Logo
নোটিসঃ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয়

দুই মাসের মধ্যে কারাভোগ করতে বাংলাদেশে আসছেন অসহায় তারেক রহমান!

রিপোর্টার / ১৪ বার
আপডেট মঙ্গলবার, ১২ মার্চ, ২০১৯

কালের কাগজ ডেস্ক:১২ মার্চ-২০১৯,মঙ্গলবার।

খালেদা জিয়ার কারাদণ্ডের পর থেকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন তারেক রহমান। লন্ডনে বসে তিনি দুর্নীতি ও নাশকতার বিভিন্ন মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েও দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। অর্থ পাচার মামলায় ৭ বছর ও দুর্নীতি মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ডের আসামি তিনি। এমন প্রেক্ষাপটে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা ও কারাভোগ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহলের শেষ নেই।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বাবা-মায়ের মতো দেশে শাসন করার স্বপ্ন কখনোই বাস্তবে রূপ নেবে না তারেক রহমানের। কেননা, দেশে ফিরে শাস্তি ভোগের আশঙ্কা তাকে ভাবিয়ে তুলতে শুরু করেছে।

অর্থপাচার মামলায় ২০১৬ সালের ২১ জুলাই তারেক রহমানকে ৭ বছর কারাদণ্ড দেন আদালত। কিন্তু তারেক রহমান দেশে না থাকায় তাকে পলাতক হিসেবে দেখানো হয়। রায়ের বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার বিধান থাকলেও তিনি তা করেননি। ফলে আপিলের সুযোগও তিনি হারিয়েছেন।

অন্যদিকে, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ‘মা’ বেগম খালেদা জিয়ার পাশাপাশি তারেক রহমানও ১০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন। তারেক রহমান দেশে না থাকায় দুই মামলাতেই তাকে পলাতক দেখানো হয়েছে। ফলে দেশে ফিরলেই তার কারাবাস জীবন শুরু হবে। দেশে ফিরতে না চাইলেও তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার সমস্ত ব্যবস্থাই সরকার করবে এবং করছে বলেও জানা গেছে।

এদিকে ইন্টারপোল আইএস সমর্থক তরুণী শামীমার সঙ্গে তারেক রহমানের আন্তঃযোগাযোগ শনাক্ত করছে। যা নিশ্চিত করেছে পুলিশ সদর দফতরের ন্যাশনাল কাউন্সিলিং ব্যুরো (এনসিবি)।

এনসিবি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে লন্ডনের যে তিন স্কুল-পড়ুয়া মেয়ে ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীতে যোগ দেবার জন্য ব্রিটেন ত্যাগ করেছিল তাদের ইন্ধন দিয়েছিলেন তারেক রহমান। উক্ত তিন নারীর মধ্যে তারেক রহমানের পূর্ব-পরিকল্পনা অনুযায়ী, এখন শামীমা বেগম যুক্তরাজ্যে ফিরে আসতে চান। যা ইন্টারপোল বুঝতে পেরে এখন শামীমাকে ইংল্যান্ডে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। তবে ইন্ধনদাতা তারেকও আর বেশি দিন থাকতে পারবে না। কারণ, ইন্টারপোল তাকে লন্ডন ত্যাগ করার লাস্ট ওয়ার্নিং দিয়ে দিয়েছি।

এমন পরিস্থিতিতে তারেক রহমানের অন্য দেশে যাওয়ার সুযোগও কম। কারণ, তারেক রহমান তার বাংলাদেশি পাসপোর্ট নবায়ন করেননি। যুক্তরাজ্য সরকার তাকে রিফিউজি হিসেবে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে কিন্তু কোনো পাসপোর্ট দেয়নি। ফলে বাধ্যতামূলকভাবে তারেক রহমানের দেশের ফেরার বিষয়টি আরো পরিষ্কার হলো।


এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com