Logo
ব্রেকিং :
বিপিএলের ট্রফি গেল বরিশালে শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী বেইলি রোডের আগুনে মৃত ৩৮ জনের পরিচয় শনাক্ত, হস্তান্তর ২৯ বেইলি রোডের আগুনে ৪৬ জনের মৃত্যু : আশঙ্কাজনক ১৯ ঘিওরে রাতের আঁধারে বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে ফেললো দুর্বৃত্তরা রাণীশংকৈলে জাতীয় বীমা দিবস পালন উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা  নগরকান্দায় কুকুরের কামড়কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ আহত -১০ বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হমলা লুটপাট গোয়ালন্দে দীর্ঘ দিন পর  শিল্পকলা একাডেমির কার্যক্রম শুরু, চলছে শিক্ষার্থী ভর্তি গোয়ালন্দে পায়াকট বাংলাদেশের  সেফ হোমে ইউএনও’র মানবিক সাহায্য প্রদান নেত্রকোনায় দি হলি চাইল্ড কিন্ডার গার্টেনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
নোটিসঃ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয়

দৌলতপুরের ইউএনওর বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ । তদন্ত কমিটি গঠন

রিপোর্টার / ৫৬৫ বার
আপডেট মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর, ২০২২

নিজস্ব  প্রতিবেদক :০৪ অক্টোবর-২০২২,মঙ্গলবার।
মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলা দুর্গম চরাঞ্চলের বাচামারা  আবু জাফার নামের এক ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: ইমরুল হাসানের বিরুদ্ধে। হত্যার অভিযোগের  বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে ।

এ বিষয়ে গত সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসক বরারব লিখিত অভিযোগ করেছেন নিহতের ভাই  মো:সালা উদ্দিন ঠান্ডু।

নিহত আবু জাফর দৌলতপুর উপজেলার বাচামারা ইউনিয়নের মোহাম্মদ আলীর ছেলে। স্থানীয় বাচামারা বাজারে  বিকাশ,ফেস্কিলোড ও ফ্রিজের দোকান চালাতেন তিনি।

অভিযোগপত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ৬ জুলাই  মহামারি  করোনা  সময় উপজেলার বাচামারা বাজারে আনসার সদস্যদের নিয়ে অভিযান চালান  উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: ইমরুল হাসান।

এ সময় আবু জাফরের দোকান খোলা পেয়ে তাকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। জরিমানা শেষে জাফরকে অকত্য ভাষায় গালাগালও করেন।

এক পর্যায়ে এক আনসার সদস্যের কাছ থেকে বন্ধুক নিয়ে জাফরকে তিনি বেধড়ক পেটাতে থাকেন। জাফরের আর্তচিৎকারে তার বড় ভাই সালা উদ্দিন ঠান্ডু এগিয়ে এলে তাকেও  বেধরক মারধর করে এবং ক্রসফায়ারে হত্যার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান।

এ ঘটনায় গুরুতর আহত জাফর দীর্ঘ ৯ মাস ১৬ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাড়িতে মারা গেছেন।

নিহতের ভাই সালা উদ্দিন ঠান্ডু বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এর ভয়ে এতোদিন অভিযোগ করতে পারিনি। আগে দেখা হলেই তিনি হত্যার হুমকি দিতেন। কিন্তু ভাই মারা যাওয়ার পর ছোট ভাতিজা ও ভাতিজীর কথা ভেবে বাধ্য হয়ে বিচারের জন্য অভিযোগ করেছি।’

অভিযোকারী  সালা উদ্দিন  ঠান্ডু জানান, নির্যাতনের কারণে তারও ঘাঁড়ের হাড় ভেঙে গেছে। এখন তিনিও পঙ্গুপ্রায়।  সালা উদ্দিন  ঠান্ডু বলেন,  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার  জন্য আমার  এক বছরের ভাতিজি তাহমিনা ও  ৫ বছরের ভাতিজা আলামিন এতিম হয়েছে। আমি এর সঠিক বিচার চাই। একজন সরকারি কর্মকর্তা আমার ভাইকে হত্যা করেছে। এ জন্য কি বিচার হবে না?

অভিযোগে বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী  অফিসার মো:  ইমরুল হাসান বলেন, ‘যেহেতু অভিযোগের তদন্ত হচ্ছে। এ কারণে তদন্ত চলাকালীন কিছু বলবো না।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ বলেন, ‘লিখিত অভিযোগের পর তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তদন্ত রির্পোটে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।


এ জাতীয় আরো খবর
Tech Support By Nagorikit.Com