নদীর পাড়ের জমি কোন ব্যক্তি নয়, এটি রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের — জাতীয় নদী কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার

editor ৯ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ breaking সারাদেশ

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ ৯ সেপ্টেম্বর-২০১৯,সোমবার।
জাতীয় নদী কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেছেন, নদী রায় নেয়া প্রকল্প গুলো সুষ্ঠু ভাবে বাস্তবায়ন না হলে কেউ রেহায় পাবে না। এর জন্য জেলেও যেতে হতে পারে। তাই সঠিক পরিকল্পনা ছাড়া নদী রায় কোন প্রকল্প নেয়া যাবে না। জেলার সকল নদীর সীমানা সিএস রেকর্ড অনুযায়ী দিয়ারাজড়িপ করে নির্ধারন করা হবে। অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরী করে তা দ্রুত উচ্ছেদ করতে হবে। নদীর পাড়ের জমি কোন ব্যক্তি নয়, এটি রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের। আইনের ব্যয় ঘটিয়ে কেউ কেউ নদীর জমির মালিকানা হয়েছেন। এর সাথে যারা জড়িত রয়েছেন বা ছিলেন তাদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। সোমবার দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ধলেশ্বরী নদীর খননকাজ নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন।
মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক এস.এম ফেরদৌসের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় জাতীয় নদী রা কমিটির সদস্য মোঃ আলাউদ্দিন, প্রকল্প পরিচালক(৪৮ নদী খনন প্রকল্প), প্রকল্প পরিচালক ইকরামুল হক, পানি উন্নয়ন বোর্ডে সাবেক প্রধান প্রকৌশলী সাজিদুর রহমান, পুলিশ সুুপার রিফাত রহমান শামীম, পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তা উপবিভঅগী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার, ধলেশ্বরী নদী বাচাও কমিটির সভাপতি আজাহারুল ইসলাম ,মানিকগঞ্জ প্রেসকাবের সভাপতি গোলাম ছারোয়ার ছানু, সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব চক্রবর্তী, বিভিন্ন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানগন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ ধলেশ্বরী নদী রা আন্দোলন কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় নদী কমিশনের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান হাওলাদার আরো বলেন, পরিকল্পনা ছাড়া কাজ করলেন,কিন্তু কোন ফলপ্রসূ হলো না। তাহলে সরকারের টাকা সব গচ্চা গেল। তাই টেকসই উন্নয়নের জন্য সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে কাজ বাস্তবায়ন করতে হবে।
এটা ছেলে খেলা নয় এটা নদীর খেলা। নদীর গতিবিধি বুঝেই পরিকল্পনা করতে হবে।সঠিক সার্ভে ছাড়া নদী রায় আর কোন প্রকল্প না নেয়ার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
সভায় মানিকগঞ্জে নদী রা,অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ ,নদী প্রবাহমান করা ও ধলেশ্বরী নদী খনন নিয়ে এক সভায় বক্তব্য রাখেন বক্তারা। নদী খনের মাটি যাতে ব্যবসায়ীক কাজে ব্যবহার না হয় সেই দিকটি নজর রাখার কথা বলা হয়।
ধলেশ্বরী নদী বাঁচাও কমিটির দীর্ঘদিনের দাবীর প্রেেিত জাতীয় নদী রা কমিশনের চেয়ারম্যান সহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা মানিকগঞ্জের কয়েকটি নদী পরিদর্শন করেন । সম্প্রতি ধলেশ্বরী নদীর সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লি এলাকা থেকে সিংগাইর উপজেলার ইসলাম নগর পর্যন্ত সাড়ে ৪৫ কিলোমিটার খনন করার জন্য ৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ঠিকাদার নিয়োগ দিয়ে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু নদীর হাইড্রোগ্রাফ সার্ভে না করে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ না করায় খনন কাজ শুরু করতে দেয়া হয়নি।
সভায় আগামী ১ মাসের মধ্যে এসব প্রক্রিয়া শেষ করে নভেম্বর মাসের মধ্যে কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়।
কালের কাগজ/প্রতিনিধি/জা.উ.ভি

সম্প্রতি সংবাদ