Logo
ব্রেকিং :
বঙ্গবন্ধু শুরুর সময়, একটি ডলারও ছিল না- মানিকগঞ্জে গৃহায়ন মন্ত্রী রাণীশংকৈলে প্রাণীসম্পদ প্রদর্শনীর উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভা  নবাবগঞ্জে প্রাণী সম্পদ প্রদর্শনী-২০২৪ উদ্বোধনী /সমাপনী অনুষ্ঠান সমাজসেবার বিশেষ অবদানে সম্মাননা স্মারক পেলেন দৌলতদিয়ার ইউপি চেয়ারম্যান রহমান মন্ডল ভিক্ষা ছেড়ে  বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিশেষ চাহিদা সম্পর্ণ রতনদের পাশে প্রশাসন। টাঙ্গাইল শহরে থমথমে অবস্থা ॥ ককটেল বিস্ফোরণ আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি সমাবেশ পুলিশি বাঁধায় পন্ড  দৌলতপুরে প্রাণি সম্পদ প্রদর্শণী নাগরপুরে প্রাণীসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী  অনুষ্ঠিত  ঘুমন্ত স্বামীর গোপণাঙ্গ কেটে সন্তান রেখেই পালালেন স্ত্রী ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
নোটিসঃ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয়

গোয়ালন্দে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদকের অফিসে হামলা প্রধানমন্ত্রীর ছবি ও অফিস ভাঙচুরের অভিযোগে থানায় মামলা

রিপোর্টার / ৮২ বার
আপডেট বুধবার, ১৩ জুলাই, ২০২২

আবুল হোসেন,গোয়ালন্দ(রাজবাড়ী) প্রতিনিধি :১৩ জুলাই-২০২২,বুধবার।
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ঈদের শুভেচ্ছা ফেস্টুন লাগানো নিয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবির হোসেন হৃদয় ও পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি রাতুল আহমেদ গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
এ ঘটনার জের ধরে পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি রাতুল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আকাশ সাহা সহ ৭জনের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাংচুর, সহ অফিসের চেয়ার, টেবিল ভাংচুর,নগদ টাকা নিয়ে যাওয়া ও মারধোরের অভিযোগএনে থানায় মামলা দায়ের করেছেন  উপজেলা  ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের আবির হোসেন হৃদয়
এছাড়া বুধবার মামলার বাদীও উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবির হোসেন রিদয় উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন ও বিবাদী পক্ষ পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি  গোয়ালন্দ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মহাসড়কে মানববন্ধন কর্মসূচি আহবান করে।এতে উত্তেজনা আরো বেড়ে যায়। তবে উপজেলা আওয়ামীলীগের হস্তক্ষেপে উভয় গ্রুপ তাদের কর্মসূচি হতে সরে এসেছে। উপজেলা  আওয়ামী লীগ আগামী ৩ দিনের মধ্যে ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিয়েছে।
১৩ জুলাই বুধবার গোয়ালন্দ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবির হোসেন রিদয় তার অফিসের চেয়ার, টেবিল সহ ভাংচুরকৃত মালামাল  সাংবাদিকদের দেখিয়ে বলেন, গত ৯ জুলাই রাত ৯টার দিকে ফেস্টুন লাগানোকে কেন্দ্র করে গোয়ালন্দ পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ রাতুল আহম্মেদের নেতৃত্বে সাধারণ সম্পাদক আকাশ কুমার সাহা, সরো মন্ডল, মৃদুল, রবিন, রুমন, কাব্য রাহা  সহ অজ্ঞাতনামা ১২-১৩জন গোয়ালন্দ বাজারের হৃদয় সুপার মার্কেটের ২য় তলায় আমার অফিসে হামলা করে। এদের মধ্যে কাব্য রাহা সহ আরো কয়েক জনের  নামে হত্যা মামলা সহ  একাধিক মামলা রয়েছে। আমাকে লক্ষ্য করে পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি রাতুল কলমদানী ছুড়ে মারলে সেটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাঁধাই করা ছবিতে লেগে ভেঙ্গে যায়। এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানহানী ঘটে। এ সময় সুমন নামের একজন তাদের বাঁধা দিলে তাকেও মারধোর করা হয়। তারা আমার অফিসের টেবিলের কাঁচের গ্লাস ও অন্যান্য মালামাল ভাংচুর করে ৩৫ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করাসহ ড্রয়ারে থাকা কর্মীদের ঈদ উপহার হিসেবে দেয়ার জন্য রাখা ৭০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা হুমকি দিয়ে চলে যায়। এ ব্যাপারে গত ১০ জুলাই গোয়ালন্দ ঘাট থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযুক্ত গোয়ালন্দ পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ রাতুল আহম্মেদ বলেন, পৌর মেয়রের বাসার সামনে আমার পক্ষ হতে আগে থেকেই ঈদের শুভেচ্ছা ফেস্টুন লাগানো ছিল। সেটা সরিয়ে হৃদয়ের একটি ফেস্টুন লাগানো হয়। এ বিষয়ে হৃদয়কে আমি ফোন করলেও রিসিভ করেনি।যে কারনে তার অফিসের সামনে গিয়ে কথা বলি এবং সেখানে কিছুটা তর্কাতর্কির সৃষ্টি হয়। তবে অফিসে কোনরুপ হামলা,  ভাংচুর বা লুটপাটের ঘটনা ঘটেনি। আমার ও আমার নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাটি মিথ্যা ও সাজানো। ওরা নিজেরাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবির অবমাননা করে এ নিয়ে নোংরা খেলা খেলছে। হৃদয়ের বসার চেয়ার হতে প্রধানমন্ত্রীর ছবি অনেক উপরে স্হাপিত ছিল। তাকে কেউ কিছু ছুড়ে মারলে তা কখনোই অত উপরের ছবিতে গিয়ে লাগবে না। আমি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবি করছি।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্বপন কুমার মজুমদার বলেন, প্রাথমিক ভাবে তদন্তে  অফিস ভাংচুরের ঘটনা সত্যতা পাওয়া গিয়েছে। থানায় মামলা হয়েছে। মামলার সব আসামী মঙ্গলবার আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন। এ ঘটনায় অধিকতর তদন্ত চলছে।
গোয়ালন্দ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ মোস্তফা মুন্সি বলেন, ছাত্রলীগের মধ্যে ভূল বোঝাবুঝি থেকে উদ্ভুত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে এটা সাময়িক সমস্যা বলে মনে করি। তারা সবাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক। এ বিষয়ে আমরা সিনিয়র নেতৃবৃন্দদের নিয়ে বসেছিলাম। একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির রিপোর্টের আলোকে পরবর্তীতে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।


এ জাতীয় আরো খবর
Tech Support By Nagorikit.Com