ব্রেকিং নিউজ

ঘিওরে কাঁঠালের বাম্পার ফলন

editor ৮ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ সারাদেশ

রামপ্রসাদ সরকার দীপু, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট:১৪ মে-২০২০,বৃহস্পতিবার।
মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে চলতি মৌসুমে কাঁঠালের বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামাঅঞ্চলের বিভিন্ন এলাকাতে অসংখ্য গাছে গাছে কাঁঠাল ধরেছে। যে দিকে চোখ যায় শুধু কাঠাঁল আর কাঁঠাল। ঘিওর, বড়টিয়া, সিংজুরী, পয়লা, বানিয়াজুরী, বালিয়াখোড়া, নালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকাতে গাছের গোড়া থেকে প্রতিটি ডালে ডালে ছেয়ে গেছে জাতীয় ফল কাঁঠাল।
গ্রীস্মকালীন কাঁঠাল খেতে খুবই সুস্বাদু। চিংড়ি মাছ ও বুটের ডাল দিয়ে কাঁচা কাঁঠালের তরকারী গ্রাম বাংলার লোকজনের কাছে খুবই প্রিয়। মা ও শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষায় ভিটামিন এ,সি, আয়রন , ক্যালসিয়াম এবং শর্করার জোগান দেয় আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠাল। মধুমাস জেষ্ঠ্যের শুরুতেই কাঁঠাল পাকতে শুরু করেছে। ঘিওরের বহু পাইকারী মহাজনরা কাঁঠাল গাছ কিনতে শুরু করেছে। বিভিন্ন গ্রামাঞ্চল ঘুরে ঘুরে তারা প্রথমে কাঁঠাল গাছ কিনে পরিচর্চা শুরু করেন। ঘিওরে অনেক মৌসুমী ব্যবসায়ী কাঁঠালের বাগান কিনে যাবতীয় কাজ শেষ করেছে দু’ দিনের মধ্যেই বিভিন্ন হাট বাজারে কাঁঠাল বিক্রি করবেন। তবে অনেক ব্যবসায়ীরা করোনা আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। মরনঘাতী করোনার কারনে কাঁঠালের দাম নিয়ে তারা চিন্তার মধ্যে রয়েছেন।
ঘিওর বাজারের কাঁঠাল ব্যবসায়ী তুলশি সরকার ও ইউসুফ মিয়া জানান, চলতি মধু মাসে তিনি প্রায় ২০/২৫টি কাঁঠাল গাছ কিনেছেন। দু’ একটি করে কাঁঠাল পাকতে শুরু করেছে। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার প্রতিটি গাছেই কাঁঠাল বেশি ধরেছে। শুরুতে বড় একটি কাঁঠাল ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা এবং মাঝারি একটি কাঁঠাল ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শেখ বিপুল হোসেন জানান, ঘিওরে চলতি মৌসুমে ৭টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকাতে ব্যাপক কাঁঠাল ধরেছে। আমাদের কর্মকর্তারা শুরুতেই কাঁঠাল সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দিয়েছেন। তবে গত বছরের তুলনায় এবার কাঁঠালের ফলন ভাল হয়েছে।

সম্প্রতি সংবাদ