Logo
ব্রেকিং :
মানিকগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সভাপতি আমিনুল, সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান ভোট চোররা ভোট চুরি করতেই জানে: শেখ হাসিনা নেত্রকোনায় মহিলা পরিষদের সাংবাদিক সম্মেলন নগরকান্দায় কৃষকের মাঝে পেঁয়াজের বীজ বিতরণ  যশোরে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা হতে চুরি যাওয়া মূল্যবান ১২ টি মোবাইল ফোন গোয়ালন্দে উদ্ধার  সৈয়দপুরে ভোর রাতে ৫ দোকানের  ২০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই সৈয়দপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদ্বোধন হলো কাউন্সিলর গোল্ডকাপ ফুটবল টূর্ণামেন্ট  আগামী জুনে শুভ উদ্বোধন করা হবে  সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্প পার্ক  ……… শিল্প মন্ত্রী নূরুল মজিদ নাগরপুরে খেজুর রস আহরণে ব্যস্ত গাছিরা টাঙ্গাইলে আশ্রয়ণের ঘরে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল, দিশেহারা ৪০ পরিবার
নোটিসঃ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয়

অগ্নিঝরা ৩ মার্চ: ইতিহাসের এই দিনে

রিপোর্টার / ১৮ বার
আপডেট সোমবার, ৪ মার্চ, ২০১৯

কালের কাগজ ডেস্খ:: ০৩ মার্চ ২০১৯ ,সোমবার।

শুরু হয়েছে ইতিহাস, বিষাদ, সংগ্রাম ও গৌরবের মাস অগ্নিঝরা মার্চ মাস। ১৯৭১ সালের এই মাসের শুরু থেকেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আন্দোলন সংগ্রামের প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করে বাঙালী জাতি।

ঐতিহাসিক সেই অগ্নিঝরা মার্চের তৃতীয় দিন আজ। গণহত্যার শোক দিবস আর অর্ধদিবস হরতালের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ১৯৭১ এর ৩ মার্চের দিনটি। মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী নিন্দা ও ব্যঙ্গাত্মক টেলিগ্রাম পাঠান পাকিস্তানি শাসক ইয়াহিয়া খানের কাছে। সকাল থেকেই মিছিলের নগরী হয়ে ওঠে ঢাকা।

একাত্তরের ৩ মার্চ পল্টনে ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগের উদ্যোগে এক বিশাল জনসভায় বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। নূরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বঙ্গবন্ধুকে বাংলার স্বাধিকার আন্দোলনের সর্বাধিনায়ক ঘোষণা করা হয়। জনসভায় বক্তব্য রাখেন তোফায়েল আহমেদ, শ্রমিক নেতা আবদুল মান্নান, ডাকসু নেতা আবদুল কুদ্দুস মাখন।

ঢাকার পল্টনের জনসভায় অহিংস আন্দোলনের ডাক দেন শেখ মুজিবুর রহমান। একাত্তরের এই দিনে পল্টনের জনসভায় প্রথম স্বাধীনতার কথা বলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। জনসভায় বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘‘আমি মরে গেলেও ৭ কোটি মানুষ দেখবে দেশ সত্যিকার স্বাধীন হয়েছে। হয়ত এটাই আমার শেষ ভাষণ। আমি যদি নাও থাকি আন্দোলন যাতে থেমে না থাকে, স্বাধীনতার আন্দোলন যাতে না থামে। দানবের সঙ্গে লড়াইয়ে যে কোন পরিণতিকে মাথা পেতে বরণের জন্য আমরা প্রস্তুত আছি। তেইশ বছর রক্ত দিয়ে এসেছি। প্রয়োজনবোধে বুকের রক্তে গঙ্গা বহাইয়ে দেব। তবু সাক্ষাত মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েও বাংলার বীর শহীদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করব না।’ এ জনসভা থেকে ৪ মার্চ থেকে ৬ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন ৬টা থেকে ২টা পর্যন্ত হরতাল পালনের আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া ৫ মার্চ বায়তুল মোকাররম থেকে একটি লাঠি মিছিল বের করারও কর্মসূচী ঘোষিত হয়। এ সভায় স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন ছাত্রনেতা শাজাহান সিরাজ।

এর আগে ৩ মার্চ রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ঢাকায় পাকিস্তানের নির্বাচিত রাজনৈতিক দলের নেতাদের একটি বৈঠক ডাকেন। আমন্ত্রিতদের তালিকায় উল্লেখযোগ্যরা ছিলেন পাকিস্তান আওয়ামী লীগের শেখ মুজিবুর রহমান, পাকিস্তান পিপলস পার্টির জুলফিকার আলী ভুট্টো, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির খান আবদুল ওয়ালী খান প্রমুখ। বঙ্গবন্ধু প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার এই রাজনৈতিক সভাকে বন্দুকের নলের মুখে ‘নিষ্ঠুর তামাশা’ বলে অভিহিত করে তা প্রত্যাখ্যান করেন। এর পর ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়।

দিন যতই গড়াচ্ছিল স্বাধীনতার প্রশ্নে মুক্তিপাগল বাঙালী জাতির আন্দোলন ততই অগ্নিগর্ভ রূপ নিচ্ছিল। একদিকে বঙ্গবন্ধুর ডাকে অসহযোগ আন্দোলনে স্থবির গোটা বাংলা, অন্যদিকে পাকিস্তানের সামরিক জান্তারা কার্ফু দিয়েও আন্দোলন থামাতে পারছিল না। অনেকস্থানেই অহিংস আন্দোলন সশস্ত্র সংগ্রামে রূপ নিতে শুরু করে, বাঙালী জাতি স্বপ্ন দেখতে থাকে স্বাধীনতার।


এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com