Logo
ব্রেকিং :
বঙ্গবন্ধু শুরুর সময়, একটি ডলারও ছিল না- মানিকগঞ্জে গৃহায়ন মন্ত্রী রাণীশংকৈলে প্রাণীসম্পদ প্রদর্শনীর উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভা  নবাবগঞ্জে প্রাণী সম্পদ প্রদর্শনী-২০২৪ উদ্বোধনী /সমাপনী অনুষ্ঠান সমাজসেবার বিশেষ অবদানে সম্মাননা স্মারক পেলেন দৌলতদিয়ার ইউপি চেয়ারম্যান রহমান মন্ডল ভিক্ষা ছেড়ে  বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিশেষ চাহিদা সম্পর্ণ রতনদের পাশে প্রশাসন। টাঙ্গাইল শহরে থমথমে অবস্থা ॥ ককটেল বিস্ফোরণ আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি সমাবেশ পুলিশি বাঁধায় পন্ড  দৌলতপুরে প্রাণি সম্পদ প্রদর্শণী নাগরপুরে প্রাণীসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী  অনুষ্ঠিত  ঘুমন্ত স্বামীর গোপণাঙ্গ কেটে সন্তান রেখেই পালালেন স্ত্রী ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
নোটিসঃ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয়

টাঙ্গাইলে আ.লীগ নেতা ফারুক হত্যা মামলার আরেক আসামির কারাগারে মৃত্যু

রিপোর্টার / ৫৪ বার
আপডেট শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২২

মুক্তার হাসান,টাঙ্গাইল প্রতিনিধি::১০ সেপ্টেম্বর-২০২২,শনিবার।

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আরও এক আসামির কারাগারে মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাত নয়টার দিকে মারা যান তিনি। সমীর (৪২) নামের ওই আসামি জেলা শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি ২০১৫ সালের ১২ নভেম্বর থেকে টাঙ্গাইল কারাগারে ছিলেন। টাঙ্গাইলের জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ্ আল মামুন জানান, গতকাল রাত পৌনে নয়টার দিকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন সমীর। পরে কারা চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি হৃদরোগ সমস্যায় আগে একাধিকবার চিকিৎসা নিয়েছেন। আজ শনিবার সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে লাশ তাঁর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এর আগে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর ফারুক আহমদ হত্যা মামলার আসামি আনিসুল ইসলাম ওরফে রাজা (৪২) কারা হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যান। আনিসুল টাঙ্গাইল শহরের কলেজপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। ওই হত্যা মামলায় আনিসুল গ্রেপ্তার হন ২০১৪ সালের ১৪ আগস্ট। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি বাসার কাছ থেকে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। হত্যাকাÐে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্টে আনিসুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলী নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। আদালতে দেওয়া ওই দুজনের স্বীকারোক্তিতে এ হত্যার সঙ্গে তৎকালীন ঘাটাইল-৩ আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা, তাঁর তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। এরপর তাঁরা আত্মগোপনে চলে যান। ২০১৬ সালে ফেব্রæয়ারিতে গোয়েন্দা পুলিশ এই চার ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। এরপর আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। তিন বছরের বেশি সময় হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্ত হন। তাঁদের অপর দুই ভাই জাহিদুর ও সানিয়াত এখনো পলাতক।


এ জাতীয় আরো খবর
Tech Support By Nagorikit.Com