Logo
ব্রেকিং :
মানিকগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সভাপতি আমিনুল, সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান ভোট চোররা ভোট চুরি করতেই জানে: শেখ হাসিনা নেত্রকোনায় মহিলা পরিষদের সাংবাদিক সম্মেলন নগরকান্দায় কৃষকের মাঝে পেঁয়াজের বীজ বিতরণ  যশোরে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা হতে চুরি যাওয়া মূল্যবান ১২ টি মোবাইল ফোন গোয়ালন্দে উদ্ধার  সৈয়দপুরে ভোর রাতে ৫ দোকানের  ২০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই সৈয়দপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদ্বোধন হলো কাউন্সিলর গোল্ডকাপ ফুটবল টূর্ণামেন্ট  আগামী জুনে শুভ উদ্বোধন করা হবে  সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্প পার্ক  ……… শিল্প মন্ত্রী নূরুল মজিদ নাগরপুরে খেজুর রস আহরণে ব্যস্ত গাছিরা টাঙ্গাইলে আশ্রয়ণের ঘরে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল, দিশেহারা ৪০ পরিবার
নোটিসঃ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয়

আমতলিতে অসহায় বৃদ্ধার পেনশনের নেয়ায় ভিক্ষার ঝুলি বুনতে হলো ,মনির জাহেল লাপাত্তাঅভিনব প্রতারনা-স্বপ্ন নয়,শুধুই আর্তনাদ

রিপোর্টার / ১৩ বার
আপডেট বুধবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৯

শাহ্ মুহাম্মদ সুমন রশিদ ,বরিশাল ব্যুরো ॥১৪ আগস্ট-২০১৯,বুধবার।

বরগুনার আমতলীতে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী রাসিদা বেগম নামের একবৃদ্ধার পেনশনের ১৪ লক্ষাধিক টাকা নিয়ে লাপাত্তা মনিরুল ইসলাম(৪২)নামের এক প্রতারক ।
গত ৬/৫/১৯ ইং তারিখ এঘটনাটি ঘটেছে। রাশিদা বেগমের গ্রামের বাড়ী আমতলীর গুলিশাখালী ইউনিয়নের গুলিশাখালী গ্রামের মো. মোক্তার আলী হাওলাদার(সাবেক মেম্বর) বাড়ী। তিনি গত ২০১৫ সালে আমতলীর কুকুয়া আজিমপুর পরিবার পরিকল্পনা ক্লিনিক থেকে ষাট বছর চাকুরী শেষে অবসরে যান। কর্মক্ষেত্রে তার কোন কলঙ্ক নেই।রোদ বৃষ্টি-ঝড়ে নিরালস ভাবে দায়িত্ব পালনে ব্যাহত ছিলেন।তার স্বামী ২০০৩ সালে মারা যান। তার পরিবারে ছেলে,পুত্রবধূ ও দুই নাতিসহ ৫ সদস্যের সংসার অভাবে কাটছে।
পেনশনের টাকা পেতে বিলম্ব হলে আমতলী ক্লিনিকের চর্তুথ শ্রেনীর কর্মচারী সুকুমার পিয়ন তার সাথে আলাপচারিতা করলে সে পেনশন পাস করিয়ে দেয়ার আশ্বাস দেন ২ লাখ টাকার বিনিময়। তিনি অর্থ শূন্য বলতে গেলেই চলে এমতাবস্থায় পেনশন পাস করে সেখান থেকে ২লাখ টাকা কেটে নিবেন সুকুমার। এ কন্ট্রাক করে ফেলেন রাতারাতি তিনি।দির্ঘ ৪ বছরেও খোজ নেই পেনশনের টাকার।হটাৎ মনিরের সাথে দেখা হলে,এ দুঃখ দুর্দশার কথাবলেন এ শুনে মনির ভেঙ্গে না পরার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পেনশনের টাকা ১ মাসের মধ্যে পাস করিয়ে আনব।পেনশনে যাওয়ার ৪ বছর অতিবাহিত হওয়ার পরে ফিরে পেলো শেষ সম্বল ১৩ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকা । ওই টাকা সোনালী ব্যাংক আমতলী শাখায় জমা হয়।