Logo
ব্রেকিং :
২ শিশুপুত্রসহ  ভাগ্নিকে হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড কালিহাতী প্রেসক্লাবের নয়া সভাপতি রঞ্জন-সম্পাদক মিল্টন মানিকগঞ্জ কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডি নির্বাচন স্থগিত নেত্রকোনায় অনুকূলচন্দ্রের নগর পরিক্রমা সিরাজগঞ্জে বিরোধের জের ধরে  প্রতিপক্ষের   রোপনকৃত ৫০টি  চারা গাছ কর্তনের অভিযোগ নাগরপুরে ওপেন হাউস ডে অনুষ্ঠিত  সাংবাদিকের  মৃত্যুতে নগরকান্দা প্রেসক্লাবে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ভাঙ্গা থেকে বরিশাল হয়ে পায়রা বন্দর পর্যন্ত রেললাইন চালু করা হবে—-রেলপথ মন্ত্রী মোঃ জিল্লুল হাকিম সিরাজগঞ্জে শালুয়াভিটা সিনিয়র  মাদ্রাসায়  তিনটি পদে নিয়োগ পরীক্ষার  আগেই  মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে প্রার্থী চুড়ান্ত করার অভিযোগ  নাগরপুরে  শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ 
নোটিসঃ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয়

ভ‚ঞাপুরে যমুনায় ভয়াবহ ভাঙ্গন মাথা গোঁজার ঠাঁই টুকুও নিয়ে গেল যমুনা, ভাঙ্গন রোধে নেই কোন পদক্ষেপ

রিপোর্টার / ১১৪ বার
আপডেট রবিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২২

  মুক্তার হাসান, ভূঞাপুর প্রতিনিধি :২৩ অক্টোবর-২০২২,রবিবার।

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরের যমুনা নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ ভাঙ্গন, চোখের পলকেই ধ্বসে যাচ্ছে বাড়ির পর বাড়ি। অসময়ে হঠাৎ পানি বৃদ্ধি এবং অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে পানি কমতে শুরু করায় ও নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কারনে নদী তীরবর্তী ভূঞাপুরের বিভিন্ন এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের চিতুলিয়াপাড়া, ভালকুটিয়া ও কষ্টাপাড়া অংশে বসতবাড়ি মুহুর্তেই দেবে যাচ্ছে। মাথা গোজার ঠাঁই টুকুও হারিয়ে যাচ্ছে চিরতরে। এতে গৃহহীন হচ্ছে শতশত পরিবার। আতঙ্কে দিন কাটছে হাজারো মানুষের। গেল বন্যায় কয়েকশ বসতবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে নিঃশ্ব হয়েছে শতশত পরিবার। এর আগে কিছু জায়গায় জিওব্যাগ ফেললেও ভাঙ্গন রোধ হয়নি। ব্যক্তি উদ্যোগে চিতুলিয়াপাড়া, ভালকুটিয়া ও গ্রামের তাদের পৈতিক বসতভিটা ভাঙ্গন রোধে মাটি ভরাট করে ব্যাগ ফেলেছেন। তাতেও কোন কাজে আসছে না। থামছে আগ্রাসি যমুনার থাবা। এরকম ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলে নদী তীরবর্তী এই গ্রামগুলো মানচিত্র থেকে মুছে যাবে চিরতরে। ভাঙ্গররোধে শীঘ্রই স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। চিতুলিপাড়া গ্রামের বসতবাড়ি হারিয়ে যাওয়া নান্নু, ফজল বলেন, যমুনায় চলতি বছরে আমার বাড়িসহ শতশত বাড়ি নদীগর্ভে চলে গেছে। আমাদের আর মাথা গোঁজার ঠাঁই টুকুও রইল না। পথের ভিখারী হয়ে গেলাম। আমাদের রক্ষায় কেউ এগিয়ে এলো না। এরকম শতশত নান্নু, ফজলদের আহাজারিতে আকাশ বাতাস ভারি হচ্ছে। গোবিন্দাসী ইউপি চেয়ারম্যান মো. দুলাল হোসেন চকদার জানান, ইতিমধ্যেই আড়াইশত পরিবারের বশতভিটা ভাঙ্গনে নিঃশ্ব হয়েছে, আরও দেড়শত পরিবার আতঙ্কে দিন কাটছে। অন্যদিকে অর্জুনা ইউনিয়নে তিনশত বসতভিটাসহ চারটি মসজিদ,একটি মাদ্রাসা নদী গর্ভে চলে গেছে। ঝুঁকিতে আছে শতাধিক পরিবার। গাবসারায় নদীগর্ভে চলে গেছে প্রায় তিনশত বসতবাড়ি। ভাঙন বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. ইসরাত জাহান বলেন, আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবো যাতে দ্রুত কার্যকরি পদক্ষেপ নেয়া হয়। এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো.সাজ্জাত হোসেন বলেন, আমি জানতাম না যমুনায় ভাঙন শুরু হয়েছে। লোক পাঠিয়ে জেনে নদী তীরবর্তী যেসব এলাকায় ভাঙছে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।


এ জাতীয় আরো খবর
Tech Support By Nagorikit.Com