ব্রেকিং নিউজ

সৈয়দপুর থানা পুলিশ কর্তৃক যাবজ্জীবন সাজা প্রাপ্ত আসামী লুৎফর গ্রেফতার

editor ১১ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ সারাদেশ

শাহজাহান আলী মনন, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধিঃ   ২৩ সেপ্টেম্বর-২০২০, 
নীলফামারীর সৈয়দপুর থানা পুলিশ যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার  আসামীর নাম মোঃ লুৎফর রহমান।  সে কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার রহিম উদ্দিন ঠাকুরের ছেলে। ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ৩টার দিকে সৈয়দপুর থানার এসআই মোঃ সাহিদুর রহমান ও এসআই/ইন্দ্র মোহন সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করেছে।
সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল হাসনাত খান জানান, উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের সোনাখুলী আদানী পাড়া (ধলাগাছ স্কুলের পিছনে) এলাকা হতে তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। গ্রেফতার লুৎফর রহমান নারী ‍ও শিশু কেস নং-২৯৪/০৪ এর পলাতক যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তাকে    গ্রেফতার পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গতকাল শিশুসহ মাকে অপহরণের ঘটনায় নীলফামারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আহসান তারেক লুৎফর রহমান কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদ্বন্ড প্রদান করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত লুৎফর রহমান কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার রহিম উদ্দিন ঠাকুরের ছেলে। তিনি নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের ধলাগাছ গ্রামে বাস করেন। তবে মামলার পর থেকে পলাতক ছিল।
মামলার বিবরণে জানা যায়, নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার ধলাগাছ গ্রামের রাজমিস্ত্রি মতিয়ার রহমানের স্ত্রী ছাবিয়া খাতুনকে (২২) নানা রকম প্রলোভন দেখাতেন প্রতিবেশী লুৎফর রহমান।
২০০৪ সালের ১০ জুন দুপুরে মতিয়ার রহমানের অনুপস্থিতিতে ছাবিয়া খাতুন ও তার শিশু মেয়েকে বাড়ির সামনে থেকে অপহরণ করে নিয়ে যান লুৎফর।
২০০৪ সালের ১৬ জুন দুপুরে এ ঘটনায় মতিয়ার রহমান বাদী হয়ে লুৎফর রহমানকে একমাত্র আসামি করে সৈয়দপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
ওই মামলা তদন্ত শেষে সৈয়দপুর থানার উপ-পরিদর্শক বাবুল আক্তার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। তার ভিত্তিতে ২০০৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর আসামির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নেয় আদালত। এরপর ২০০৮ সালের ১২ মে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। লুৎফর রহমান পলাতক থাকায় আসামির অনুপস্থিতিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডাদেশ দেয় আদালত।

সম্প্রতি সংবাদ