Logo
ব্রেকিং :
বিপিএলের ট্রফি গেল বরিশালে শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী বেইলি রোডের আগুনে মৃত ৩৮ জনের পরিচয় শনাক্ত, হস্তান্তর ২৯ বেইলি রোডের আগুনে ৪৬ জনের মৃত্যু : আশঙ্কাজনক ১৯ ঘিওরে রাতের আঁধারে বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে ফেললো দুর্বৃত্তরা রাণীশংকৈলে জাতীয় বীমা দিবস পালন উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা  নগরকান্দায় কুকুরের কামড়কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ আহত -১০ বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হমলা লুটপাট গোয়ালন্দে দীর্ঘ দিন পর  শিল্পকলা একাডেমির কার্যক্রম শুরু, চলছে শিক্ষার্থী ভর্তি গোয়ালন্দে পায়াকট বাংলাদেশের  সেফ হোমে ইউএনও’র মানবিক সাহায্য প্রদান নেত্রকোনায় দি হলি চাইল্ড কিন্ডার গার্টেনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
নোটিসঃ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয়

স্বাধীনতার ৫১ বছর পর দূর্জয়ের উন্নয়নের ছোঁয়ায় বদলে গেছে জনপদ

রিপোর্টার / ২৫৪৬ বার
আপডেট বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক:২২ ফেব্রুয়ারি-২০২৩,বুধবার।

রাজধানীর প্রান্তঘেঁষা প্রাচীন জনপদ হওয়া সত্তে¡ও যুগের পর যুগ মানিকগঞ্জ-১ আসন ঘিওর-দৌলতপুর-শিবালয় ছিল উন্নয়ন বঞ্চিত। এ জনপদের মানুষকে ভোগ করতে হয়েছে উন্নয়ন বঞ্চনা আর অবহেলার সীমাহীন গ্লানী। স্বাধীনতার ৫১ বছর পর বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর একযুগে মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক বিসিবির পরিচালক আলহাজ¦ এ.এম নাঈমুর রহমান দুর্জয় এর নেতৃত্বে উন্নয়নের ছোঁয়ায় বদলে গেছে ঘিওর-দৌলতপুর-শিবালয়ের জনপদ।
এ আসনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রিয় আস্থা ভাজন ,জননন্দিত ক্রিকেট তারকা বর্তমান সংসদ সদস্য,চরাঞ্চল বান্ধব নেতা হিসাবে পরিচিত আলহাজ¦ এ. এম নাঈমুর রহমান দূর্জয় তার সময়ের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে জানান, জাতি জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নির্দেশনায় করোনা মহামারী মোকাবেলায় সফল হয়েছি ।

