Logo
ব্রেকিং :
সার্ভিক্যাল রোগে আক্রান্ত সাদিয়ার চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন- দুর্জয় কেন্দুয়ায় হ্যান্ডট্রলির ধাক্কায় শিশুছাত্রের মৃত্যু দৌলতদিয়া পদ্মা নদীর তীর থেকে অজ্ঞাত যুবকের অর্ধ গলিত লাশ উদ্ধার ভাইরাল কিংবা ভিউয়ের জন্য গান করি না— ক্লোজআপ ওয়ান তারকা সাজু এটি প্রথম আলোর ষড়যন্ত্র: হানিফ প্রতিনিয়ত পত্রিকাটি মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করছে : বিপ্লব বড়ুয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আটক সাংবাদিকদের মুক্তির দাবিতে মানিকগঞ্জে মানববন্ধন নেত্রকোনায় ত্রান ও পুর্নবাসন শাখার আয়োজনে কর্মশালা নতুন শিক্ষাক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে -অঞ্জনা খান মজলিশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে নেত্রকোনা জেলা আ’লীগ সভাপতি-সম্পাদকের সৌজন্য স্বাক্ষাত
নোটিসঃ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয়

সিংগাইরের অটোবাইক চালক আয়নাল হত্যার মামলার আসামী গ্রেফতার ও মালামাল উদ্ধার

রিপোর্টার / ২২ বার
আপডেট শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ ৭ ফেব্রুয়ারি-২০২০,শুক্রবার।
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে অটোবাইক চালক আয়নাল হত্যা মামলার রহস্য তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে হত্যার ২৭ দিনের মধ্যে উদঘাটন করেছে সিংগাইর থানা পুলিশ । মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিংগাইর থানার উপপুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন পিপিএম এই কিলিং মিশনের সাথে জড়িত দুইজনকে গ্রেফতার করতে সম হন। সেই সাথে ছিনতাই হওয়া অটোবাইকটি ও মোবাইল ফোনটি নেত্রকোনা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
সিংগাইর থানা পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, নিহত আয়নাল ও তার স্ত্রী বিলকিস আক্তার হেমায়েতপুর এসকেএইচ গার্মেন্টেস এ চাকুরি করতেন। ক্যান্সার আক্রান্ত মাদ্রাসায় পড়ুয়া বড় সন্তান মিসকাতুল ইসলাম (৮)হার্টের চিকিৎসার ব্যয় বহনের হিমশিম খেয়ে দুই মাস আগে আয়নাল গার্মেন্টেসর চাকুরি ছেড়ে ইজিবাইক চালাতে শুরু করেন। গত ১০ জানুয়ারি দুপুরে আয়নাল (৩০) ইজিবাইক নিয়ে বেড় হয়ে রাতে আর বাসায় ফিরেনি। সন্ধার পর থেকে তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। অনেক খোঁজাখুজি করেও ওই রাতে তাকে আর পাওয়া যায়নি। পরে দিন ১১ জানুয়ারি সিংগাইর উপজেলার ধল্লা এলাকায় আয়নালের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদি হয়ে মামলা করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার সিংধা গ্রামের ইন্তাজ আলী ছেলে মো. গোলাপ আলী (৩২) বর্তমান ঠিকানা সাভার উপজেলার হেমায়েতপুর ফুলবাড়ীয়া এলাকা। এছাড়া হত্যার সাথে আরেক আসামী একই এলাকার আসন আলীর ছেলে নুর আমিন (৩১)কে আটক করা হয়। আসামীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ি গোলাপের দখলে থেকে লুন্ঠিত অটোবাইক এবং এবং ধর্মপাশা থানার জয়শ্রী মেহশপুর এলাকা হতে মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্র্কতা এসআই আনোয়ার হোসেন জানালেন, আয়নালকে হত্যার পর অটোবাইকটি চালিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় সাভারের আশুলিয়া এলাকায়। এর পরবর্তীতে ঢাকার রূপনগর এলাকায়। সেখান থেকে একটি ভাড়া করা ট্রাকে অটো বাইকটি প্রথমে নিয়ে যায় সুনামগঞ্জ এলাকায় এর পর নেত্রকোনায়। আয়নাল কিলিং মিশনে অংশ নেয়া দুজন স্বিকার করেছে তাদের অটোবাইক নিতে সহায়তা করেছে গাইবান্ধা জেলার এক যুবক। তাকেও আটকে চেষ্টা চলছে। আসামীদের আগামীকাল শনিবার আদালতে সোর্পদ করা হবে।
কালের কাগজ/প্রতিনিধি/জা.উ.ভি


এ জাতীয় আরো খবর
Tech Support By Nagorikit.Com