Logo
ব্রেকিং :
ভোলায় ট্রলি উল্টে গুরুতর আহত দুই শ্রমিকের মৃত্যু, আহত ১৫ নবাবগঞ্জে নবীণ বরণ ও সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান  “নবাবগঞ্জে মামলা দায়েরের  ২৪ ঘন্টার মধ্যে চোর আটক , চোরাই মাল উদ্ধার ।” নগরকান্দায় জমকালো আয়োজনে এন,সি,টি, গার্মেন্টস এর শুভ উদ্বোধন  আদমদীঘিতে কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত সান্তাহার সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণির ওরিয়েন্টেশন ক্লাসের শুভ উদ্বোধন ঢাকার মহা সমাবেশ সফল করতে টাঙ্গাইলে গালা ইউনিয়ন বিএনপির লিফলেট বিতরণ টাঙ্গাইলে পরিচ্ছন্ন ও যানজট মুক্ত রাখতে শোভাযাত্রা নেত্রকোনায় শিল্পোদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষন কোর্স জনগনও মনে করে ভোট ছাড়া অন্য কোন উপায় নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নোটিসঃ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয়

নিজের প্রশ্নবাণে নিজেই ফেঁসে গেলেন মির্জা ফখরুল!

রিপোর্টার / ২২ বার
আপডেট শনিবার, ৩০ মার্চ, ২০১৯

কালের কাগজ ডেস্ক: মার্চ ৩০, ২০১৯

সরকারকে বিব্রত করতে এবং জনসমর্থন সৃষ্টির লক্ষ্যে নিজের প্রশ্নবাণে নিজেই ফেঁসে গেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বনানীর এফ আর টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের জন্য সরকারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর অবহেলাকে দায়ী করতে গিয়ে প্রশ্নবাণে খেই হারিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন তিনি।

শুক্রবার (২৯ মার্চ) বনানীর কামাল আতাতুর্ক এভিনিউয়ের ২৩ তলা ওই ভবন পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেন তিনি। ফখরুল বলেন, ‘বিল্ডিং কোড কোনো ভাবে মানা হয়নি। এরকম বিল্ডিং কীভাবে অনুমতি পায় আমরা সেটাই বুঝতে পারি না। অভিযোগের আঙুল তুলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সরকারের অবহেলা, কর্তৃপক্ষের অবহেলা, যারা দায়িত্বে থাকেন তাদের অবহেলার কারণেই এ সমস্ত ঘটেছে।’

এদিকে তথ্যসূত্র বলছে, বনানীর এফ আর টাওয়ারের অবৈধ ফ্লোরগুলোর মালিক তাসভির উল ইসলাম, যিনি কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সভাপতি এবং দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর তাসভির উল ইসলাম ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভবনে অবৈধ ফ্লোরগুলো নির্মাণ করেন। বিএনপির সরকারের আমলে ২০০২ সালে ভবনটির মূল মালিক ফারুক এবং তাসভির তদবির করে প্রভাব খাঁটিয়ে ভবনটি নির্মাণের জন্য রাজউকের কাছ থেকে অনুমোদন নেয়। এরই মধ্যে মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ওই ভবনের মালিকের একটি ছবিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ায় সমালোচিত হচ্ছেন তিনিও।

এ তথ্য জানিয়ে সাংবাদিকরা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে এর জবাব চাইলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি বরং প্রশ্নটি এড়িয়ে যান বলে জানা গেছে। উপরন্তু অগ্নিকাণ্ডের দায় সার্বিকভাবে সরকারকেই নিতে হবে বলে চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন তিনি।

এমন প্রেক্ষাপটে মির্জা ফখরুলের এমন কাণ্ড-জ্ঞানহীন দোষ চাপিয়ে দেয়ার প্রবণতাকে ক্ষমতার লিপ্সায় আত্মমগ্ন হওয়ার নামান্তর বলে উল্লেখ করছেন রাজনীতি সচেতন নাগরিকরা। তারা বলছেন, বিএনপি সরকারের আমলে অনুমোদন পাওয়া একটি ভবনে অগ্নি-দুর্ঘটনা ঘটলেও সে দায় বর্তমান সরকারকে দিতে চেষ্টা করা নির্বুদ্ধিতা ছাড়া আর কিছু নয়। এবারই নতুন নয়, এমন কাণ্ড-জ্ঞানহীন বক্তব্য প্রতিটি ইস্যুকে কেন্দ্র করেই করে থাকে বিএনপি নেতারা।


এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com