পরে আমতলী হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা কতৃক মনিরকে জানান,মনির ওই টাকা উত্তোলনে অধিকার ও প্রভাব বিস্তারে কোন ত্রুটি করেননি অবশেষে বার্থ হয়ে পেনশন প্রাপ্তি রাশিদা বেগমকে জানান। মনির প্রতারনা করে ৩ ধাপে টাকা আত্তসাৎ করেছেন।প্রথম ধাপের টাকা ঢাকা অফিসে ২লাখ দিতে হবে টাকা না দিতে পারায় তার ব্লাংক চেক দিয়ে পেনশন পাস করানো হয়েছে আরও বরগুনা ও আমতলীতে ১লাখ মোট ৩ লাখ টাকার কথা বলেন মনির। ১১/০৩/২০১৯ ইং সন ওই মসয় ৯ লাখ ৭২ হাজার ৬ শত ২৪টাকার ফরোয়ারডিং হাতে পান সেখান থেকে এ টাকা উত্তোলনের সময় ভুক্তভুগিও মনির উভয়ই আছেন।তাকে মনির চেকবহি বের করতে বলেন এবং ২টা পাতায় সাক্ষর দিতে বলেন এবং তিনি দেন। তার স¦াক্ষরিত ২টা ব্লাংক চেক দেন মনিরকে। মনিরের রেখে দেয়া অপর চেকটি দিয়ে ৪লক্ষ টাকা লিখে ব্যাংকে জমা দিয়ে ৪ লক্ষ টাকা উত্তোলন করে তাকে তার ভারাবাসায় নিয়ে টাকা রেখে দেন।মনির চেক দুটির ১টি চেক রেখেদেন।রাসিদা বেগম জানতইনা মনির অন্য চেক রেখে দিয়েছেন। তার ৪লক্ষ টাকা উত্তোলনের পর ৫লক্ষ ২৩ হাজার টাকা ভুক্তভুগি রাসিদা বেগমের একাউন্টে,সোনালী ব্যাংক, আমতলী শাখায় জমা থাকে। ১২ তারিখ মনির অন্য থেকে যাওয়া চেকটিতে ৫ লক্ষ ৭হাজার টাকা উত্তোলন করেন। ২০/০৩/২০১৯ইং তাং মনির ওইদিন সকালে বগুনার কথা বলে ব্যাংকে নিয়ে যান রাশিদা বেগমকে এরিয়া বোনাস বেতনসহ ৩ লক্ষ ৬৭ হাজার ৭শত ৩২ টাকার ফরোয়ারডিং দেয়ার সময় মনির সাথে ছিল। ওই দিন মনির ফরোয়ারডিং জমা দিয়ে ৩ লক্ষ ৬৭ হাজার ৭শত ৩২ টাকা তুলে রশিদা বেগমের কাছে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে বলেন ব্যাংকে টাকা নেই সব শিক্ষকদের বেতন দিয়েছেন একথা শুনে রাশিদা বেগম নিঃশ্বন্দেহে বাসায় ফিরে যান। এর পূর্বে ব্যাংকের কোন খোজখবর নেননি রাশিদা বেগম।তিনি তাকে সন্তানের মত বিশ্বাস ও ভালবাসতেন। মনিরের অভিনব সিন্টিকেট করার কথা ভাবেননি কখোনও। মনির আমতলীসহ বিভিন্ন এলাকায় থেকে লাখে ১০,১৫,২০ হাজার টাকা মাসে সুদে আনত এর ফলে ২০ লাখ উপরে দেনা আছেন।এ মুহর্তে তিনিও পেয়েছেন সোনার হরিন। এলাকা হিসেবে তাদের সাথে ভাল সর্ম্পক ছিল। মনির ও তারা আমতলী পৌরসভার একই ওর্য়াডে ভাড়াবাসায় থাকত।
এলাকাবাসী ও সরেজমিনে দতন্ত সূত্রে জানাযায়, আরো এক অভিযোগকারী উক্ত গুলিশাখালী ইউনিয়নের কালী বাড়ী গ্রামের কাজী বাড়ীর সন্তান মো.জাহাঙ্গীর কাজী তিনি জানান,মনিরের আমতলী পৌরসভার সীমানার বাহিরে ৩৩ কাঠা জমি রয়েছে ওই জমির বিক্রয় সাইন বোর্ড দেখিয়ে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা।আমিও আমার বোনের জন্য জমি কেনার প্রস্তাব অনুযায়ী আমতলীতে মনির মাষ্টারের সাথে পরিচয় হলে, তিনি আমাকে কম টাকায় জমিদেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ১০ লক্ষ টাকা বায়না হিসেবে ও পূর্বে ধার হিসেবে ৫লক্ষ টাকা নিয়েছে।কিছুদিন পরে দলিল রেজিস্ট্রি করতে গেলে জানতে পাই ওই জমির পূর্বের একাধিক মালিক রয়েছেন।সেমত অবস্থায় আমি জমি ক্রয় করতে রাজি নই।