Logo
ব্রেকিং :
নাগরপুরে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ঈদ উপহার পৌঁছে দিয়েছেন তারানা হালিম এমপি রাণীশংকৈলে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু মির্জাপুরে ফিল্মি স্টাইলে অপহরণকারী আটক রাজবাড়ীতে ‘হার পাওয়ার’ প্রকল্পের আওতায় নারীদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ করেন—–রেলপথ মন্ত্রী মোঃ জিল্লুল হাকিম নাগরপুরে একতা সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সংস্থার বস্ত্র বিতর  নাগরপুরে শিল্প উদ্যোক্তা কোমলের উদ্যোগে মুসল্লিদের ঈদ উপহার প্রদান চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেক \ তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস টাঙ্গাইলে মাত্রারিক্ত লোডশেডিংয়ে জনজীবনে নাভিশ্বাস দৌলতদিয়ায় ১৫’শ সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে উত্তোরণ ফাউন্ডেশনের ঈদ উপহার বিতরন।  ২৪ ঘণ্টায় দুই কোটি ৩৫ লাখ ৪৯ হাজার ৮০০ টাকা টোল আদায় বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে একমুখী যান চলাচল কার্যকর দৌলতপুরে আওয়ামীলীগের দোয়া ও ইফতার মাহফিল
নোটিসঃ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয়

তাড়াশে কৃষকের নায্যমূল্যে সার নিশ্চিত করতে মাঠে কৃষিবিদ লুনা 

রিপোর্টার / ৮৬ বার
আপডেট বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২

সাব্বির মির্জা  সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :০৮ সেপ্টেম্বর-২০২২,বৃহস্পতিবার।
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে ডিলারদের বরাদ্দকৃত রাসায়নিক সার উত্তোলন ও সঠিক দামে বিক্রি ব্যবস্থা কঠোরভাবে তদারকি করা হচ্ছে। চলতি রোপা আমন মৌসুমে যেন কোনভাবেই সারের কৃত্রিম সংকট ও কৃষকের কাছ থেকে অতিরিক্ত মুনাফা নিতে না পারে সে বিষয়ে সজাগ রয়েছেন কৃষি বিভাগ।
তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় বিসিআইসির ১২ জন এবং বিএডিসির ১৭ জন রাসায়নিক সার ডিলার রয়েছেন। সেসঙ্গে এ উপজেলায় মোট ৭২ জন খুচরা সার বিক্রেতা নিয়মিত সার বিক্রি করে আসছেন। চলতি সেপ্টেম্বর মাসে রাসায়নিক সার বরাদ্দের পরিমাণ ইউরিয়া ৫৮৯ মেট্রিক টন, টিএসপি ৯০ মেট্রিক টন, ডিএপি ২১৪ মেট্রিক টন ও এমওপি ১১৯ মেট্রিক টন সার বরাদ্দ পাওয়া গেছে।
প্রতি কেজি সারের বিক্রি দাম ইউরিয়া ২২ টাকা, টিএসপি ২২ টাকা, ডিএপি ১৬ টাকা ও এমওপি ১৫ টাকা করে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। আর এ বরাদ্দকৃত সার যেন কৃষকেরা সঠিক মূল্যে কোন প্রকার বিড়ম্বনা ছাড়াই পায় সে জন্য প্রতিটা ডিলারের ঘরে সার্বক্ষণিক তদারকি করে চলছে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা।
আর উপজেলা কৃষি অফিসার লুৎফুন্নাহার লুনার নেতৃত্বে অতিরিক্ত কৃষি অফিসার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন ও কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো. আব্দুল মমিন কঠোরভাবে মনিটরিং করছেন। কোথাও কোন প্রকার অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেটের মধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণও করা হচ্ছে। কৃষি বিভাগের এমন তদারকিতে অনেকটা খুশি এ এলাকার কৃষকেরা।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লুৎফুন্নাহার লুনা বলেন, তাড়াশ উপজেলায় সব ধরণের রাসায়নিক সারের পর্যাপ্ত পরিমাণ মজুদ আছে। কোনো প্রকার সংকট নেই। ডিলারদের বরাদ্দকৃত সার সঠিক পরিমাণ উত্তোলন এবং বিক্রি ব্যবস্থা আমরা নিয়মিত মনিটরিং করছি। এছাড়া কৃষকদের কাছে সার বিক্রি করে রশিদ দেয়া নিশ্চিত করা হয়েছে। সরকারি দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করা হলে সংশ্লিষ্ট বিক্রেতার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।


এ জাতীয় আরো খবর
Tech Support By Nagorikit.Com