ঘিওরের বড়টিয়া ইউপি পরিষদ পরিত্যক্ত ঘোষনার ২৮ বছরেও ঝুঁকি নিয়ে চলছে কার্যক্রম

editor ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ সারাদেশ

রামপ্রসাদ সরকার দীপু  স্টাফ রিপোটার :২৭ অক্টোবর-২০২০,মঙ্গলবার
পরিত্যক্ত ঘোষনার ২৮ বছর অতিবাহিত হবার পরেও মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বড়টিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক সহ সকল প্রকার কার্যক্রম চলছে মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে। যে কোন মুহুর্তে পুরো ভবনটি ধ্বসে ভয়াবহ দুর্ঘটনার আশংকায় উদ্ধিগ্ন হয়ে পড়েছে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য কর্মকর্তাসহ এলাকার হাজার হাজার জনগন।

জানা গেছে, ১৯৮০ সালে সালে প্রায় ৬ লাখ টাকা ব্যয়ে এলজিইডি তিন কক্ষ বিশিষ্ট বড়টিয়া ইউপি ভবনটি নির্মান করে। ওই সময় নি¤œমানের কাজ এবং সঠিক তদারকির অভাবে ঠিকমত কাজ হয়নি। ফলে অল্প সময়ে ভবনটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পরে। বর্তমানে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ন অবস্থায় জরজীর্ণ ভবটির মধ্যে চলছে সকল প্রকার কার্যক্রম।

১৯৯২ সালে উপজেলা এলজিইডি তৎকালীন কর্তৃপক্ষ সরেজমিন পরিদর্শন করে বড়টিয়া ইউপি ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষনা করে সকল প্রকার কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় । এবং অফিসের যাবতীয় মালামাল সরিয়ে নেবার কথা বলে। কিন্তু এখনও চলছে অফিসিয়াল সহ সকল প্রকার কার্যক্রম। এদিকে সরেজমিন পরির্দশন করে দেখা গেছে, একতলা ভবনটির অধিকাংশ স্থানে পলেস্তার উঠে রড বেড়িয়ে গেছে। ভিমে ফাটল ধরেছে। দরজা জানালাগুলো ভেঙ্গে গেছে। বৃষ্টির সময় পানি জমে প্লাবিত হয়ে যায়। বৃষ্টির সময় ছাদ চুয়ে পানি পরে। ভবনটি ৬/৭ ফুট দেবে গেছে। ফলে বৃষ্ঠির সময় ভবনটির মধ্যে পানি ঢুকে স্যাঁতস্যাঁতে অবস্থায় হয়ে যায়। ঝড়বৃষ্টির সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জনপ্রতিনিধিদের কাজকর্ম করতে হয়। সাম্প্রতি ২/৩টি স্থানে ফাঁটল মারাত্মক আকার ধারন করেছে। দ্রæত নতুন ভবন নির্মান না করলে সকল প্রকার কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যাবে। ভবনটি ঝুঁকি মধ্যে থাকায় কম্পিউটার প্রশিক্ষন সেন্টারটি মাঝে মধ্যে থাকে।

উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সাজ্জাকুর রহমান জানান, বড়টিয়া ইউপি ভবনটি খুবই ঝুঁকিপূর্ন। দীর্ঘদিন আগে ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষনা করা হয়েছে। তবে জমির অভাবে নতুন ভবন নির্মান করা সম্ভব হচ্ছেনা। উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে আলাপ আলোচনা করে দ্রæত নতুন ভবন নির্মানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
বড়টিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ফরিদ উদ্দিন বাবর জানান, ভবনটি ২৮ বছর যাবৎ ঝুঁকিপূর্ন হওয়া সত্বেও জীবনের ঝুকি নিয়ে আমাদের কাজকর্ম করতে হচ্ছে। অথচ পরিষদের প্রায় ৪২ শতাংশ জমি আছে। এখানে একটি সুন্দর ভবন নির্মান করা সম্ভব। ইতোমধ্যে একাধিকবার মিটিংসহ যাবতীয় পরীক্ষা নিরিক্ষা হয়ে গেছে। এলাকার জনগন এ ব্যাপারে প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

রামপ্রসাদ সরকার দীপু

সম্প্রতি সংবাদ