ঘিওরে বসতভিটার সীমানা নিয়ে বিরোধহামলার আশঙ্কায় এক সংখ্যালঘু পরিবার

editor ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ সারাদেশ

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি:০৮ সেপ্টেম্বর-২০২০

বসতভিটার সীমানাসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা সদরে সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গত সোমবার আদালতে মামলা করলেও হামলার আশঙ্কায় নিরাপত্তাহীনতা ভ‚গছে ভ‚ক্তিভোগী পরিবারটি।
মামলার এজাহার এবং ভ‚ক্তভোগী পরিবার স‚ত্রে জানা গেছে, ঘিওরের কুস্তায় এলাকায় বসতভিটার সীমানা নিয়ে গোবিন্দ চৌহানের সঙ্গে প্রতিবেশি ফারুক হোসেনের বিরোধ চলে আসছে। গত ২৬ আগস্ট ঝড়ে গোবিন্দের বাড়ির সীমানার টিনের বেড়া খুলে যায়। পরের দিন বিকেলে বেড়াটি মেরামত করতে গেলে ফারুক এতে বাধা দেন। এ নিয়ে তাঁদের দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়। এর পর লাঠিসোটা ও লোহার রড দিয়ে গোবিন্দকে মারধর করেন ফারুক ও তাঁর লোকজন। এ সময় গোবিন্দকে রক্ষা করতে গেলে তাঁর মা ও স্ত্রীকে মারধর করা হয়। এ ঘটনায় আহত গোবিন্দ ও তাঁর মা কমলা চৌহানকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় চৌহানের স্ত্রী আরতি চৌহান থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। তবে মামলা না হওয়ায় গত সোমবার গোবিন্দ বাদি হয়ে জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত-৬ এ মামলা করেন। মামলায় ফারুক হোসেন, আশরাফুল আলম ও রিজভী হোসেনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলায় বাদিপক্ষের আইনজীবী দীপক কুমার ঘোষ বলেন, বিচারক দ্রæত সময়ের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন।
গোবিন্দ চৌহান বলেন, মামলা করার পর থেকে মারধরের হুমকি দিচ্ছেন আসামিরা। মামলা তুলে নিতে ভয়ভীতিও দেখাচ্ছেন। যে কোনো সময় তাঁরা আবারও হামলা করতে পারেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ফারুক হোসেন বলেন, তাঁর (ফারুক) নিজের জায়গায় গোবিন্দ সীমানার বেড়া দিয়েছেন। তিনি উল্টো অভিযোগ করেন, ‘ওই দিন বেড়া দিতে না করায় গোবিন্দ ও তাঁর লোকজন আমার ওপর হামলা করেছেন। আমাকে হয়রানি করতে মিথ্যা মামলা করেছেন।’
ঘিওর থানার ওসি আশরাফুল আলম বলেন, এ নিয়ে দুইপক্ষই থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। আদালতের নির্দেশের কোনো কাগজাদি এখনও তিনি পাননি। পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।

সম্প্রতি সংবাদ