Logo
ব্রেকিং :
ছায়াপথ সাহিত্য পরিষদের  প্রথম সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত  নাগরপুর মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন;সভাপতি ফজলুর রহমান , সাধারণ সম্পাদক মো.আব্দুল রউফ দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে ৬১অবৈধ করাতকল  গোয়ালন্দে শেখ কামাল আন্তঃস্কুল ও মাদ্রাসা অ্যাথলেকিস প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নগরকান্দায় পুলিশের অভিযানে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার,পুলিশের সংবাদ সম্মেলন ঈশ্বরগঞ্জে বাসাবাড়ি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন দাম বাড়েনি মনোহরদীর মানুষ বিক্রির বাজারে শিক্ষা ব্যবস্থাকে উন্নত করতে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে – শিক্ষা মন্ত্রী ড. দীপু মনি ভোলায় অবৈধ অটোরিক্সায় চাপায় এক পথশিশুর মৃত্যু কেন্দুয়ায় শীতার্থদের মাঝে রিপোর্টার্স ক্লাবের কম্বল বিতরণ
নোটিসঃ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয়

চৈত্র সংক্রান্তি: বাঙালি সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ

রিপোর্টার / ২৬ বার
আপডেট শনিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১৯

কালের কাগজ ডেস্ক:: ১৩ এপ্রিল ২০১৯,শনিবার।

বিদায় নিচ্ছে আরও একটি বাংলা বছর। আজ ১৪২৫ বঙ্গাব্দের শেষ দিন ৩০ চৈত্র। আজ চৈত্র সংক্রান্তি। বছর ঘুরে আবারো নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার অপেক্ষায় বাঙালি জাতি। আর এই নতুন আর পুরাতনের মাঝে যেনো সেতুবন্ধন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে চৈত্র সংক্রান্তি। বিগত বছরের চাওয়া, না পাওয়ার সব গ্লানি ভুলে নানা আয়োজনে বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণের আনন্দে আজ মেতে উঠবে বাঙালি। জীর্ণ পুরাতন আর সব গ্লানিকে ‘ধুয়ে-মুছে যাক গ্লানি’- এই মঙ্গল কামনায় বাঙালি আজ বিদায় জানাবে বাংলা ১৪২৫ সালকে।
চৈত্র মাসের শেষ দিনটি যেমন মাসের শেষ দিন তেমনি বাংলা বছরেরও শেষ দিন। সাধারণভাবে বাংলা মাসের শেষ দিনটিকে বলা হয় সংক্রান্তি। সেজন্য বাংলা বর্ষ শেষের এই দিনটি চৈত্র সংক্রান্তি নামে পরিচিত। চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে বাংলাদেশে প্রাচীনকাল থেকে চলে আসছে নানা অনুষ্ঠান-পূজা-পার্বণ-মেলা। এটি একটি লোকজ উৎসব।
চৈত্র সংক্রান্তি উত্সব বাংলাদেশের মানুষের নিজস্ব ধর্মীয় ও সমাজবদ্ধ আচার-অনুষ্ঠান। এদেশের বাঙালি জনগোষ্ঠী চৈত্রের শেষ দিনটিতে বেশকিছু লোকাচারমূলক অনুষ্ঠান পালন করে। যেমন গাজন, নীল পূজা বা চড়ক পূজা, চৈত্র সংক্রান্তির মেলা। প্রায় একই ধরনের আচার পালন করতে দেখা যায় আমাদের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মধ্যেও। তারা এই সময়ে পালন করে বর্ষবিদায়-বর্ষবরণ অনুষ্ঠান বৈসাবি।
চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে বাংলার পথে প্রান্তরে বসেছে রঙ বেরঙের মেলা। এই সময় বাংলার নানা জনপদে কয়েকশ মেলার আয়োজন হয়ে থাকে। মেলা, গান, বাজনা ও যাত্রাপালাসহ নানা আয়োজনে উঠে আসে লোকজ সংস্কৃতির নানা সম্ভার। জানা যায়, অতীতে চৈত্র সংক্রান্তি মেলা উপলক্ষে গ্রামাঞ্চলের গৃহস্থরা নাতি-নাতনিসহ মেয়ে জামাইকে সমাদর করে বাড়ি নিয়ে আসত। গৃহস্থরা সবাইকে নতুন জামা-কাপড় দিত এবং উন্নত মানের খাওয়া-দাওয়ারও আয়োজন করত। মেলায় আনন্দ উপভোগ করত। বর্তমানে শহুরে সভ্যতার বিস্তৃতির কারণে আবহমান গ্রাম বাংলার সেই আনন্দমুখর পরিবেশে কিছুটা ভাটা পড়েছে। তবে এখন শহর ও তার আশপাশের এলাকায় নগর সংস্কৃতির আমেজে চৈত্র সংক্রান্তির উৎসব হয় ও মেলা বসে, যা এক সর্বজনীন মিলনমেলার রূপ নিয়েছে।
মঙ্গল প্রত্যাশা আর পুরাতনকে পেছনে ফেলে নতুন উদ্যমে, নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে বিগত বছরকে বিদায় জানানো হয় চৈত্র সংক্রান্তিতে। চৈত্র সংক্রান্তি অসাম্প্রদায়িক বাঙালির কাছে এক বৃহত্তর লোক উত্সবে পরিণত হয়েছে। ফলে এখন আর চৈত্র সংক্রান্তি কোনো একক সম্প্রদায়ের অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। চৈত্র সংক্রান্তি হয়ে উঠেছে অসাম্প্রদায়িক বাঙালি লোক উত্সব।


এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com