ব্রেকিং নিউজ

পাংশা-কালুখালীতে ডিলারদের চাল বিক্রয় কার্যক্রম তদারকীতে কর্মকর্তারা

editor ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ সারাদেশ

 মোক্তার হোসেন, পাংশা (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি :০৯ নভেম্বর-২০২০,সোমবার।

রাজবাড়ী জেলার পাংশা ও কালুখালী উপজেলাতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলারদের দোকানে চাল বিক্রয় কার্যক্রম তদারকী করছেন কর্মকর্তারা। ২টি উপজেলায় ৫৮ জন ডিলারের মাধ্যমে খাদ্য অধিদপ্তর পরিচালিত খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির সেপ্টেম্বর-নভেম্বর-২০২০ প্রান্তিকের আওতায় সরকার নির্ধারিত মূল্যে কার্ডধারীদের মাঝে নভেম্বর মাসের চাল বিতরণ কার্যক্রম চলছে। কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে চাল বিক্রয় কার্যক্রম মনিটরিং করতে মাঠে নেমেছেন কর্মকর্তারা।
জানা যায়, পাংশা উপজেলাতে ১০টি ইউনিয়নে ৩৩জন ডিলারের আওতায় কার্ডধারীর সংখ্যা ১৭হাজার ১০। কালুখালী উপজেলাতে ৭টি ইউনিয়নে ২৫ জন ডিলারের আওতায় ১২হাজার ৮৩৬ জন কার্ডধারী রয়েছে। দু’টি উপজেলার ১৭ টি ইউনিয়নে ৫৮জন ডিলারের মাধ্যমে সর্বমোট ২৯হাজার ৮৪৬টি পরিবার খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির সুবিধা ভোগ করছে। ২০১৬ সাল থেকে প্রতি বছরের মার্চ-এপ্রিল এবং সেপ্টেম্বর-নভেম্বর মোট ৫মাস সুবিধাভোগীরা প্রতিমাসে ১বার স্ব-স্ব এলাকার ডিলারের দোকান থেকে সরকার নির্ধারিত ১০টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি করে চাল ক্রয় করে আসছে। চলমান কর্মসূচি শেষ হচ্ছে চলতি নভেম্বর মাসে।
জানা যায়, পাংশার ওসিএলএসডি মোহাম্মদ ইব্রাহীম আদম গত রবিবার ৮নভেম্বর কালুখালীর রতনদিয়া ইউপির ডিলার সোহেল মোল্লা ও জয়নাল আবেদীনের দোকান এবং কালিকাপুর ইউপির ডিলার রিপন মন্ডলের দোকান, পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউপির ডিলার আব্দুল আলীম খান, আব্দুস সালাম সরদার, সোহরাব হোসেন ও ফজলুল হক বিশ্বাসের দোকানে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিক্রয় কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
এছাড়া কালুখালীর খাদ্য পরিদর্শক মহব্বতুন্নেছা রতনদিয়া, মদাপুর, মৃগী ও সাওরাইল ইউপিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিক্রয় কার্যক্রম মনিটরিং করেন। পাংশার খাদ্য পরিদর্শক শ্যাম সুন্দর সাহা হাবাসপুর ইউপির চর আফড়া ¯øুইজগেট বাজারস্থ ডিলার ফজলুল হক বিশ্বাসের দোকানসহ হাবাসপুর ও বাহাদুরপুর ইউপিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিক্রয় কার্যক্রম মনিটরিং করেন।
সরেজমিন ডিলার সোহেল মোল্লা, জয়নাল আবেদীন, ডিলার রিপন মন্ডল, আব্দুল আলীম খান, আব্দুস সালাম সরদার, সোহরাব হোসেন ও ফজলুল হক বলেন, আমরা সরকারি ফুডগোডাউন থেকে ডিও’র চালের ওজন বুঝে নেই এবং দোকান থেকে কার্ডধারীদের মাঝে নিয়মমত সরকারি নির্ধারিত মূল্য নিয়ে চাল বিতরণ করছি।
সুবিধাভোগীরা জানায়, তারা গরিব মানুষ, ১০টাকা দরে চাল পেয়ে খুশি। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তারা। সেই সাথে কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে দাবী জানান সুবিধাভোগীরা।
পাংশার ওসিএলএসডি মোহাম্মদ ইব্রাহীম আদম খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির বিভিন্ন ডিলারের দোকানে চাল বিক্রয় কার্যক্রমে সন্তোস প্রকাশ করে বলেন, চলতি বছরের ২৭ আগস্ট পাংশা সরকারি ফুড গোডাউনে যোগদান করেছি। যোগদানের পর থেকেই সকল প্রকার বরাদ্দের ডিও’র চালের ওজন গোডাউন থেকে নেওয়ার সময় বুঝে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের বলি। ডিও’র চাল বুঝিয়ে দিতে ডিজিটাল ওয়েট মেশিনের সামনে নিজে দাঁড়িয়ে থাকি। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল যাতে সঠিকভাবে কার্ডধারীরা বুঝে পায় সে কারণে ফিল্ডে মনিটরিং করছি। তিনি বলেন, গোডাউন থেকে ডিও’র চাল বুঝে দেওয়া ও বুঝে নেওয়ার ক্ষেত্রে সবারই দায়বদ্ধতা আছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলের সচেতন হওয়ার আহবান জানান তিনি।

সম্প্রতি সংবাদ