একথা মনিরকে জানালে সে বলেন,তাহলে আমি যেই ভাবে পারি জমি বিক্রি করে ২ মাস পরে টাকা দিয়া দেব। ২মাসপরে টাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করলে তার ছোট ভাই শাহিন এসে আমাকে আরো ২ মাসের সময় নিয়ে টাকা দেয়ার অঙ্গিকার করেন। মনির পালিয়ে যাওয়ার পর শাহিনকে ফোন দিলে শাহিন বলেন টাকা যে নিয়াছে তাকে চান। নিরুপায় হয়ে আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হই।
আরো এক অভিযোগকারী মো.সইদুল ইসলাম জানন,আমার কাছ থেকে জমির বায়না বাবত ১০ লক্ষ টাকা বায়না হিসেবে নিয়েছে। আমতলী কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মনিরুল ইসলাম মনির নামের ব্যাক্তি আমতলীর গুলিশাখালী ইউনিয়নের হরিদ্রাবাড়ীয়া গ্রামে পিতা:মৃত্যু-আবুল হোসেন মাস্টারের ছেলে।তিনি ২০০০ সালে গুলিশাখালী ইউনিয়নের ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন তৎকালিন সময় বিএনপি হোচট খাওয়ায় পালিয়ে ঢাকা যান।সেখানে তার খালাতো -ফুফাতো ভাই থাকেন সেখানে গিয়ে ক্রাইম জগতে যোগদেন। আবার প্রশাসনিক চাপে পড়ে আমতলী ফিরে আসেন।এসে গুলিশাখালি দাখিল মাদ্রাসায় খন্ডকালিন শিক্ষক হিসেবে চাকুরী করেন। তার ভাবনা,শিক্ষাগত সনদ ভুয়া জানাজানি হলে তিনি পার্মেন্যান্ট শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছেননা ভেবে আমতলি শহরে ২ নং ওয়ার্ডে একে স্কুল সংলগ্ন বাসা ভাড়া নিয়ে কোচিং বানিজ্য শুরু করেছেন। তিনি ইফতেদায়ী মাদ্রাসার নিবন্ধন এনে দিবেন এবং তাতে শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারে লোভ দেখিয়ে তাদের কাছ থেকেও টাকা নিয়েছেন।এতে অনেককে আশ্বস্থ করে এ প্রতারনা করেছেন। সম্প্রতি,একে স্কুলসহ আরো অনেক স্কুলসহ অনেক স্কুলের ফরম ফিলাপ ও রেজিস্ট্রেশন হয়নি এমন ছাত্র/ ছাত্রিদের পুনরায় রেজিস্ট্রেশন ও বোর্ড থেকে ফরম ফিলাপের জন্য আশ্বস্থ করেন,ওদের বিশ্বাস করানোর জন্য বলেন যে তার ভাই পটুয়াখালি জেলা শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম মাসুম তার সাথে বোর্ডের হটলাইল সব সমাধান করা সম্ভব। মনিরের দুই সন্তান জাবির(১২)ও মাহিম(৯)।তার ৪ ভাই মো. নজরুল ইসলাম মাসুম(৪৬),মনিরুল ইসলাম মনির(৪২),শাহিন(৩৫)ও প্্িরন্স (২৮) মাসুম চুনাখালী হাই স্কুলে কর্মরত থাকাকালীন সময় এক ছাত্রীর দিকে নেক নজর না দেয়ার ফলে সেখান থেকে চাকুরীচ্যুত¦ হয় ।পরে পটুয়াখালী জেলার অধিনস্থ একটা হাইস্কুলে শিক্ষকতা করেন।তার ভাই প্রিন্স তিনি একই গ্রামের বাড়ীর খেটে খাওয়া দিন মজুরের মেয়ের দিকে নেক নজর না থাকায় দীর্ঘদিন অনৈতিক সর্ম্পকে লিপ্ত থাকায় এলাকার জনসাধারন ধরে তাকে বিয়ে পরিয়ে দিয়েছে।তবে ওদের বিবাহ মনির মাষ্টার মেনে না নেওয়ার কারন,তারা যৌতুক দিতে অসীকৃতি জনায়,এতে মনির মাষ্টার কুপরামর্শদ্বারা ফুসলিয়ে বিচ্ছেদ করতে প্রিন্সকে ঢাকা পাঠিয়ে দেয়।পরে তারদ¦ারা একতরফা তালাক দেইয়েছে তাতে ওই পরিবার মেনে না নেয়ায় আমতলীতে মামলা করেন।