Logo
ব্রেকিং :
ছায়াপথ সাহিত্য পরিষদের  প্রথম সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত  নাগরপুর মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন;সভাপতি ফজলুর রহমান , সাধারণ সম্পাদক মো.আব্দুল রউফ দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে ৬১অবৈধ করাতকল  গোয়ালন্দে শেখ কামাল আন্তঃস্কুল ও মাদ্রাসা অ্যাথলেকিস প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নগরকান্দায় পুলিশের অভিযানে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার,পুলিশের সংবাদ সম্মেলন ঈশ্বরগঞ্জে বাসাবাড়ি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন দাম বাড়েনি মনোহরদীর মানুষ বিক্রির বাজারে শিক্ষা ব্যবস্থাকে উন্নত করতে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে – শিক্ষা মন্ত্রী ড. দীপু মনি ভোলায় অবৈধ অটোরিক্সায় চাপায় এক পথশিশুর মৃত্যু কেন্দুয়ায় শীতার্থদের মাঝে রিপোর্টার্স ক্লাবের কম্বল বিতরণ
নোটিসঃ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয়

সংস্কারের অভাবে দেলদুয়ারে বিলিন হচ্ছে ঐতিহাসিক সওদাগরী মসজিদ

রিপোর্টার / ২৫ বার
আপডেট সোমবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯

মুক্তার হাসান, টাঙ্গাইল থেকে ঃ০৪  ফেব্রুয়ারি ,সোমবার।
প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারের আটিয়ায় ঐতিহাসিক আটিয়া সওদাগরী মসজিদটি ধ্বংসের দ্ধার প্রান্তে । এক গম্বুজ বিশিষ্ট সওদাগরী মসজিদটি ঐতিহাসিক স্থাপত্যের একটি নির্দশন। এটি মজবুত ইটের গাথুনি ও দৃষ্টিনন্দন করেই নির্মিত হয়েছিল। দেলদুয়ার উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে আটিয়া গ্রামের লৌহজং নদীর তীরে মসজিদটি অবস্থিত। এর পাশেই রয়েছে ৪শত বছরের পুরনো আটিয়া মসজিদ। মসজিদটির স্থাপত্য নিদর্শন দেখে ধারনা করা হয় মোঘল আমলের শেষ দিকে অথবা কোম্পানি আমলের প্রথম দিকে এটি নির্মিত হয়েছিল। একসময় আটিয়া পরগনা ব্যবসা বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র ছিল। সওদাগররা বাণিজ্য করতে এখানে দীর্ঘ সময় অবস্থান করতেন। সে সময় একজন সওদাগর মসজিদটি নির্মান করেন। ধর্মভীরু সওদাগরদের নামাজ আদায় সুবিধার্থে মসজিদটি নির্মান করা হয় বলে জনশ্রুতি রয়েছে। তবে কালের স্বাক্ষী মসজিটির জরুরীভাবে রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করা না হলে অচীরেই অস্তিত্ব হারিয়ে যেতে পারে বলে আশংঙ্কা করা হচ্ছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, দেয়ালের স্তর খসে পড়ছে। মসজিদের ছাদে ও দেয়ালের চারিদিকে আগাছা গজিয়েছে। দিন দিন বিনষ্ট হয়ে যাচ্ছে মসজিদটি। মসজিদটি পাশেই নির্মিত হয়েছে একটি বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের বর্ধিত ভবনের দ্বিতীয় তলার সিড়ি নির্মিত হচ্ছে মসজিদটির গা ঘেঁষে। ফলে প্রতিনিয়ত ক্ষতি গ্রস্থ হচ্ছে প্রাচীন এই মসজিদটি। আধুনিক এই বিদ্যালয় ভবনের পাশে কোন রকমে মাথা উচিয়ে প্রাচীন এই মসজিদটি তার অস্তিত্ব জানান দিচ্ছে।
এলাকাবসী জানায়, আটিয়া হলো টাঙ্গাইল জেলার অন্যতম ঐতিহাসিক একটি নাম। আটিয়াকে ঘিরে গড়ে ওঠেছিল কয়েকটি ঐতিহাসিক স্থাপত্যে। তা প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কালক্রমে ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে। তারা জানায়, এক সময় আটিয়া মসজিদ ও সওদাগরী মসজিদ দেখার জন্য দূর-দুরান্ত থেকে পর্যটকরা ভিড় জমাতেন। কিন্তু কালক্রমেই মসজিদ দুইটি সৌন্দর্য হারিয়েছে। সে কারনে পর্যটক আগের মতো আসেন না। সওদাগরী মসজিদের পাশেই রয়েছে আরেকটি ঐতিহাসিক আটিয়া মসজিদ। এক সময় দশ টাকা নোটে মুদ্রণ করা হয়ে আটিয়া মসজিদটি। সেটিরও যন্ত্র নেই। আটিয়া মসজিদ ও আটিয়া সওদাগরী মসজিদ দুইটি খুবই প্রাচীন। বর্তমানে প্রাচীনতম আটিয়া মসজিদ ও আটিয়া সওদাগরী মসজিদ দুইটি সংস্কার করা জরুরী হয়ে পড়েছে। তা না হলে এদুটি মসজিদের অস্তিত্ব এক সময় বিলীন হয়ে যেতে পাওে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
মসজিদটি সংস্কার প্রসঙ্গে আটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম মল্লিক জানান, সওদাগরী মসজিদটি প্রায় ৪ শত বছরের পুরাতন।আমরা বিভিন্ন ভাবে চেষ্টার পর ২০১৬ সালে প্রত্নতত্ন বিভাগ থেকে মসজিদের যাবতীয় তথ্য নিয়ে গেছে। আশা করছি, সরকার খুব দ্রুত এই ঐতিহাসিক মসজিদটিকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসবে।
কালের কাগজ/প্রতিনিধি/জা.উ.ভি


এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com