Logo
ব্রেকিং :
বঙ্গবন্ধু কাপ টেনিস টুর্নামেন্ট-২০২৩ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত      পাবিপ্রবির ১৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলে জ্বীনের বাদশা ও তার সহযোগী গ্রেফতার নগরকান্দায় শশা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের  বার্ষিক ক্রীড়া  প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ অফিস বার্ষিক পরিদর্শনে রেঞ্জ ডিআইজি আদমদীঘিতে ইউএনও’র কম্বল পেলেন প্রতিবন্ধী জোৎস্না বাগেরহাটে মোরেলগঞ্জে চেতনানাশক খাবারে শিশুসহ ৪ জন হাসাপাতালে লোহাগড়ায় মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ যুবকের লাশ উদ্ধার গোয়ালন্দে মাঠ  দিবস পালিত নাগরপুরে সরকারের উন্নয়নের ধারা প্রচারে ব্যস্ত আওয়ামীলীগ নেতা হিমু
নোটিসঃ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয়

আফরোজা আব্বাসের অবৈধ সম্পদ জব্দ করলো দুদক

রিপোর্টার / ৫৮ বার
আপডেট মঙ্গলবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০১৯

কালের কাগজ ডেস্ক :২৯ জানুয়ারী,মঙ্গলবার ।
বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাসের ব্যাংক হিসাব ও দুই প্রতিষ্ঠানের এক লাখ ৩৯ হাজার ২৫৫টি শেয়ার জব্দ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য।

দুদকের করা মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আফরোজা আব্বাসের নামে যে সম্পদের বর্ণনা পাওয়া গেছে তা আসলে তার স্বামী মির্জা আব্বাসের সহায়তায় ‘অবৈধ উৎস থেকে অর্জিত’ সম্পদ। জানা গেছে, আফরোজা আব্বাসের ওইসব বিও হিসাব, সঞ্চয়ী হিসাব ও শেয়ারের সম্পত্তি হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত হওয়ার চেষ্টা করছেন, এ কারণেই আদালতের নির্দেশে এসব সম্পত্তি অবরুদ্ধ করা হয়েছে।’

মামলার বাদী ও তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন জানান, আফরোজা আব্বাসের নামে ঢাকা ব্যাংকে একটি সঞ্চয়ী হিসাবে সাত লাখ টাকা এবং একই ব্যাংকে বিও হিসাবের ৩৯ হাজার ২৫৫টি শেয়ার ও তার নামে ঢাকা টেলিফোন কোম্পানিতে থাকা এক লাখ শেয়ার জব্দ করা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানের বরাত দিয়ে এজাহারে বলা হয়, আফরোজার নামে ২০ কোটি ৭৬ লাখ ৯২ হাজার ৩৬৩ টাকার ‘অবৈধ’ সম্পদ পাওয়া গেছে। আয়কর নথিতে তিনি নিজেকে একজন হস্তশিল্প ব্যবসায়ী বললেও পাসপোর্টের তথ্যে বলা হয়েছে, তিনি একজন গৃহিনী, নিজের আয়ের কোন বৈধ উৎস তার নেই।

আফরোজা আব্বাস তার ‘অবৈধভাবে অর্জিত’ সম্পদ হস্তান্তর, রূপান্তর ও অবস্থান গোপন করে ‘অসৎ উদ্দেশ্যে’ দালিলিক প্রমাণবিহীন ‘ভুয়া’ ঋণ হিসেবে দেখিয়েছেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়েছে, ১৯৯১ সালের আগে মির্জা আব্বাসের ‘উল্লেখযোগ্য কোন আয় ছিল না’। ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী হওয়ার সুবাদে ‘ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে’ তিনি এই টাকার মালিক হন।

এসব অভিযোগে দুদক আইনের ২৭(১) ধারা, দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ১৩ ধারায় আব্বাস দম্পতির বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়।

কালের কাগজ/প্রতিবেদক/জা.উ.ভি


এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com