Logo
ব্রেকিং :
পাথরে বিটুমিন মিক্সার ফ্যাক্টরির বয়লারে আগুন, রক্ষা পেল মার্কেট, শত শত মানুষ  ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন সভাপতি নোমানি, সম্পাদক সোহেল তাড়াশে বিএনপি’র ১২০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলাঃ গ্রেফতার-৫ নগরকান্দায় নব নির্বাচিত সাংসদকে গন সংবর্ধনা নগরকান্দা আশ্রায়ন প্রকল্প পরিদর্শন করলে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা চোর না শোনে ধর্মের কাহিনী, তাই আ’লীগ জনগণের মনোভাবের মূল্যায়ন করছেনা – সৈয়দপুরে  ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন  দৌলতপুরে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা দৌলতপুরে উপকারভোগীদের মাঝে টিউবওয়েল বিতরন দৌলতদিয়ায়  নেশাগ্রস্থ অবস্থায় মাদক কারবারি গ্রেফতার  মানিকগঞ্জ জেলা যুব দল নেতা মাসুদ পারভেজ আটক
নোটিসঃ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয়

অগ্নিঝরা ২৪শে মার্চ: ইতিহাসের এই দিনে

রিপোর্টার / ১১ বার
আপডেট রবিবার, ২৪ মার্চ, ২০১৯

কালের কাগজ ডেস্ক: ২৪ মার্চ ২০১৯
বাঙালি জাতির মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের সময়ে নানা কারণে মার্চ মাস ঐতিহাসিক ও ঘটনা বহুল। ১৯৭১ সালের পুরো মার্চ মাস ক্ষোভে-প্রতিরোধে উত্তাল ছিল সমগ্র পূর্ববাংলা। বাঙালির চোখে শুধুই ছিল স্বাধীনতার স্বপ্ন। দেশজুড়ে মিছিল, মিটিং, বিক্ষোভে ছড়িয়ে পড়েছিলো আন্দোলন সংগ্রামের অগ্নিশিখা। ৭১ এর মার্চের দিনগুলো এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে আন্দোলনের গতি তীব্র হচ্ছিল, বাঙালি জাতি তার কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতার প্রহর গুনছিলো।

অগ্নিঝরা মার্চের এই দিনে ক্ষোভে উত্তাল ছিল ঢাকাসহ সারাদেশ। একদিকে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের পরামর্শক দল প্রহসনের আলোচনা চালাচ্ছে, অন্যদিকে নির্বিচারে গণহত্যার জন্য ‘অপারেশন সার্চলাইটের’ জন্য সব ধরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা।

একাত্তরের এই দিনে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে বিভিন্ন সময়ে সমাগত মিছিলকারীদের উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রায় বিরামহীনভাবে ভাষণ দেন। তিনি বলেন, আর আলোচনা নয়, এবার ঘোষণা চাই। আগামীকালের মধ্যে সমস্যার কোন সমাধান না হলে বাঙালিরা নিজেদের পথ নিজেরা বেছে নেবে। আমরা সাড়ে ৭ কোটি মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ। কোন ষড়যন্ত্রই আমাদের দাবিয়ে রাখতে পারবে না। তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বঙ্গবন্ধু বলেন, বাংলার জনগণের ওপর কোন সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়া হলে তা বরদাশত করা হবে না।

একাত্তরের ২৪ মার্চ বুধবার থেকে পশ্চিম পাকিস্তানী নেতারা একে একে ঢাকা ত্যাগ করতে শুরু করেন। পশ্চিম পাকিস্তানের ছোট ছোট পার্লামেন্টারি দলের সব নেতাই এ দিন কারাচীর উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন। ভুট্টোর সফরসঙ্গী ১৩ জনের ৭ জনই এদিন ঢাকা ত্যাগ করেন। ২৩ মার্চ রাত হতে ২৪ মার্চ সকাল পর্যন্ত পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী সৈয়দপুর সেনানিবাসের পার্শ্ববর্তী বোতলগাড়ি, গোলাহাট ও কুন্দুল গ্রাম ঘেরাও করে অবাঙালীদের সঙ্গে নিয়ে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালায়। এতে একশ’ নিহত এবং এক হাজারেরও বেশি আহত হয়।

একাত্তরের এই দিন করাচী থেকে সোয়াত নামক একটি জাহাজ আসে। এতে ৫ হাজার ৬৩০ টন অস্ত্র আনা হয়। অস্ত্র নামাতে গিয়ে বাঙালী শ্রমিকরা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। পাক হানাদার সামরিক অফিসারদের মুখের ওপর শ্রমিকরা অস্ত্র নামাতে অস্বীকৃতি জানায়। অবরোধ করে রাখে জাহাজটিকে। এক পর্যায়ে পাকিস্তানী সৈন্যরা শ্রমিকদের ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে। সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুবরণ করে বেশ কয়েকজন স্বাধীনতাকামী বাঙালি শ্রমিক। বাঙালি জাতি ভাবতেও পারেনি এই ঘটনার মাত্র একদিন পর তাদের জন্য অপেক্ষা করছে এক ভয়াবহ বিভীষিকাময় রাত।


এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com