চৌহালীতে যমুনা নদীতে ভাঙ্গনত্রাণ নয় দরকার টেকশই বেড়িবাঁধ

editor ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ সারাদেশ

মাহমুদুল হাসান,চৌহালী (সিরাজগঞ্জ)প্রতিনিধি:১০ সেপ্টেম্বর-২০২০,বৃহস্পতিবার।

স্মরণ কালের ভয়াবহ নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা বাসি। উপজেলায় ইতিমধ্যে ভিটেবাড়ী, ফসলি জমি,রাস্তা ও সড়কপথ হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে নদীর পাড়ের মানুষ। তারা সরকারের কাছে ত্রাণ চায় না টেকশই বেরীবাধ কোদালিয়া গ্রামে নিজস্ব ভুমিতে উপজেলা পরিষদ স্থাপন দেখতে চায়।
২০১৩ সালে যমুনার গর্ভে চলে গেছে উপজেলা পরিষদের সকল স্থাপনা, কবরস্থান, ভিটেবাডী, ফসলি জমি, স্কুল, কলেজ,ব্রীজ,কাচা-পাকা সড়কসহ অনেক সরকারি বেসরকারি স্থাপনা। চৌহালী ৭টি ইউনিয়নের প্রায় ৫ শতাধিক ঘরবাড়ি বিলীন হওয়ায় দিশেহারা নদী ভাঙ্গন কবলিত মানুষেরা। মোঃ কাহহার সিদ্দিকী ও আঃ মজিদ সরকার বলেন,বন্যার পানি বৃদ্ধি ও কমার সাথে সাথে ভাঙ্গন কবলে পরেছে বাগুটিয়া, চরবিনানই,চরনাকালিয়া, ভুতেরমোড়,খাষপুকুরিয়া, মিটুয়ানী, দেওয়ানগঞ্জ বাজার, দক্ষিণ খাষপুখুরিয়া, শাকপাল ঘোরজান, মুরাদপুর, উমারপুর, শৈলজানা, হাটাইল,মোকারভাঙ্গাসহ বিভিন্ন স্থান। ভাঙ্গন কবলিত ও বানবাসি মানুষের দাবি, তারা ত্রাণ চায় না নদী শাসন ও বেরীবাধ চাই। একটি বেরীবাধই বদলে দিতে পারে চৌহালী বাসির ভাগ্য।
চৌহালী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ ফারুক হোসেন বলেন, নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী বাধ নির্মাণের কাজ দ্রæতই হবে, বর্তমানে ভাঙ্গন এলাকায় ডাম্পিং কাজ অব্যাহত রয়েছে।
টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, এশিয়ান ডেপ্লেপমেন্ট এর ৫ কি:মি: স্থায়ী বাধ নির্মান করা হয়েছে এবং ২ কি:মি: এর প্রক্রিয়া চলছে এবং আরো কাজ বাড়ানোরসহ স্থায়ী বাধের জন্য প্রকল্প পরিচালকরে দপ্তরে যোগাযোগ করা হয়েছে।

সম্প্রতি সংবাদ