ব্রেকিং নিউজ

শুক্রবার ফরিদপুরে কামাল ইবনে ইউসুফের দাফন

editor ২৭শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ breaking জাতীয় সারাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ০৯ ডিসেম্বর ২০২০, বুধবার।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে সদ্যপ্রয়াত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফকে শুক্রবার ফরিদপুরে সমাহিত করা হবে। ওইদিন বিকাল ৩টায় ফরিদপুরের রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে তার জানাজা হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স একথা জানিয়েছেন।

বুধবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে মারা যান প্রবীণ রাজনীতিক চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ। তার প্রথম জানাজা হবে আজ বুধবার বাদ এশা গুলশানের আজাদ মসজিদে।

শুক্রবার বিকাল ৩টায় ফরিদপুরের বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ মরহুমের আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙক্ষীদেরকে যথাসময়ে জানায় শরীক হওয়ার জন্য বলা হয়েছে দলের পক্ষ থেকে।

গত ১৯ নভেম্বর নিউমোনিয়াজনিত কারণে বিএনপির এই নেতাকে ঢাকার এভার কেয়ার (সাবেক অ্যাপোলো) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর তার নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় এই নেতার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার মৃত্যুর খবর শুনে অনেকে হাসপাতালে ছুটে গেছেন।

চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ১৯৪০ সালের ২০ মে ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতামহ ছিলেন জমিদার চৌধুরী মঈজউদ্দীন বিশ্বাস। তার পিতা ইউসুফ আলী চৌধুরী (মোহন মিয়া) একজন বিশিষ্ট মুসলিম লীগ নেতা ছিলেন। তার চাচা চৌধুরী আবদুল্লাহ জহিরউদ্দীন (লাল মিয়া) আইয়ুব খানের সরকারে মন্ত্রিসভায় ছিলেন এবং অন্য চাচা এনায়েত হোসেন চৌধুরী পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন। ১৯৭৯ সালে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গঠিত হলে চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ এতে যোগ দেন। ১৯৭৯ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮১ সালে তিনি বিচারপতি আব্দুস সাত্তার সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। ১৯৯১ সালে তিনি আবার নির্বাচিত হন এবং বেগম খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হন। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে জিতে তিনি খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী হন। ২০০৮ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন।

সম্প্রতি সংবাদ