স্বাস্থ্য খাত :
স্বাস্থ্য খাতে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর-ঘিওর-শিবালয় ছিল চরম ভাবে উপেক্ষিত, অবহেলিত। রাজধানীর পাশের জেলা হবার পরও মানিকগঞ্জের দৌলতপুর-ঘিওর-শিবালয়ের মানুষ তাদের ন্যূনতম স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত ছিল। সামান্য একটু অসুস্থ হলেই যেতে হতো জেলা সদরে অথবা নিকটবর্তী রাজধানী ঢাকা শহরে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর র্নিবাচনী প্রতিশ্রæতি পূরণের লক্ষে উপজেলা সদরে দ্বিতীয় তলা ভবনসহ ৩১ শয্যার হাসপাতাল এখন ৫০ শয্যায় উন্নতি হয়েছে । সেই সাথে চিকিৎস্যা সেবার মান অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে । গর্ভবর্তী মায়েরদের সিজারিয়ান অপারেশন ব্যবস্থা চালু হয়েছে। এই সব হাসপাতালে অত্যাধুনিক সব ধরনের সুবিধাসহ স্বাস্থ্য সেবা শুরু হয়েছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থা :
উন্নয়নের মহাসড়কে যোগ হয়েছে এশিয়ান হাইওয়ে খ্যাত, এক সময়ের ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক। যা এখন ঢাকা-পাটুরিয়া মহাসড়ক নামে পরিচিত। মানিকগঞ্জ জেলার ওপর দিয়ে গড়ে ওঠা মহাসড়কটির এশিয়ান হাইওয়ে হিসেবে পরিচিতি থাকলেও এই মহাসড়ক ছিল প্রচুর রকমের অবহেলিত। যে কারণে এই মহাসড়কটিকে মৃত্যু ফাঁদের কুখ্যাতি বহন করতে হয়েছে।
বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই মহাসড়কের জরাজীর্ণ সেতু মেরামত,নতুন করে নির্মাণ, বিপজ্জনক বাঁকগুলোকে ঠিক করাসহ ঢাকা থেকে পাটুরিয়া পর্যন্ত এই মহাসড়কটিকে চার লেনে উন্নীত করার কাজ পূর্ণ গতিতে এগিয়ে চলছে। গত একযুগে শত শত কিলোমিটার পাকা সড়ক ও অসংখ্য ছোটবড় সেতু নির্মাণের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। আরিচা-দৌলতপুর-টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়কের ঘিওর ধলেশ্বরী নদীর উপর বিশাল দৃস্টিনন্দন ব্রীজ ও এ্যাপরোচ রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। আরিচা-দৌলতপুর-টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়ক একনেকে পাশ করে টেন্ডার হয়েছে। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করে তিন উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়নে নির্মিত হয়েছে অনেক দৃষ্টিনন্দন সেতু।
তিল্লী এলাকায় ধলেশ্বরী নদীর ওপর বিশাল সেতু পার হয়ে দৌলতপুর উপজেলার কলিয়া ইউনিয়নের সঙ্গে যোগ হয়েছে। এর ফলে নাগরপুর- টাঙ্গাইল-দৌলতপুর এ এলাকার বিশাল জনগোষ্ঠীর একটি বড় দাবি পূরণ হয়েছে। ঘিওরের সিংজুরী-বৈকন্ঠ পুর ধলেশ্বরী নদীর উপর বিশাল ব্রীজ নির্মাণ কাজ দ্রুত গতি এগিয়ে চলছে। দৌলতপুর খাদ্য গুদামের পাশে ধলেশ্বরী নদীতে বিশাল ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছে।
যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কমপ্লেক্স :
