Logo
ব্রেকিং :
সরকার পরিবর্তন করার একমাত্র পথ নির্বাচন: পরিকল্পনামন্ত্রী সিরাজগঞ্জের তাড়াশে গৃহবধূকে হত্যা শ্বশুড়-শ্বাশুড়ি আটক সিরাজগঞ্জে বহুলীতে মতিয়ার রহমান মিঞা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপন নেত্রকোনায় আর্ন্তজাতিক সিওড দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা নবনিযুক্ত আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ডিআইজির শুভেচ্ছা ঈশ্বরগঞ্জে যুবমহিলা লীগের সমাবেশ অনুষ্ঠিত নড়াইল জেলা পরিষদের সদস্য নির্বাচনে আলোচনার শীর্ষে শেখ সাজ্জাদ হোসেন মুন্না নাগরপুরে ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সাথে এমপি টিটুর মতবিনিময় সভা নগরকান্দায় বাংলাদেশ আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য সংগ্রহ সভা অনুষ্ঠিত  চৌহালী উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণে প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন
নোটিসঃ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয়

স্ত্রী যৌতুকের বলি, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

রিপোর্টার / ১৮ বার
আপডেট বুধবার, ২৭ মার্চ, ২০১৯

শরীয়তপুর প্রতিনিধি :২৭ মার্চ -২০১৯,বুধবার।
যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন করে স্ত্রীকে হত্যার অপরাধে স্বামীকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন শরীয়তপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক।

বুধবার দুপুর ১২টার সময় আসামিদের উপস্থিতিতে এ আদেশ দেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ. ছালাম খান।

মামলার অপর দুই আসামি জলিল খলিফা ও ফুলমতি বেগমকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১০ সালে শরীয়তপুর সদর উপজেলার পশ্চিম কোয়ারপুর বেপারী কান্দির গ্রামের জলিল খলিফার ছেলে ফারুক খলিফার সঙ্গে একই গ্রামের দপ্তরী কান্দির আবুল হোসেন খানের মেয়ে শেফালী বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ি যৌতুকের দাবিতে শেফালীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতে থাকে। ২০১১ সালের ২৬ ডিসেম্বর বিকেল ৩টার সময় যৌতুকের দাবিতে স্বামী ফারুক খলিফা, শ্বশুর জলিল খলিফা ও শাশুড়ি ফুলমতি বেগম শেফালী বেগমকে শারীরিক নির্যাতন করে। ঘটনার দিনই শেফালীর বাবা আবুল হোসেন বাদী হয়ে পালং মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

নির্যাতনের পর থেকে শেফালী অসুস্থ হয়ে পড়েন। ২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেফালীর মৃত্যু হয়। ভিকটিমের মৃত্যু পরবর্তী মামলার ধারা পরিবর্তন হয়ে যৌতুকের দাবিতে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

আদালতে মামলা চলার ৮ বছর পর আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে নিহতের পরিবার, রাষ্ট্র পক্ষের কৌঁসুলি ও বাদীপক্ষে নিযুক্ত আইজীবী ন্যায়বিচার পেয়েছে বলে সন্তোষ প্রকাশ করে। তবে আসামি পক্ষের আইনজীবী দাবি করেছেন তারা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তারা উচ্চ আদালতে যাবে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, মেডিকেল অফিসার, জবানবন্দী গ্রহণকারী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ মোট ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। একাধারে ৪ দিন যুক্তিতর্ক শুনানী শেষে আজ রায় ঘোষণা করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন নারী ও শিশু দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি ফিরোজ আহমেদ, বাদীপক্ষে মো. কবির হোসেন ও তরিকুল ইসলাম সোহাগ। আসামিপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন বজলুর রশিদ আকন্দ।

কালের কাগজ/প্রতিনিধি/জা.উ.ভি


এ জাতীয় আরো খবর
ThemeCreated By ThemesDealer.Com