ব্রেকিং নিউজ

শুরুতে ক্রেতা কম অথচ শেষব্দি পশুই নেই!

editor ১১ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ সারাদেশ

বিভাগী প্রধান ব্যুরো প্রধান, রায়হান হোসাইন ঃ০১ আগস্ট-২০২০,শনিবার।

শুরুতে ক্রেতা কম অথচ শেষব্দি পশুই নেই!!!!! হাট আজও আছে তবুও দেখা মেলেন পশুর। নগরীর সাগরিকা পশুর হাটবাজারের চিত্র। শুরুতে ক্রেতা কম আর শেষব্দি পশুই নেই। বুরো প্রধান, চট্টগ্রাম, রায়হান হোসাইন- শেষ মুহূর্তে চট্টগ্রামের পশুর হাটগুলোতে কোরবানির পশুর সংকট তৈরি হয়েছে। বাজারে ক্রেতা থাকলেও গরু নেই। তাই পছন্দের গরু কিনতে নগরীর একাধিক বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ক্রেতারা। গরু না পেয়ে অনেকে হাট থেকে গরু না কিনে বাড়ি ফিরছেন। অন্যদিকে বাজারে গরুর সংকট হওয়ায় শেষ মুহূর্তে এসে চড়া দামে গরু বিক্রি করছেন বেপারীরা। শুক্রবার (৩১ জুলাই) নগরীর ঈদগাহ এলাকার বাসিন্দা নুরু নবী বলেন, ‘অফিস খোলা থাকায় এতদিন গরু কিনতে হাটে যেতে পারিনি। আজ সকালে সাগরিকা বাজারে গিয়ে দেখি খুব বেশি গরু নেই। তবে প্রচুর ক্রেতা আছে। পরে গরু পছন্দ করতে না পেরে সল্টগোলা হাটে যাই। সেখানেও একই অবস্থা। বাজারে খুব বেশি গরু নেই। হাতে গোনা কিছু গরু আছে। তবে দাম অনেক বেশি।’ চট্টগ্রাম নগরীতে বসা একাধিক পশুর হাটে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকাল থেকেই বাজারে গরুর সংকট তৈরি হয়। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত সাগরিকা, বিবিরহাট, কর্ণফুলী পশুর হাট, এক কিলোমিটার, মইজ্জারটেকসহ প্রায় হাট গরু শূন্য হয়ে যায়। সকালে কয়েকটি হাটে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, ক্রেতাদের চাহিদা থাকলেও হাটে গরুর সংখ্যা ছিল খুবই কম। যে কয়েকটি গরু ছিল তা নিয়ে রীতিমতো ক্রেতাদের মাঝে কাড়াকাড়ি। তবে শুক্রবার সকাল আবারও বাজারে গরু আসতে শুরু করেছে। চাহিদা থাকায় বেপারীরা কুষ্টিয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ট্রাকে গরু নিয়ে আসছেন। তবে এটা সংখ্যায় অনেক কম। এদিকে বাজারে গরু আসতে শুরু করলে শেষ মুহূর্তে গরুর দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন বিক্রেতারা। বিবির হাট বাজারে গরু কিনতে এসেছেন হিলভিউ আবাসিক এলাকার বাসিন্দা রশিদ আহমেদ। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘গরু রাখা কষ্টকর তাই এতদিন গরু নেইনি। আজ বাজারে গিয়ে দেখি গরু নেই। যা কয়েকটা আছে অনেক বেশি দাম।’ সাগরিকা পশুর হাটের ইজারাদার সাইফুল হুদা জাহাঙ্গীর বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত বাজারে গরুর সংকট ছিল। বাজারে সংকট থাকায় বেপারীরা নতুন কয়েক ট্রাক গরু নিয়ে আসছেন। কয়েক ট্রাক গরু ইতোমধ্যে বাজারে এসেছে। এখন ক্রেতারা এলে গরু কিনতে পারবেন।’ একই কথা জানিয়েছেন বিবিরহাট গরু বাজারের ইজারাদার আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘সব মিলিয়ে বাজারে ৪০ থেকে ৫০টা গরু আছে কিন্তু ক্রেতা অনেক বেশি। তাই অনেকে গরু না কিনে ফিরে যাচ্ছেন।’ কর্ণফুলী পশুর হাটের ইজারাদার আব্দুর রহিম বলেন, ‘বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই বাজারে গরুর সংকট তৈরি হয়। কিন্তু বাজারে প্রচুর ক্রেতা আছে। অনেক ক্রেতা এসে গরু না পেয়ে ফেরত গেছেন। অনেকের বাজেটের সঙ্গে গরুর দাম মিলছে না।’

সম্প্রতি সংবাদ