পদ্মা,যমুনা,কালীগঙ্গা,ধলেশ^রী নদী বেষ্টিত মানিকগঞ্জ জেলা ভয়াবহ নদী ভাঙ্গন ও বন্যায় বিপর্যস্ত জেলা হবার ফলে এই জেলায় বেকারত্বের হার ছিল অন্যান্য জেলার তুলনা অনেক বেশি। যুব ও তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীতে পরিণত করার লক্ষ্যে সরকার ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ঘেঁসে ঘিওর উপজেলার জোকায় নির্মাণ করেছে যুব কমপ্লেক্সের কার্যক্রম। এই প্রকল্পের সুফল মানিকগঞ্জের যুব সম্প্রদায় ইতোমধ্যেই ভোগ করতে শুরু করেছে। প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরে এসেছে কর্মহীন তরুণ ও যুবকদের মধ্যে। এ জেলায় প্রবাসীদের আয়ের অবদানও উল্লেখ যোগ্য। এই প্রশিক্ষণ কমপ্লেক্স থেকে প্রশিক্ষিত যুবকরা বিদেশে গিয়ে তাদের আয়ের টাকা দেশে পাঠিয়ে উন্নয়নে অংশ নেবেন।
পাটুরিয়া ঘাট এলাকা দৃষ্টিনন্দন ও পর্যটন কেন্দ্র :
পাটুরিয়া ঘাট এলাকা দৃষ্টিনন্দন ও পর্যটন কেন্দ্র করার লক্ষ্যে একনেকের সভায় (পাটুরিয়া ঘাট উন্নয়ন) এর জন্য প্রায় ৭ শ’ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। যার ফলে পদ্মা তীরবর্তী পাটুরিয়া ঘাট এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন ঘটতে যাচ্ছে। পাশাপাশি এই এলাকায়ই ঘোষিত আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণ শেষ হলে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠবে পাটুরিয়া পদ্মার পার।
এ ছাড়া এই পাটুরিয়া ঘাট এলাকা দিয়ে প্রতিদিন গড়ে দুই সহস্রাধিক যানবাহন ও হাজার হাজার মানুষ পারাপার হচ্ছে। মাঝে মাঝেই যানজটের কবলে পড়ে শিশু, নারীসহ শত শত যাত্রী চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েন এই ঘাট এলাকায়। এই বিবেচনায় পাটুরিয়া ঘাটকে আধুনিক দৃষ্টিনন্দন ও পর্যটন এলাকায় রূপ দিতে বড় ধরনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু হচ্ছে। এর জন্য পাটুরিয়া এলাকায় বরাদ্দ হয়েছে ৭শ’ কোটি টাকা। ফলে পাটুরিয়া ঘাটের বিড়ম্বনা আর থাকবে না। ঈদের আগে সময়মতো বাড়ি গিয়ে পরিবারের সাথে ঈদের নামাজ আদায় ও আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়ার দুশ্চিন্তায় পড়তে হবে না।
পদ্মার তীরে ক্রিকেট স্টেডিয়াম :
শিবালয়ে পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় পদ্মা নদীর পারে মনোরম পরিবেশে আন্তর্জাতিকমানের ‘শেখ হাসিনা ক্রিকেট স্টেডিয়াম’ নির্মাণের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং সংসদীয় কমিটি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্প্রতি স্থান পরিদর্শন করেছেন। এর প্রাথমিক কাজ শুরুর ঘোষণাও দিয়েছেন তারা। এর ফলে মানিকগঞ্জসহ আশপাশের কয়েকটি জেলার মধ্যে ব্যাপক আশার সঞ্চার হয়েছে ক্রীড়ামোদীসহ সকল মানুষের মধ্যে।
যমুনা নদীর পারে ইকোনমিক জোন করার লক্ষ্যে এই উপজেলার পুরাতন আরিচা ঘাট এলাকা বেছে নেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ঘিওর উপজেলায় ‘শেখ কামাল আইটি পার্কে’র কাজ এগিয়ে চলছে। এসব উন্নয়নের ফলে মানিকগঞ্জসহ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। দূর হবে এই জেলার শিক্ষিত যুব সমাজের দুর্দিন। ঘিওর ধলেশ^রী নদীর উপর ব্রিজ ও দুই পাশে দৃষ্টিনন্দন সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিদিন শত শত নারী-পুরুষ বিকালে এই ব্রিজ ও সড়কে আড্ডা জমে উঠে।

