Logo
ব্রেকিং :
বিপিএলের ট্রফি গেল বরিশালে শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী বেইলি রোডের আগুনে মৃত ৩৮ জনের পরিচয় শনাক্ত, হস্তান্তর ২৯ বেইলি রোডের আগুনে ৪৬ জনের মৃত্যু : আশঙ্কাজনক ১৯ ঘিওরে রাতের আঁধারে বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে ফেললো দুর্বৃত্তরা রাণীশংকৈলে জাতীয় বীমা দিবস পালন উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা  নগরকান্দায় কুকুরের কামড়কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ আহত -১০ বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হমলা লুটপাট গোয়ালন্দে দীর্ঘ দিন পর  শিল্পকলা একাডেমির কার্যক্রম শুরু, চলছে শিক্ষার্থী ভর্তি গোয়ালন্দে পায়াকট বাংলাদেশের  সেফ হোমে ইউএনও’র মানবিক সাহায্য প্রদান নেত্রকোনায় দি হলি চাইল্ড কিন্ডার গার্টেনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
নোটিসঃ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয়

চৌহালী’র ১০ গ্রামের মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা, বাঁশের সাঁকো

রিপোর্টার / ৭৪ বার
আপডেট শুক্রবার, ২৭ মে, ২০২২

মাহমুদুল হাসান, চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ২৭ মে-২০২২,শুক্রবার।
সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার খাষকাউলিয়া কে আর পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় সহ ১০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৮ হাজার শিক্ষার্থীরসহ ৩০ হাজার মানুষের  প্রতিদিন পারাপারে একমাত্র ভরসা কে আর পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন  মরা খালের উপর নির্মিত ১৫০ ফুট দৈর্ঘ্যের নরবরে বাঁশের সাঁকো। বাশের সাকোটি  ঝুঁকি পূর্ণ ও  মরণ ফাঁদ। জনবহুল রাস্তার সাকোর জায়গায়  এখনো স্থান করে নিতে পারেনি পাইলিং ব্রীজ।
চৌহালী উপজেলার কোদালিয়া থেকে নাগরপুর উপজেলার খাষশাহজানী হাট পর্যন্ত এটি একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক। এই রাস্তায় নির্মিত বাশের সাঁকো দিয়ে খাষকাউলিয়া, চর জাজুরিয়া, ভুমুরিয়া, মারমা ও খাষশাহজানিসহ প্রায় ১০ টি গ্রামের- স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা পডুয়া প্রায় ৮ হাজার শিক্ষার্থী সহ প্রায় ৩০ হাজার মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করে।
এ সড়কের দু-পাশের  প্রতিষ্ঠান গুলো হচ্ছে খাষকাউলিয়া কে আর পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, খাষকাউলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরজাজুরিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,খাষধলাই আর আর কে দাখিল মাদ্রাসা,  আনোয়ারা নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা  বিদ্যালয়, খাষকাউলিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, সিদ্দিকিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, এস বি এম কলেজ, চৌহালী সরকারি কলেজ, মহিলা ফাজিল মাদ্রাসা, মুরাদপুর সপ্রাবি, পশ্চিম খাষকাউলিয়া সপ্রাবি, রেহাই কাউলিয়া সপ্রাবি, শেখচাদ পাড়া সপ্রাবি, খাষকাউলিয়া মাষ্টার পাড়া সপ্রাবি, খাষকাউলিয়া উত্তর পাড়া সপ্রাবি, হারকাটি পাড়া সপ্রাবি ও খাষকাউলিয়া সদর মডেল সপ্রাবিসহ উপজেলা পরিষদ এর কর্মকর্ত কর্মচারি বৃদ্ধ।
খাষকাউলিয়া কে আর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মোঃ মিরাজুল ইসলাম ও ৯ম শ্রেণির শ্রেণীর শিক্ষার্থী নাজমুল হোসেন বলেন, প্রতিষ্ঠানের পাশে নরবরে বাঁশের সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। আমরা ভয়ে থাকি কখন যেনো পড়ে গিয়ে জীবনটাই চলে যায়।
খাষকাউলিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাতেমা খাতুন বলেন, এই জায়গায় স্থায়ী সমাধান চাই৷ স্কুল শিক্ষক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এখানে একটি পাকা ব্রীজ ছিলো বর্ষায় ভেঙ্গে যাওয়ার পর প্রথম দুই বছর এলাকার কিছু যুবক গ্রাম থেকে বাঁশ ও টাকা তুলে একটি বাঁশের সাঁকো দেয়৷ পরে দুই বছর সরকারি টাকায় মেরামত করা হয়৷ ব্যস্ততম একমাত্র রাস্তা হওয়ায় প্রত্যেক দিন হাজার হাজার মানুষ, রিকসা-ভ্যান ও মটরসাইকেল যাতায়াত করে, যার ফলে সাঁকোটি প্রত্যেক বছর ভেঙ্গে যায়। এখানে স্থায়ী কাজ করা দরকার।
কলেজ শিক্ষক  মোঃ নওজেশ আলী বলেন,  গ্রামবাসির টাকায় ও সেচ্ছাশ্রমের বিনিময়ে প্রায় দের লক্ষ টাকা ব্যয়ে এ সাঁকোটি তৈরি করা হয়। তারপর থেকে সরকারিভাবে সাঁকোটি সংস্করণ করা হয়। তারপরও সাঁকোটির নির্মাণ দির্ঘ্য দিনের হওয়ায় এটি এখন নড়বড়ে হয়ে ঝুকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এখানে একটি ব্রিজ ছিল তা ২০১৭ সালে বর্ষায় ভেঙ্গে যায় এবং সারা বছর পানি থাকে, তাই সব সময় সাঁকোই চলাচলের একমাত্র ভরসা। বর্ষা মৌসুমে এই ঝুকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াতে সময় অনেক স্কুলগামি কোমলমতি শিক্ষার্থী পানিতে পরে দুর্ঘটনা ঘটে।
রাস্তার ওপর স্থায়ী পাঁকা ব্রীজ না থাকায় কৃষি পণ্য বাজারজাত করণেও ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হয় বলে অনেকেই জানান।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ আফসানা ইয়াসমিন বলেন- এডিবির অর্থায়নে এ বাশের সেতু করা হয়েছে এবং সরকারি টাকায় মেরামত করা হয়। আর স্থায়ী সমাধানের জন্য এলজিইডি’র মাধ্যমে ব্রিজ নির্মানের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।


এ জাতীয় আরো খবর
Tech Support By Nagorikit.Com