ব্রেকিং নিউজ

সুনামগঞ্জ জেলা যুব শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি মতিউর রহমানের সংবাদ সম্মেলন

editor ১০ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ সারাদেশ

কামাল হোসেন,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: ১৯ অক্টোবর-২০১৯,শনিবার।
সুনামগঞ্জ জেলা জাতীয় যুব শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি ও তাহিরপুর উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের শিবরামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে গত ১৮ই অক্টোবর শনিবার ”পাটলাই নদীতে খুচরা চাঁদাবাজ গ্রেফতার হলেও গডফাদার ধরাছোঁয়ার বাইরে” শিরোনামে কয়েকটি ¯’ানীয় দৈনিক ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তাহিরপুর উপজেলার শিবরামপুর গ্রামের মৃত তোতা মিয়ার ছেলে মো. মতিউর রহমান। গতকাল শনিবার বিকেলে তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর বাজারে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন ¯’ানীয়, জাতীয় ও অনলাইন পোর্টালের সাংবাদিকদের উপ¯ি’তিতে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে একাত্ততা প্রকাশ করে উপ¯ি’ত ছিলেন, উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, শাহাব উদ্দিন আখঞ্জী, ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি দিলশাদ খাঁন, সে”চাসেবকলীগ সভাপতি সাজু মিয়া, রফিকুল ইসলাম, নুর মিয়া, আক্তার হোসেন, গোপাল পাল, নাজিম উদ্দিন, আয়ূব আলী প্রমুখ।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আসন্ন উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে, জামায়াত বিএনপির একটি চক্র উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিনের ভাগনা আবুল হাসনাত ওরফে রিফাত ও তার কয়েকজন ঘনিষ্ঠ সহযোগী সক্রিয় চাঁদাবাজ নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে আমার আমার কাছে দেবোত্তর স্টেট এর ইজারাদার দাবী করে আমার কাছে চাঁদা দাবী করে। আমি তাদেও এসব দাবী না মানায় তারা আমার মান সম্মান ক্ষুণ্য করাসহ বিভিন্ন সময়ে এলাকায় কোন ধরণের ঘঁনা ঘটলেই সাংবাদিকদের মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করায়।
তিনি আরো বলেন, গত ১৭ অক্টোবর পাঠলাই নদী থেকে মানিক মিয়া নামে একজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে এবং তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে কারাগারে প্রেরণ করে। এঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে, আটককৃত মানিক আমার সহযোগী। প্রকৃত পক্ষে সে আমার ইজারাকৃত নৌকা ঘাটের নৌকার মাঝি। তিনি বলেন, এলাকার একটি চিহ্নিত চাঁদাবাজ চক্র নদীতে চাঁদাবাজি করতে না পেরে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট তথ্য দিয়ে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মাধ্যমে অপপ্রচার চালায়। তিনি বলেন, সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে, চাঁদাবাজির নেপথ্যের কারিগর ম‚লহোতা আমি, গত কয়েক বছর যাবৎ দলের পরিচয় দিয়ে পাটলাই নদীর ডাম্পের বাজার, বালিয়াঘাট, শ্রীপুর বাজার, সংসার বিল পাড়, কামালপুর, মন্দিয়াতায় সহ একাধিক তালুকদারী ষ্টেইট, দেবোওর ষ্টেইট, খাঁস কালেকশানের নামে একাধিক পয়েন্টে কয়েকটি লাঠিয়াল গ্রæপের সাহায্যে নৌ পথে নৌ যান আটক করে সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে জোরপুর্বক নৌ যান মালিক শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে আসছি। চাঁদাবাজির আয়ের টাকা চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিয়ে বহাল তবিয়্যতে আছি। এসব সংবাদ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভুয়া, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত।
তিনি বলেন, আমি তাহিরপুর উপজেলা প্রশাসন থেকে ২৭.২.১৯ইং তারিখে ০৫. ৪৬. ৯০৯২. ০০০. ০৮.০৬৬.১৯.৩২৪ ও ৫৫৩ স্মারকে ১৪২৬ বাংলা সনের ৩০ই চৈত্র পর্যন্ত ১ বছরের জন্য উপজেলার শ্রীপুর বাজার ও ডাম্পের বাজারের নৌকাঘাট/খেয়াঘাট বৈধভাবে ইজারা এনেছি এবং ১৪/৩/২০১৯ইং তারিখে ইজারা বন্দোবস্ত গ্রহন করে খাজনা পরিশোধ ক্রমে বাস্তবে ভোগ দখল করে আসছি। তিনি বলেন, শ্রীপুর ও ডাম্পের বাজার খেয়াঘাট ব্যাতিত অন্য কোথাও হাওরে গিয়ে আমার কোন লোকজন নৌকা থেকে অবৈধ ভাবে ইজারার টোল আদায় করেনা।

সম্প্রতি সংবাদ