ব্রেকিং নিউজ

শীতে করোনা নিয়ে আবার সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী

editor ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ breaking slider-top প্রধান খবর

কালের কাগজ ডেস্ক: : ১৮ নভেম্বর ২০২০, বুধবার।

দেশে বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার ফের বাড়ছে। সামনে শীতে এর প্রকোপ বাড়লে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে আশঙ্কা করে প্রশাসন ও দেশবাসীকে আবার সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিশেষজ্ঞদের অভিমতের উদ্ধৃতি দিয়ে সরকারপ্রধান এ সতর্কতা করেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

এর আগেও প্রধানমন্ত্রী সংসদে ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, শীতকালে করোনার সংক্রমণ বাড়তে পারে। কেননা এ সময় দেশে আবহাওয়াজনিত কারণে এমনিতেই অ্যাজমা, হাঁপানি, নিউমোনিয়াসহ শ্বাসকষ্টজনিত রোগের প্রকোপ বাড়ে।

আজ সংসদে চট্টগ্রাম-৪ আসনের সাংসদ দিদারুল আলমের করোনা-সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দূরদর্শী নেতৃত্ব, সমুচিত সিদ্ধান্ত এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ বিশ্ব মহামারিকে সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে। এ মুহূর্তে বাংলাদেশে কোভিড-১৯ এর প্রকোপ কিছুটা কমে এলেও তা আসন্ন শীতকালে আবার বেড়ে যেতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা অভিমত ব্যক্ত করেছেন। ইতোমধ্যে ইউরোপ ও আমেরিকায় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে।’

দেশে করোনা সংক্রমণ বাড়লে তা মোকাবেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানান সংসদ নেতা।

করোনা মোকাবিলার প্রস্তুতির বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘করোনার সংক্রমণ যাতে না বাড়ে সে জন্য ‘নো মাস্ক, নো সার্ভিস’ নীতি বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। দেশের পয়েন্ট অব এন্ট্রিগুলোতে স্ক্রিনিং অব্যাহত রয়েছে। বিদেশফেরতদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কোভিড প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে নেয়া কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা হচ্ছে। তিন কোটি ভ্যাকসিন আমদানির লক্ষ্যে সরকারের সঙ্গে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট ও বেক্সিমকো ফার্মার সঙ্গে তৃতীয়-পক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।’

সম্প্রতি ঢাকায় এক দিনে ১১টি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা নিয়ে জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম প্রশ্ন করেন। জবাবে সংসদ নেতা বলেন, ‘সব ধরনের নাশকতা ও সহিংসতার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে ও তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশসহ সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।’

শরিফুল ইসলাম শিমুল এমপির এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন এবং কোভিড-১৯ মহামারির অভিঘাত সত্ত্বেও প্রতি ইঞ্চি জমি আবাদের আওতায় আনার নীতি গ্রহণ করে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখা হয়েছে। এ সময়ে বাংলাদেশ বিশ্বে ধান উৎপাদনে চতুর্থ স্থান থেকে তৃতীয় স্থানে উন্নীত হয়েছে। ফলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা সুদৃঢ় হয়েছে। এছাড়া সবজি উৎপাদনে তৃতীয়, আম উৎপাদনে সপ্তম, আলু ও পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম স্থানে থেকে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে কৃষি উন্নয়নে রোল মডেল।

সম্প্রতি সংবাদ