এসব কর্মকান্ডে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এ্যাডভোকেট মো.নূরুল ইসলাম মিয়ার সম্মতি না থাকায় তারও বিরোধীতা করেন।একপর্যায়ে মনিরের পরিবারের চেয়ারম্যান কতৃক পরিচয় পত্র প্রয়োজন হলে তাকে তোয়াক্কা না করে অবৈধ সীল বানিয়ে ও জাল স্বাক্ষর দিয়ে তাদের পরিচয় পত্র তৈরী করেছেন।এমনটাই পাওয়া গেছে তার স্ত্রী নাজনিন নাহার রোক্সানা তিনি তার বাবা মায়ের অবাদ্য হয়ে মনিরের সাথে পালিযে এসে বিয়ে করেন।তার বাবা মায়ের কথা মনে হলে বেড়াতে ঢাকা আসেন।ভাল সর্ম্পকের মধ্যে তার মায়ের চেকবহি নিয়ে জাল স্বাক্ষর করে ব্যাংক থেকে ২ লক্ষ টাকা উত্তোলন করেছেন।
ওই সময় দৃশ্যমান অর্থ সংকট দেখিয়ে খন্ডকালিন শিক্ষক হিসেবে আমতলি একে স্কুলে যোগদান করে পাঠদান শুরু করেছেন। ওইসময় তার কোচিং সেন্টার রমরমা। সরকার কতৃক কোচিং বানিজ্যে নিষেধাঙ্গা আইনজারী করা হলে তার ছাত্রদারা বাহির থেকে তালাবদ্ধ করিয়ে ঘরে বসে কোচিং করাতেন। একসময় কোচিংয়ে ধস নেমে আসে তখন তার স্ত্রীর কাছে পরুয়া এক এক ছাত্রীদের কাছে এক আপত্তি জানিয়ে কারো স্বর্নের চেইন,টাকা,নিয়ে আসতে বলতে থাকে একপর্যায় পরে ফেরত দিয়ে নানাবিদ সমস্যার কথা তুলে ধরেন।এনিয়ে অনেক হ্যাস্তন্যাস্ত হয়েছেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মনিরের কাছে যোগাযোগ জন্য এই নম্বরে ০১৭৫৭-৯৭৮০৪৮,০১৭১৩-৬৭০৮০৯,০১৭৩৮-৫৯৯৫১৬,০১৭৭০-৫২১৮০২,০১৭৯৫-১৭৬৫৪৯,০১৮৫৩-৩৪২৯৩০,০১৭৮৮-৬৯৮৬৮৬,০১৭৮৪-২৪৬৭৬৫ ফোন কলে শতবার চেষ্টাবৃথা।
অভিযোগকারী রাসিদা সূত্রে জানান, শাহীন আমার টাকা নেয়ার ব্যাপারে সব কিছু জানেন এবং আমাকে বলেছেন ,আপনার টাকার দায়িত্ব আমি নিলাম ১মাস পরে টাকা দিয়ে দেব।এই বলে বাড়ী গেল শাহীন। একমাস পরে শাহীনেরে শতবার ফোন দেলেও ধরেনা।মনিরকে আমতলী থেকে সরানোর বুদ্ধিও দিছে সে।শাহীনের টাকা দেওয়ার এই আশায় মামলা করতে সময় লেগেছে।পরে আমি নিরুপায় হয়ে আমতলী থানায় লিখিত অভিযোগ করি।শুনছি আবুজাহেলের ইতিহাস দেখিনাই,এখন দেখলাম মনিরজাহেল ইতিহাস।আবুজাহেল স্টাইলে প্রতারনা করেছন মনিরজাহেল।বর্তমানে বিভিন্ মোবাইল নং দিয়ে আমাকে ও আমার ছেলেকে ভয়ভিত্তি দেখিয়ে প্র্রান নাশের হুমকি দেয়া হইতেছে। এতে বুক্তভুগি রাশিদা বেগম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রশাসনের কাছে দাবী হত্যা, গুম,ধর্ষন,অপহরন,দস্যু,ডাকাতি,জালজালিয়াতিকারীদের যার যে অপরাধ সে সংবিধান অনুযায়ী ফাসি ও ক্রোস হতে পারে তাহলে আমার টাকা প্রতারনার মাধ্যমে লুটে নিয়ে যাওয়ার বিচারিক সংবিধানে ক্রোশ ফায়ার দিতে হয় তা দিয়েও আমার টাকা ফেরত দিয়ে আপনারা দেশে আস্থা তৈরি করে অমর হয়ে থাকুন। আজ আপনাদের মা,বোন আত্বীয়ার এঘটনা ঘটত তহলে কি করতে? রাগ করবেনা কারন আপনাদের হাতে অনেক কিছু করার আছে সে আস্থা আমাদের ও আছে ইনশাল্লাহ। তাদের বিরদ্ধে আমতলী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।এ সংবাদ সম্পুর্ন তদন্ত সাপেক্ষে লেখা হয়েছে।


এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com