Logo
ব্রেকিং :
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন সভাপতি নোমানি, সম্পাদক সোহেল তাড়াশে বিএনপি’র ১২০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলাঃ গ্রেফতার-৫ নগরকান্দায় নব নির্বাচিত সাংসদকে গন সংবর্ধনা নগরকান্দা আশ্রায়ন প্রকল্প পরিদর্শন করলে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা চোর না শোনে ধর্মের কাহিনী, তাই আ’লীগ জনগণের মনোভাবের মূল্যায়ন করছেনা – সৈয়দপুরে  ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন  দৌলতপুরে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা দৌলতপুরে উপকারভোগীদের মাঝে টিউবওয়েল বিতরন দৌলতদিয়ায়  নেশাগ্রস্থ অবস্থায় মাদক কারবারি গ্রেফতার  মানিকগঞ্জ জেলা যুব দল নেতা মাসুদ পারভেজ আটক দৌলতদিয়ায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
নোটিসঃ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয়

যুদ্ধাপরাধীরা যাতে আর ক্ষমতায় না আসে–প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টার / ১৩ বার
আপডেট সোমবার, ১৮ মার্চ, ২০১৯

কালের কাগজ ডেস্ক:১৮মার্চ-২০১৯,সোমবার।

এই বাংলাদেশ মুজিবের। এখানে যেন কোনো দিন সন্ত্রাসী-জঙ্গিগোষ্ঠী, যুদ্ধাপরাধীরা ক্ষমতায় আসতে না পারে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতির পিতার ৯৯তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবসের আলোচনায় তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতার এই জন্মদিন থেকেই আমরা তাঁর জন্মশতবার্ষিকী পালনের প্রস্তুতি শুরু করব। আগামী বছর দিনটি জাঁকজমকভাবে পালন করা হবে। কারণ, তার নেতৃত্বে আমরা যুদ্ধ করে স্বাধীন দেশ পেয়েছি। আমরা একে তার স্বপ্নের ক্ষুধা, দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলব।’

তিনি বলেন, ‘এদেশ মুজিবের বাংলাদেশ। এখানে যেন আর কোনো দিন সন্ত্রাসী, জঙ্গিগোষ্ঠী, যুদ্ধাপরাধী-মানবতাবিরোধীরা ক্ষমতায় না আসতে পারে, সবাইকে সেদিকে নজর রাখতে হবে।’

বাবার জন্মদিনের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমার বাবা শেখ মুজিবুর রহমানের নানা শেখ আবদুল মজিদ। বাবা জন্ম নেয়ার পর তিনিই দাদিকে বলেছিলেন— তোমার ছেলের নাম শেখ মুজিবুর রহমান রাখলাম। এমন এক নাম রেখে দিলাম, এটি একদিন জগৎজোড়া হবে। বাবার নানার কথাই আজকে সত্যি, শেখ মুজিব নামটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘অজপাড়া গায়ের সেই শিশুটি স্কুল জীবন থেকে সাধারণ মানুষের কথা ভেবেছে। তার ভেতরে মানুষের প্রতি প্রেম-ভালোবাসা, মানুষের কল্যাণ করার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেতো। যেটা আমার দাদির কাছে গল্প শুনতাম। এমন বাবা-মা তিনি পেয়েছিলেন, যারা কোনো দিন তার কাজে অভিযোগ-অনুযোগ করেননি, উৎসাহ দিয়েছেন।’

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘বাবা যখন প্রধানমন্ত্রী হয়ে মায়ের কাছে গেছেন, তখনও তিনি ছোট্ট শিশু হয়েই গেছেন। দাদি বাবাকে খাইয়ে দিতেন, বাবাও খেতেন। আমরা এটা নিয়ে হাসিঠাট্টা করতাম। একজন একদিন তার বাবার কাছে অনুযোগ করেছেন, আপনার ছেলে এগুলো কি শুরু করেছে, সেতো জেলে যাবে। তখন তার বাবা জবাবে বললেন, সেতো এগুলো দেশের জন্য করছে। ভাত খেলে ঘরের ভাত খাবে, না হয় জেলের ভাত খাবে।’

তিনি বলেন, ‘আমার মাকেও দেখেছি, কোনো দিন কোনো অভিযোগ-অনুযোগ করতেন না। সেই ছোট্ট শিশুটির নাম আজ বিশ্বে ছড়িয়ে। কারণ, তিনি একটি জাতিকে বন্দিদশা থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন।’

আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ ও উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমদ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য আজমত উল্যাহ খান, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম প্রমুখ।

কালের কাগজ/প্রতিবেদক/জা.উ.ভি


এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com