ঈশ্বরগঞ্জে দালালদের দৌরাত্মে অস্তিরপল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকরা

editor ৬ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ সারাদেশ

হাবিবুর রহমান , ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ):২৯ সেপ্টেম্বর-২০১৯,রবিবার।
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকরা দালালের কারণে সেবা থেকে বঞ্ছিত হচ্ছে। বিদ্যুৎ লাইন নিমার্ণের নামে দালালরা হাজারো গ্রাহকের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এই দালাল সিন্ডিকেট বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যাক্তির নাম ব্যাহার করে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের অবৈধ সকল কর্মকা-। এনিয়ে বারবার অভিযোগ করা হলেও পকেটে অভিযোগ রেখে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়া হয় উর্ধতন কর্মকর্তাকে।
জানা যায়, ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর সাব জোনাল অফিস ঈশ্বরগঞ্জ অফিসে প্রতিদিন দালালের ভিরে গ্রাহকরা বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজনের সঙ্গে দেখা না করতে পেরে বাদ্য হয়ে দালালের স্মরণাপুন্ন হয়। দালাল সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন যাবৎ বিদ্যুৎ গ্রাহকদের জিম্মি করে তাদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। উপজেলা বিদ্যুৎ সুবিদা বঞ্ছিত বিভিন্ন গ্রামের লোকজনের কাছ থেকে নতুন লাইন নিমার্ণের জন্য টাকা নিয়ে ঠিকাদারের সাথে যোগসাজশে গ্রাহকদের কে বিদ্যুৎ দেওয়ার জন্য ওই কাজ করছে। সাব জোনাল অফিসের কয়েকজন অসাধু কর্মকর্তার সাথে সম্পর্ক রেখে তাদের দিয়ে মাপযোপ করিয়ে। প্রভাবশালীদের নাম ভাঙিয়ে তাদের দৌরাত্ম দিনদিন ভেরেই চলছে।
সরজমিন গিয়ে জানা যায়, অফিসের ইলেকটেশিয়ান, আবুল কাসেম ওরফে কস্তুরি পাড়াপাচাশি গ্রামে নতুন লাই দেওয়ার জন্য কামরুল ইসলামের কাছ থেকে ৯ হাজার টাকা নিয়েছে প্রায় দেড় বছর পূর্বে এখন পর্যন্ত তাকে সংযোগ দেয়া হয়নি বিষয়টি নিশ্চিত করেন আ: হান্নান। অপর ইলেকটেশিয়ান সুমন মিয়া মাউজবাগ এলাকা থেকে নতুন সংযোগের জন্য শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা হারে উত্তোলন করেছে। আর এক ইলেকটেশিয়ান লাট মিয়া অফিস থেকে আবেদনের ফাইল নিয়ে বাজারের বিভিন্ন দোকানে বসে গ্রাহকদের সাথে দর দাম ঠিক করেন। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের পরিচয় দিয়ে দুলাল মেম্বার বড়হিত ইউনিয়নের পাইকুড়া, রামচনপুর এলাকা থেকে টাকা উত্তোলন করেছে। এই বিষয়ে মস্তোফা নামে একব্যাক্তি অভিযোগ করার পর দেড় মাসের কোন প্রতিকার পায়নি। এছাড়া একই ইউনিয়নের রফিক উদ্দিন নশতি বাজার এলাকা থেকে বিদুতের নতুন সংযোগ দেওয়ার নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ সাব জোনাল অফিসের এজিএম কম মো. জসিম উদ্দিন বলেন, দালালদের সাথে আমার অফিসের কোন লোকজনের যোগসাজশ থাকার কথা নয়। তবে ইলেকটেশিয়ানরা অনেক সময় বিভিন্ন কাজ নিয়ে আসে। দুলাল মেম্বারের সাথে অফিসের অনেকেরই ভালো সম্পর্ক রয়েছে।
অফিসের ফাইল অন্যত্র নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, কোন ভারেই অফিসের ফাইল বাইরে যাওয়ার কোন কারণ নেই। বিষয়টি দেখবো। দুলাল মেম্বারের একটি বিষয় তদন্তাধিন রয়েছে। দালাল থেকে বিরত বারবার বলার পরও কেউ বিষয়টি আমনে নিচ্ছে না।
দালালদের বিষয়ে ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর ঈশ্বরগঞ্জ অঞ্চলের পরিচালক সাবেক কৃষিবিদ মো. মজিবুর রহমান বলেন, নতুন করে কোন দালাল এখানে আসে নি। পূর্ব থেকে যেসব দালাল এখানে আছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ##

সম্প্রতি সংবাদ