ব্রেকিং নিউজ

“ঝুঁকিতে বৈধ ফ্যাক্টরীগুলো” নওগাঁয় নকল বিড়ি’র ছড়াছড়ি

editor ৫ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ সারাদেশ

এম,এ রাজ্জাক  মান্দা(নওগাঁ):১৫ ডিসেম্বর-২০২০

নওগাঁ জেলার অন্তর্গত হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন হাট/বাজারে শুল্ক ও. কর ফাঁকি দিয়ে মাসুদ বিড়ি’র নকল পুনঃব্যবহৃত ও ছাপানো ব্র্যান্ডরোল ব্যবহার করে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে প্রশাসনের চোখের সামনে প্রকাশ্যে অবৈধ বিড়ির বাজারজাতকরন ও বিক্রি করে যাচ্ছে অসাধু লোকজন। ভীমপুর এলাকার মাসুদ বিড়ি ফ্যাক্টরীর মূল মালিক ইউ’পি সদস্য বাবুল হোসেন বলেন,ভীমপুর প্রামাণিক পাড়ার মৃত হোসেনের ছেলে সোহেল নকল বিড়ি তৈরী চক্রের মূল হোতা এছাড়া ও মধুর মোড়ের পাশে কাঁকনশী গ্রামে দীর্ঘদিন থেকে নকল বিড়ি তৈরী চক্রের মূল হোতা সাথে জড়িত মৃত লয়েজের ছেলে মকলেছ,বেলালের ছেলে ময়েন, আফজালের ছেলে ফারুক, শরিয়তুল্যাহ ওরফে শশীর ছেলে সাইদুর রহমান, বারেকের ছেলে মামুন,ফিছুর ছেলে নয়ন এবং ইসলামসহ অনেকে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে এই অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। যেনো দেখার কেই কেউ নেই! সরকার স্বাস্থ্যখাতের ঝুঁকি এড়াতে ও তামাকজাত দ্রব্যকে নিরুৎসাহিত করতে বছর বছর এখাতের উপর বাড়তি করারোপ করে যাচেছ। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে বাজেটে বিড়ির মূল্যস্থর ১২% সম্পূরক শুল্ক ৫% অগ্রীম কর ১০% বাড়িয়ে মোট শুল্ক বৃদ্ধি করে ২৪.২০%। বর্তমানে প্রতি হাজার বিড়িতে মোট শুল্ক দিতে হয় ৩১৩.৬০ টাকা। এছাড়া বিড়ির কাগজ তামাক ফিল্টার পরিবহন ও বাজারজাত করন খরচ দিয়ে কোনভাবেই ২৫ শলাকার এক প্যাকেট বিড়ি ১৪ টাকার নিচে বিক্রি করা সম্ভব নয়। যদি কেউ তা করে থাকে তাহলে ধরে নিতে হবে সেটাই অবৈধ বিড়ি। অথচ সরকারের এই নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে প্রশাসনের নাকের ডগায় এইসব অসাধু ব্যবসায়ীরা নকল ও ছাপানো ব্র্যান্ডরোল ব্যবহার করে নির্ধারিত মূল্যেরও প্রায় অর্ধেক দামে ৭/৮ টাকা দরে বাজারে বিড়ি বিক্রয় করছে। এতে একদিকে যেমন সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে অন্যদিকে বৈধভাবে সরকারকে শুল্ক ও কর পরিশোধ করা কোম্পানী মারাতœকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে করে সরকারের মুলনীতি স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা বিবেচনা করে ধূমপানকে নিরুসাহিত করার বদলে কম মূল্যে ও সস্তায় বিড়ি পেয়ে আরো বেশি করে সাধারণ মানুষ ধূমপানের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে। মাঝখান থেকে লাভবান হচ্ছে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী। ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে দেশের বৈধ ভাবে ব্যবসা করা বিড়ি কোম্পানী গুলো আর সরকার হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে স্থানীয় কাষ্টমস্ ও প্রশাসনের প্রত্যক্ষ মদদে তারা একাজ নির্বিঘ্নে করে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা বিষয়টি আমলে নিয়ে দ্রত এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের শ্রমঘন এই শিল্পটি ধসে পড়বে দেশের রাজস্ব আহরণের বড় এ খাতটি বাধাগ্রস্ত হবে দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা ভেঙ্গে পড়বে স্বাস্থ্যখাত বাধাগ্রস্থ হবে সু-শাষণ মাথা চাড়া দিবে দেশের দূর্নীতিখাত। অতএব, উপরোক্ত বিষয়টির গুরুত্বানুধাবন পরবর্তী বিষয়টির ব্যাপকতারোধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন ও এসব ব্যবসার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে বাজারে অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করলেই বন্ধ হবে এই অপতপরতা ঘুরে দাঁড়াবে দেশের রাজস্বখাত এই ব্যাপারে উদ্যোগী ভ‚মিকা পালন করতে পারে স্থানীয় কাষ্টমস্ ভ্যাট এক্সাইজ ও রাজস্ব বিভাগের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা।

সম্প্রতি সংবাদ