শিক্ষা ক্ষেত্রের উন্নয়ন :
মাানিকগঞ্জের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো অবকাঠামোগত দিক থেকে সারাদেশের মধ্যে অনেক পশ্চাৎপদ অবস্থায় ছিল। শিক্ষাবান্ধব বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত দশ বছরে জেলায় স্কুল, কলেজ সরকারীকরণসহ প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন নতুন বহুতল ভবন নির্মিত হয়েছে। বিজ্ঞান গবেষণাগার,আইসিটি ভবন নেই এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৩ উপজেলায় দুর্লভ। ৩টি উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘিওর উপজেলায় ৬৫ টি, দৌলতপুর উপজেলায় ৫২টি এবং শিবালয় উপজেলায় ৪৩ টি নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।
শতভাগ বিদ্যুতায়ন শেষ হয়েছে :
দেশের ব্যাপক উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় তিন উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন শেষ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি ‘দেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুত সংযোগ দেয়া’। নতুন নতুন ঘরবাড়ি বা প্রতিষ্ঠানে চাহিবার মাত্রই বিদ্যুত সংযোগ দেয়া হচ্ছে। নদী ভাঙ্গন কবলিত  চরাঞ্চলে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুত দেয়া হয়েছে । চরে বিদ্যুত পাওর্য়ার  প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হয়েছে।
দৃষ্টিনন্দন মডেল মসজিদ:
শিবালয় উপজেলার মডেল মসজিদের কাজ শেষ ও ঘিওর উপজেলা মডেল মসজিদের কাজ শেষ। বাকী দৌলতপুর উপজেলা মডেল মসজিদ ৩ তলার কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।
নদী ভাঙ্গন রোধে মহাকর্মযজ্ঞ :
পদ্মা, যমুনা, ধলেশ্বরী, কালীগঙ্গার ভাঙ্গনে বিপর্যস্ত ছিল মানিকগঞ্জের ৩টি উপজেলা। বিশেষ করে পদ্মা এবং যমুনার ভাঙ্গন ছিল ভয়াবহ। এই ভাঙ্গনের ফলে প্রতি বছর শত শত মানুষ তাদের বাস্তুভিটা হারাত এবং নষ্ট হতো কৃষিজমি। নদীর এই ভাঙ্গন রোধে গ্রহণ করা হয়েছে মহাপরিকল্পনা। পদ্মার ভাঙ্গন থেকে হরিরামপুর উপজেলা রক্ষায় ইতোমধ্যইে পদ্মা তীরে ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ স্থায়ী বাঁধ নির্মিত হয়েছে। এই পদ্মার তীরে আরও ৩০ কিলোমিটার বালুর বস্তা ফেলে তাৎক্ষণিকভাবে শত শত পরিবারকে রক্ষা করা হয়েছে। যমুনার ভাঙ্গন রোধে দৌলতপুর ও শিবালয় উপজেলার বড় একটি অংশে স্থায়ী বাঁধ করা হয়েছে। এছাড়া যমুনা নদীর তীরবর্তী বাচামারা, চরকাটারী,বাঘুটিয়া,জিয়নপুর ইউনিয়নে বিশাল এলাকায় নদী ভাঙ্গন রোধে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙ্গন ঠেকানো হয়েছে। পদ্মা, যমুনা, ধলেশ^রী নদীর ভাঙ্গন রোধে অন্যান্য প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।
প্রশাসনিক উন্নয়ন:
দৌলতপুর ও ঘিওর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের ৪ তলা ভবন নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। ৩ টি উপজেলায় নতুন ৩ টি ফায়ার স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। ৩টি উপজেলায় ২২ টি ইউনিয়নে নির্মিত হয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স। এ সমস্ত কমপ্লেক্সে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমসহ বিভিন্ন সরকারী দফতরের সেবা পান” গ্রামীণ জনগোষ্ঠী। দৌলতপুর-শিবালয় ও ঘিওর উপজেলা ভূমি অফিস নির্মাণ হয়েছে। একই সাথে ৩ টি উপজেলায় ২২টি ইউনিয়ন ভূমি অফিস নতুন ভবন নির্মাণ হবে। ঘিওর বানিয়াজুড়ি এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে ৪ তলা ভবনের পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র। দৌলতপুর-ঘিওর-শিবালয় ৩ টি থানা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। সেই সাথে (পুলিশ) নারী, শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী সার্ভিস কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে।
শিল্প উদ্যোগ:
সারাদেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় ঢাকা-মানিকগঞ্জ-পাটুরিয়া মহাসড়ক, ঘিওর, শিবালয়,দৌলতপুর উপজেলা আঞ্চলিক মহাসড়কের দুইপাশ ধরে ব্যক্তিগত উদ্যোগে গড়ে উঠছে ছোটবড় বিভিন্ন ধরনের শিল্প কারখানা ও পাওয়ার প্ল্যান্ট, কৃষি খামার। এ কারণে এ সমস্ত এলাকার জমির দাম বেড়েছে কয়েকগুণ। একদিকে জমি বিক্রি করে লাভবান হচ্ছে কৃষক, পাশাপাশি কর্মসংস্থান হচ্ছে স্থানীয় যুবক ও কর্মক্ষম ব্যক্তিরা। আগামী অল্প সময়ের মধ্যেই মানিকগঞ্জ-১ আসন হবে দেশের উন্নয়নের রোল মডেল।
তিনি বলেন, জাতি জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল দেশকে সোনার বাংলা গড়ার । বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছে। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হলে দেশে উন্নয়ন হয় দেশের মানুষ ভাল থাকে। দেশের উন্নয়ন চাইলে নৌকায় ভোট দিতে হবে । নৌকায় ভোট দিলে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হবে দেশে উন্নয়ন হবে। তাই এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে আগামী নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিতে জনগনের প্রতি আহবান জানান । আ্ওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের কথা ভোটার ও জনগনের কাছে তুলে ধরার জন্য প্রিন্ট ও ইলেক্টনিকস মিডিয়ার আহবান জানান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দীর্ঘায়ু ও দোয়া চাইলেন তিনি।
######

 


এ জাতীয় আরো খবর
Tech Support By Nagorikit.Com