ব্রেকিং নিউজ

নরসিংদী সদরে নারী দিবসে একজন সফল নারী নরসিংদী জেলা প্রশাসক।

editor ৮ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ সারাদেশ

সালেক আহামেদ পলাশ , নরসিংদী  প্রতিনিধি:– , ১১ মার্চ ২০২০ :

বিগত একশ বছরের অধিক সময়ে বিশ্বব্যাপী নারী আন্দোলন ব্যাপকতা লাভ করলেও বিশ্বের নারীসমাজের মতো বাংলাদেশের নারীরা আজও সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার। তবে নানা প্রতিকূলতার মাঝেও সাম্প্রতিককালে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নারীদের অভূতপূর্ব সাফল্য লক্ষ্য করা গেছে। এরই একটি উদাহরণ হচ্ছে-জেলার সর্বোচ্চ কর্তাব্যক্তি হিসেবে নারীর দায়িত্ব পালন। অত্যন্ত সুনামের সাথে নরসিংদী জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন। বলা বাহুল্য যে-জেলা পর্যায়ে ডিসি কেন্দ্রিয় সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন। ডিসি হিসেবে জেলার সাধারণ প্রশাসনিক কার্যক্রম,জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা,ভূমি ব্যবস্থাপনাসহ অন্যান্য বিষয়গুলো দেখে থাকেন। নরসিংদী জেলার প্রথম নারী জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন পাশাপাশি নরসিংদী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০১ সালে হবিগঞ্জ জেলায় সহকারী কমিশনার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার, ঢাকা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন কালেই নরসিংদীর ডিসি হিসেবে নিয়োগ পান সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন। নরসিংদীর ডিসি হিসেবে বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য ‘কর্মসংস্থান নরসিংদী’ নামে প্রকল্পের মাধ্যমে ৩১৯ জন বেকার যুবকের কর্মসংস্থান করেছেন তিনি। ২০১৮ সালে ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত হয়ে ‘জাতীয় শিক্ষা পদক ২০১৮’ এ ভূষিত হন। এছাড়া ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উদ্যোগ ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের ২০১১-২০১২ অর্থ বছরের কর্মকান্ড মূল্যায়নের প্রেক্ষিতে দেশের সেরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন বলেন, ‘আমার ধ্যান-জ্ঞান শুধু জেলার উন্নয়ন আর মানুষের সেবা করা। এখন পর্যন্ত নরসিংদীর সব শ্রেণি-পেশার মানুষ আমাকে সহযোগিতা করছেন। ’ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের সন্তান ফারহানার বাবা অ্যাডভোকেট সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও রাজনীতিক। ১৯৭০-এর নির্বাচনে তিনি বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে জাতীয় নির্বাচনে এমপি হিসেবে জয়ী হয়েছিলেন। তার স্বামী মো. সায়েদুর রহমান অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে কর্মরত আছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই)।

সম্প্রতি সংবাদ