোধ করা সম্ভাব নয়। এখানে ভাঙ্গন রোধে ও স্রোত ঠেকাতে বিকল্প প্রটেকশনের ব্যবস্থা নিতে হবে । এব্যাপারে উচ্চ পর্যায়ে, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের উর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জরুরী পদক্ষেপ নেয়া হবে ।
চরকাটারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুল বারেক মন্ডল জানান, যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে কাঁঠালতুলী এলাকায় নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে । ইতিমধ্যে কাঁঠালতলী গ্রাম নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে । নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্তদের চাল না দিয়ে বাড়ি-ঘর অন্যত্র সরিয়ে নিতে নগদ অর্থ বরাদ্দ প্রয়োজন ।এভাবে নদীর ভাঙ্গন চলতে থাকলে চরকাটারী ইউনিয়নের অস্তিত্ব থাকবে না ।
কালের কাগজ/প্রতিনিধি/জা.উ.ভি

সম্প্রতি সংবাদ