Logo
ব্রেকিং :
হস্ত ও কুটির শিল্পকে বিশ্ব বাজারে পৌছে দেয়া হবে—– বানিজ্য প্রতিমন্ত্রী দৌলতপুরে উপজেলা প্রশাসনের বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ উদযাপন নগরকান্দা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ উদযাপন দৌলতপুরে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সাথে সাবেক সাংসদ দূর্জয়ের শুভেচ্ছা বিনিময় নাগরপুরে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঈদ উপহার পৌঁছে দিয়েছেন তারানা হালিম এমপি রাণীশংকৈলে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু মির্জাপুরে ফিল্মি স্টাইলে অপহরণকারী আটক রাজবাড়ীতে ‘হার পাওয়ার’ প্রকল্পের আওতায় নারীদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ করেন—–রেলপথ মন্ত্রী মোঃ জিল্লুল হাকিম নাগরপুরে একতা সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সংস্থার বস্ত্র বিতর  নাগরপুরে শিল্প উদ্যোক্তা কোমলের উদ্যোগে মুসল্লিদের ঈদ উপহার প্রদান
নোটিসঃ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয়

গোয়ালন্দে পায়াকট বাংলাদেশের  সেফ হোমে ইউএনও’র মানবিক সাহায্য প্রদান

রিপোর্টার / ৪৯ বার
আপডেট শুক্রবার, ১ মার্চ, ২০২৪

আবুল হোসেন রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি :০১ মার্চ-২০২৪,শুক্রবার।
”মানুষ মনুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য” এ কথাকে ধারন করে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া পায়াকট বাংলাদেশের সেফ হোমের শিশুদের জন্য মানবিক সাহায্য প্রদান করেছেন গোয়ালন্দের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র।
সাহায্যের মধ্যে ছিল ১০০ কেজি চাল,  দুই কেজি ডাল, দুই কেজি চিনি, দুই কেজি লবন, দুই লিটার সয়াবিন তেল, মরিচ গুড়া, ধুনিয়া গুড়া, হলুদ গুড়া প্রভৃতি। এছাড়া কয়েকদিন আগে তিনি হোমের শিশুদের জন্য জব্দ করা পাঁচ কেজি জাটকা ইলিশ মাছ প্রদান করেন।
শুক্রবার বেলা ১২ টার দিকে ইউএনও সেফ হোমে গিয়ে মানবিক সাহায্যগুলো পৌছে দেন। এ সময় হোমের শিশুরা তাকে অভ্যার্থনা জনান। তিনি শিশুদের সাথে কিছু সময় থাকেন এবং তাদের সার্বিক বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন। এ সময় তিনি দেশের যোগ্য নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার জন্য শিশুদেরকে উৎসাহ প্রদান করেন।
এ সময় উপস্থিতি ছিলেন গোয়ালন্দ প্রেসক্লাবের সভাপতি মুহাম্মাদ আবুল হোসেন,  সাধারণ সম্পাদক শামীম শেখ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শামীম, সাংবাদিক মইনুল হক মৃধা, পায়াকট বাংলাদেশের ম্যানেজার মজিবুর রহমান খান জুয়েল, প্রোগ্রাম অফিসার ( শিক্ষা)  শেখ রাজীব প্রমুখ।
পায়াকট বাংলাদেশের ম্যানেজার মজিবুর রহমান খান জুয়েল বলেন, পাশ্ববর্তী দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর অসহায় শিশুরা তাদের সেফহোমে থাকে। একটা সময় এখানে শতাধিক শিশু থাকত। তাদের অনেকে এখানে থেকে বড় হয়ে আজ সুপ্রতিষ্ঠিত। অনেক মেয়ের বাইরের সামাজিক পরিবেশে বিয়ে হয়েছে।তারা এখন সুখের সংসার করছে। এই হোমই তাদের বাবার বাড়ি। সন্তানদের নিয়ে তারা মাঝেমধ্যে এখানে বেড়াতে আসে। কিন্তু বিগত কয়েক বছর যাবৎ হোমে সরকারী এবং দাতা সংস্থার সব ধরনের সহযোগীতা বন্ধ রয়েছে। যে কারনে একানে শিশুর সংখ্যা কমতে কমতে বর্তমানে মাত্র ১০ জন শিশু রয়েছে। পায়াক্ট এর চেয়ারম্যান নিজস্ব অর্থায়নে তাদের পরিচালনা করছেন। আজকে ইউএনও স্যারের সহানুভূতি আমাদেরকে উজ্জীবিত করেছে। তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।
ইউএনও জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন, দেশের প্রতিটি শিশুরই সমান নাগরিক সুবিধা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। হোমের কিংবা পরিবারের শিশু বলে কোন শিশুকে পার্থ্যক্য করা উচিত নয়। আজকে এই সকল শিশুর মাঝে এসে আমার ভাল লেগেছে।তাদের জন্য কষ্টও লেগেছে। আমি আমার জায়গা হতে সর্বদা এ সকল শিশুদের পাশে থাকার চেষ্টা করব।


এ জাতীয় আরো খবর
Tech Support By Nagorikit.Com