•ইউএনও’র বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশনায় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সদস্য সচিবের প্রতিক্রিয়া

editor ৬ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ সারাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক:৩১ মার্চ-২০২১,বুধবার।

অসৎ উদ্দেশ্যে গুটি কয়েক অসাধু রিপোর্টার অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীকে কেন্দ্র করে দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব ইমরুল হাসান কে নিয়ে অসত্য খবর প্রকাশ করায় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সদস্য সচিব, রণাঙ্গনের সশস্ত্র যোদ্ধা বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন মতিউর রহমানের সুযোগ্য সন্তান, উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য  মুহাম্মদ শামছুর রহমান শাহিন। চারদলীয় জোট সরকারের আমলে শত প্রতিকূলতার মাঝেও রাজপথে থাকা তৃণমূল ছাত্রলীগের এই ত্যাগী নেতা এ জাতীয় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তিনি বলেন- আমাদের উপজেলা নির্বাহী অফিসার অত্যন্ত সাদা ও সরল মনের মানুষ। তিনি অত্যন্ত দক্ষ ও পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা। আমাদের এলাকায় আসার পর থেকে দৌলতপুর উপজেলায় দৃশ্যমান উন্নয়ন শুরু হয়েছে। তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সহিত মহান একুশে ফেব্রুয়ারি উৎযাপন থেকে শুরু করে মহান ৭ই মার্চ, জাতির পিতার জন্মদিন পালন, মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী, উন্নয়ন মেলা সহ তিন দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করেছেন যা সমগ্র দৌলতপুর উপজেলা বাসীকে মুগ্ধ করেছে। ইদানিং লক্ষ করছি- কিছু অদক্ষ ও অসাধু রিপোর্টারের ব্যাক্তি স্বার্থ খর্ব হওয়ায় প্রতিহিংসা বসত উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে নিয়ে মিথ্যাচার করছে এবং তাকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার হীন উদ্দেশ্যে অসত্য খবর প্রকাশ করেছে। দৌলতপুর উপজেলার সকল শ্রেনী পেশার মানুষ যেমন- বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সাধারণ জনগণ, রাজনীতিবিদ, শিক্ষক সমাজ, ব্যবসায়ী সমিতি সহ সকল শ্রেনী পেশার মানুষ এই ইউএনও ইমরুল হাসান কে কতটা পছন্দ করে আপনারা মাঠ জরিপ না করলে বুঝতে পারবেন না। তাছাড়া যতটুকু জানি- যে রিপোর্টার এই অসত্য নিউজ প্রকাশ করেছেন তিনি জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের সক্রিয় নেতা। শুধুমাত্র প্রতিহিংসা বসবর্তী হয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠান পরিচালনায় বাধাগ্রস্ত করার হীন উদ্দেশ্যে এই জঘন্য কাজটি করেছেন। তাছাড়া ইউএনও সাহেবের সাথে আমার কথা হয়েছে। উনার সাথে কোন প্রকার যোগাযোগ না করেই এই জাতীয় মিথ্যা খবর প্রকাশ করেছেন যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও তথ্য অধিকার আইনের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। আমি মনে করি দেশ ও জনগণের স্বার্থে, দেশের উন্নয়নের স্বার্থে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়নের রোল মডেল বাস্তবায়নের স্বার্থে, উপজেলা প্রশাসনকে ন্যায় সংগত কাজে সহায়তা করা উচিৎ। তিনি আরো বলেন- মানুষের চরিত্র হনন করা অত্যন্ত নোংরা কাজ, এই কাজ থেকে বিরত থাকা জরুরী। চাঁদার ব্যপারে কথা হলে তিনি বলেন- বাজার কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক সাহেবদের সাথে আমার কথা হয়েছে- অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি অনুষ্ঠান পরিচালনার অর্থ উপকমিটির সদস্য হওয়ার সুবাদে বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত, এখানে কোন প্রকার অনিয়ম হয়নি সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক ভাবে বিভিন্ন কমিটির মাধ্যমে অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়েছে। সকল প্রকার অর্থ লেনদেন শতভাগ নিয়মনীতি মেনে ভাউচার ও রেজুলেশন এর মধ্যমে পরিচালিত হয়েছে। তাছাড়া প্রেসক্লাবে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন- উপজেলা প্রেসক্লাবে কোন তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়নি। এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সম্পাদক আমাকে নিশ্চিত করেছেন। তবে পরবর্তীতে খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের অনুমতি ব্যতীত বাবু সাংবাদিক নামে একজন ব্যক্তি উপজেলা পরিষদের ভিতরে সরকারি একটি কক্ষে তার ব্যক্তিগত অফিস পরিচালনা করে আসছিলো। সরকারী কাজে প্রয়োজন হওয়ায় তাকে উক্ত সরকারি কক্ষটি ছেড়ে দিতে বললে তিনি ছেড়ে দিয়ে চলে যায় এবং পরবর্তীতে হিংসার বসবর্তী হয়ে উক্ত খবরটি প্রকাশ করেন। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের এই মেধাবী ও জনবান্ধব নেতা দৃঢ় কন্ঠে এই জাতীয় ঘৃণ্য কাজ পরিত্যাগ করার আহ্বান জানান, অন্যথায় এই জাতীয় কার্যকলাপ অব্যহত থাকলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী জনতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধার প্রজন্ম সহ সকল শ্রেনী পেশার মানুষকে সাথে নিয়ে রাজপথে নেমে এই জাতীয় অপকর্মের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ইউএনও সাহেবের উদ্দেশ্য কিছু বলতে বললে তিনি বলেন- ইউএনও সাহেবকে শুধু একটি কথাই বলবো- আমরা দৌলতপুর উপজেলাবাসী অত্যন্ত গর্বিত ও আনন্দিত উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে আপনার মত আধুনিক মনা একজন দক্ষ ও পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তাকে মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে পেয়ে। আপনার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা ও মানবীয় গুণাবলীর জন্য সকলের সার্বিক সহযোগিতায় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এতো উৎসবমুখর পরিবেশে উপজেলাবাসী পালন করতে পেরেছে। আপনার বিচক্ষণতা ও কর্মদক্ষতার ফলে এতো অল্প সময়ের মধ্যে অবহেলিত দৌলতপুর উপজেলাকে উন্নয়নের ছোঁয়া দিয়ে সর্বসাধারণের অন্তর জয়ে সক্ষম হয়েছেন। দৌলতপুর উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের পক্ষ হতে আপনার প্রতি অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। যেকোনো ভালো কাজে একশ্রেণীর অসাধু মানুষের গায়ে জ্বালা ধরবে আর প্রতিহিংসা বসত আপনার পিছনে লেগে আপনাকে বিতর্কিত করার মিথ্যা চেষ্টায় লিপ্ত থাকবে এটাই স্বাভাবিক। আপনি আপনার স্বাভাবিক নিয়মে স্বদেশের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রেখে দেশ ও জনগণের স্বার্থে কাজ করার যে ব্রত নিয়ে কর্ম জীবন শুরু করেছেন তা অব্যহত রাখুন- আমরা সাধারণ মানুষ- যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী তারা ছায়ার মতো আপনার পাশে আছি এবং থাকবো ইনশাআল্লাহ। আপনার উদ্দেশ্য যদি সৎ থাকে, কোন ষড়যন্ত্র আপনার বিন্দুমাত্র ক্ষতি করতে পারবে না। যেকোন পরিস্থিতিতে- সকল প্রকার অপশক্তি মোকাবেলা করতে আমরা দেশপ্রেমিক সাধারণ মানুষ আপনার পাশে আছি এবং থাকবো।

সম্প্রতি সংবাদ