Logo
ব্রেকিং :
আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন নাগরপুরে সহবতপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত সরিষাবাড়ীতে পরকিয়ার জেরে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসে বিশেষ সংকেতে চলে ঘুষ বানিজ্য টাঙ্গাইল পৌর ভবনের সামনে স্থাপিত জাতির জনকের ভাস্কর্য ভেঙ্গে ফেলার এক বছরেও তা প্রতিস্থাপন হয়নি মির্জাপুরে ফাঁড়ির হাজতখানায় আটক ব্যক্তির মৃত্যু টাঙ্গাইলে ২৪ জাতের কুকুরের খামার, আমদানির চেয়ে ৫০ ভাগ সাশ্রয় মানিকগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনায় ধারালো অস্ত্রের কোপের শিকার যুবক সৈয়দপুরে বেশি দামে চিনি বিক্রি করায়   দুই দোকানে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা ঘিওরে ব্র্যাকের উদ্যোগে বাল্য বিয়ে প্রতিরোধ বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত
নোটিসঃ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয়

এবার বিএনপির নেতৃত্বে ব্যর্থতা দেখিয়ে ঝাল ঝাড়লেন খন্দকার মাহবুব!

রিপোর্টার / ৮ বার
আপডেট শনিবার, ৩০ মার্চ, ২০১৯

কালের কাগজ ডেস্ক:মার্চ ৩০, ২০১৯

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই বিএনপিতে নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবি উঠেছে। আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ও বন্ধু দেশগুলোও চায় দলটির নেতৃত্বে পরিবর্তন আসুক। এর সঙ্গে সহমত পোষণ করছে তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতাদের অনেকেই। কিন্তু এ নিয়ে নেতৃত্বে থাকা নেতাদের কোনো প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। ফলে দলের অভ্যন্তরে বাড়ছে বিচ্ছিন্নতা ও অবিশ্বাস। নেতিয়ে পড়ছে কর্মীদের স্পৃহা।

এবার একই প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির নেতৃত্বে ব্যর্থতা দেখিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে বিএনপির নীতি-নির্ধারকদের প্রতি ঝাল ঝেড়েছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব। তিনি বলেছেন, ভালো ভালো বক্তব্য দিয়ে হবে না। আন্দোলন না করতে পারলে সরে দাঁড়ান। দেশের তরুণ সমাজকে নেতৃত্ব দেন। যারা রাজপথ উত্তপ্ত করতে পারবে। বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে পারবে। তাদের দায়িত্ব দিয়ে চলে যান। আমরা ব্যর্থদের নেতৃত্বে দেখতে চাই না।

শুক্রবার (৩০ মার্চ) এক আলোচনা সভায় দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে এমন বক্তব্য রাখেন খন্দকার মাহবুব।

নেতৃত্ব এবং সিদ্ধান্তে অদূরদর্শিতা দেখিয়ে কড়া ভাষায় খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, যখন আমাদের নেতা-কর্মীরা জেল জুলুম অত্যাচারে অত্যাচারিত, মামলা-হামলার জন্য পালিয়ে বেড়াচ্ছে- তখন জাতীয় ঐক্য গঠন করা হলো। ড. কামাল হোসেন, আ স ম আব্দুর রব, মাহমুদুর রহমান মান্নার মত লোকদেরকে নেতৃত্ব দেয়া হলো। কিন্তু এতে কী হলো? যে যার অবস্থান পোক্ত করতেই ব্যস্ত হয়ে উঠলো। এখন কোথায় ঐক্যফ্রন্ট, কোথায় ড. কামাল? এই ব্যর্থতা কার? এই ব্যর্থতা জনগণের না, এই ব্যর্থতা আমরা যারা নেতৃত্ব দিয়েছি তাদের। এই ব্যর্থতার দায়-দায়িত্ব বিএনপির নীতি-নির্ধারকদের নিতে হবে। শুধু ভালো ভালো কথা বললেই হবে না। বলতে হবে এই ব্যর্থতা কেন আসলো? এর জবাব জনগণকে দিতে হবে।

ঐক্যফ্রন্ট গঠন ও বিএনপির ব্যর্থ নেতৃত্বের ইস্যু নিয়ে পরিস্থিতি যেরকম সরগরম হয়ে উঠেছে তা আসলে কোনো ইঙ্গিত বহন করে কিনা জানতে চাইলে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের একজন অধ্যাপক বলেন, বিষয়টি একটু জটিল। নির্বাচন পূর্ব এবং পরবর্তী সময়ে বিএনপির মধ্যে নতুন নতুন গ্রুপ সৃষ্টি হয়েছে। মূল কথা, দলটি এখন ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন প্রায়। দলটির নেতৃত্বে যে সত্যিই দুর্বলতা আছে- তা অস্বীকার করা যায় না। সুতরাং এটিকে পুঁজি করে বিভক্ত বিএনপির একপক্ষ তারেক রহমান বা মির্জা ফখরুলসহ যারা নেতৃত্বের প্রশ্নে ব্যর্থ বলে প্রমাণিত- তাদের সরিয়ে নতুন আঙ্গিকে দলকে সাজাতে চায়। ওই অংশটি বিএনপিকে ঢেলে সাজাতে চায় নাকি দলের ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে চায়,সেটি কিন্তু পরিষ্কার নয়। এটি জানার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

এদিকে দলটির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুবের মতো একই ইস্যুতে বিএনপির কমপক্ষে ৫০০ সদস্য গণ-পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে। দলীয় একটি বিশ্বাসযোগ্য সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ৬৪ জেলার কমিটিগুলোর প্রায় এক তৃতীয়াংশ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় কমিটির এক তৃতীয়াংশ সদস্য গণ-পদত্যাগে অংশগ্রহণ করবেন। এরইমধ্যে তার একটি খসড়াও চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।


এ জাতীয় আরো খবর
ThemeCreated By ThemesDealer.Com