ব্রেকিং নিউজ

মনিরামপুরে শহীদ শফী কামাল ছিলেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক- প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য

editor ১০ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ সারাদেশ

মনিরামপুর (যশোর)প্রতিনিধি:

এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য এমপি বলেছেন, কৃষকলীগ নেতা শফি কামাল ছিলেন বঙ্গবন্ধু আদর্শের নিবেদিত কর্মী। তিনি ছিলেন দক্ষ সংগঠন। এ অঞ্চলের কৃষকদের সংগঠিত করে আওয়ামী লীগের পতাকাতলে সামিল করেছিলেন। আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আনতে দলীয় কাজ করতে গিয়ে সেদিন শফি কামালকে জামায়াত-বিএনপির সন্ত্রাসীদের হাতে নির্মমভাবে জীবন দিতে হয়েছে। তাকে হত্যা করা হলেও তিনি আজও তার কর্মের মাধ্যমে আমাদের মাঝে বেঁচে আছেন। শহীদ শফি কামাল হত্যাকান্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পেতেই হবে। মঙ্গলবার বিকেলে শহীদ শফি কামালের ৭ম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলার খেদাপাড়া ইউনিয়নের গরীবপুর দাখিল মাদ্রাসার মাঠে অনুষ্ঠিত স্মরনসভায় স্মৃতিচারন করে এসময় প্রধান অতিথি বলেন, শফি কামাল উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিটি কর্মসূচীতে অংশগ্রহন ছিলো যা স্মরনে রাখার মতো। তাকে হারিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি মাষ্টার আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে ও শহীদ শফি কামালের কনিষ্ট পুত্র মামুন অর রশিদ জুয়েলের পরিচালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক প্রভাষক ফারুক হোসেন ও সাবেক ছাত্র নেতা তরুন আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাডভোকেট বশির আহম্মেদ খান। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান কাজী জলি আক্তার, উপজেলা কৃষক লীগের সম্পাদক আবুল ইসলাম, আওয়ামীলীগ নেতা তপন বিশ্বাস পবন, আব্দুল মোমিন সরদার, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহবায়ক সামছুর রহমান, যুগ্ন আহবায়ক আব্দুল আলিম জিন্নাহ, যুবলীগ নেতা রবিউল ইসলাম রবি, মিজানুর রহমান, পলাশ ঘোষ প্রমুখ। উল্লেখ্য ২০১৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর নৌকার পোষ্টার টানানোকালে দূর্বৃত্তদের হাতে নির্মমভাবে শাহাদাৎবরন করেন। এসময় পরিবারের পক্ষ থেকে শহীদ শফি কামালের নামে রাস্তা অথবা সেতুর নামকরনের দাবি করা হয়। প্রতিমন্ত্রী তাদের এ দাবি পূরণের আশ^স্ত করেন। প্রতিমন্ত্রী ভবদহ এলাকা পরিদর্শন # এর আগে সকালে প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য ভবদহসহ মণিরামপুরের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজের পরিদর্শন করেন। এ সময় পূর্বাঞ্চলের দুঃখ খ্যাত মরণ ফাঁদ ভবদহ এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে নেয়া সেচ প্রকল্পসহ বিভিন্ন কাজের অগ্রগতির সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রীর সফর সঙ্গী ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ জাকির হাসান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) পলাশ কুমার দেবনাথ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী তাওহিদুল ইসলাম, বিএডিসি যশোরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল রশিদ, ইউপি চেয়ারম্যান গাজী মোহাম্মাদ আলী, শেখর চন্দ্র রায়, মশিয়ূর রহমান, মণিরুজ্জামান মণি, গাজী মাযাহারুল আনোয়ার, সাবেক চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান, আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিন, কালিপদ মন্ডল, সিদ্দিকুর রহমান, কামরুজ্জামান কামরুল, ডাঃ আতিয়ার রহমান, চঞ্চল ভট্টাচার্য্য, হাফিজুর রহমান ও উপজেলা যুব মহিলা লীগের সম্পাদক তাসরিন সুলতানা শোভাসহ জলাবদ্ধ এলাকার বাসিন্দারাসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, ভবদহ আন্দোলন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

সম্প্রতি সংবাদ