ব্রেকিং নিউজ

শোক দিবসের পরিবেশ যেন বিনষ্ট না হয়: ওবায়দুল কাদের

editor ১১ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ breaking midslider জাতীয়

কালের কাগজ ডেস্ক:১৩ আগস্ট ২০২০, বৃহস্পতিবার।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কোনো ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর স্বার্থ সিদ্ধির জন্য যেন জাতীয় শোক দিবসের পরিবেশ বিনষ্ট না হয়। চিরায়ত ঐতিহ্য আওয়ামী লীগের মূল্যবোধ যাতে ক্ষুণ্ণ না হয় সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

বৃহস্পতিবার বিকালে ধানমণ্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি ঘোষণাকালে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, এসএম কামাল হোসেন ও মির্জা আজম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সবুর, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডাক্তার রোকেয়া সুলতানা, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান, কেন্দ্রীয় সদস্য শাহাবুদ্দিন ফরাজি প্রমুখ।

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, সবাইকে নিজ নিজ অবস্থানে থেকে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তার আদর্শে দেশ গড়ার মহান ব্রতে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর পটভূমিতে দাঁড়িয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি পালনের জন্য দেশবাসীকেও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

একই সঙ্গে দেশের সব প্রগতিশীল রাজনৈতিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রতিও জাতীয় শোক দিবস পালনের আহ্বান জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

এ সময় সততা, সফলতা এবং সাহসিকতার সঙ্গে করোনা ও বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উপস্থিত সবার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান ওবায়দুল কাদের।

পরে ওবায়দুল কাদের ১৫ আগস্টের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ওই দিন সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে বঙ্গবন্ধু ভবন ও কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে। সকাল ৮টায় ধানমণ্ডির বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হবে। এছাড়াও ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, সহযোগী সংগঠনসহ মহানগরের প্রতিটি শাখার নেতাকর্মীরা যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। সকাল পৌনে ৯টায় বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, মাজার জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ, মোনাজাত ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

সকাল ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে ফাতেহা পাঠ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। টুঙ্গিপাড়ায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির একটি প্রতিনিধি দল ও গোপালগঞ্জ জেলা এবং টুঙ্গিপাড়ার নেতারা উপস্থিত থাকবেন।

আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের মধ্যে থাকবেন- দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, শাজাহান খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল, এসএম কামাল হোসেন, মির্জা আজম, আফজাল হোসেন, কেন্দ্রীয় সদস্য আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, রিয়াজুল কবির কাওছার, শাহাবুদ্দিন ফরাজি ও আনিসুর রহমান।

বাদ জোহর দেশের সব মসজিদে মিলাদ মাহফিল, সুবিধামতো সময়ে মন্দির, প্যাগোডা, গির্জা ও উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা এবং এরপর অসচ্ছল, এতিম ও দুস্থ মানুষের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা হবে। বাদ আসর বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

সম্প্রতি সংবাদ