Logo
ব্রেকিং :
নাগরপুরে খেজুর রস আহরণে ব্যস্ত গাছিরা টাঙ্গাইলে আশ্রয়ণের ঘরে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল, দিশেহারা ৪০ পরিবার ধানের বাজারমূল্যে খুশি কৃষক, পরিবারে উৎসব জ্বলছে আগুন পুড়ছে কাঠ, ইটের ভাটায় সর্বনাশ নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন উপলক্ষে টাঙ্গাইলে মহিলা পরিষদের সংবাদ সম্মেলন নেত্রকোনায় ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল নাগরপুরে আওয়ামীলীগ নেতা হিমু’র উদ্যোগে বড় পর্দায় বিশ্বকাপ ফুটবল দেখার ব‍্যবস্থা গোয়ালন্দ উপজেলা কৃষকলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত  উন্নয়নের জন্য নৌকায় ভোট চাইলেন প্রধানমন্ত্রী নদী ভাঙ্গন রোধে দুই হাজার কোটি টাকার প্রকল্প একনেকে পাশ হলে কাজ শুরু হবে– -দূর্জয়
নোটিসঃ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয়

টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসে বিশেষ সংকেতে চলে ঘুষ বানিজ্য

রিপোর্টার / ৭০ বার
আপডেট মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২

মুক্তার হাসান,টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:২৭ সেপ্টেম্বর-২০২২,মঙ্গলবার।

টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা সরাসরি ঘুষ লেনদেন না করে এবার বিশেষ সংকেতের মাধ্যমে ঘুষ বানিজ্যে করছে এমন অভিযোগ ওঠেছে। পাসপোর্ট অফিস ও এর সংলগ্ন এলাকা ঘুরে এমন সংকেতের অস্তিত্বের সন্ধান পাওয়া গেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকেই শত-শত পাসপোর্ট প্রত্যাশী আসেন টাঙ্গাইল আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে। পাসপোর্ট অফিসের ভিতর থেকে বাহির পর্যন্ত তাদের দীর্ঘ লম্বা লাইনে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। কথা হয় বেশ কয়েক জনের সাথে। তারা জানান,সরকারি নিয়মে ব্যাংক ড্রাফ করে বৈধ নিয়মেই আবেদন ফাইল জমা দিতে গেলে অফিস থেকে বলে আপনার পেশা দিয়েছেন প্রাইভেট সার্ভিস এ কারনে আপনার ট্রেডলাইসেন্স লাগবে। ফাইল জমা না দিতে পেরে একই কাগজ পত্র স্থানীয় দালালদের মাধ্যমে ফাইল প্রতি ১৫’শ টাকার মাধ্যমে জমা দিলে ফাইলগুলি জমা নেয় ওই কর্মকর্তারা। তারা আরো জানান, পাসপোর্ট অফিসের পাশে কোর্ট চত্বরে জেলা পরিষদ রোডের দুই পাশে গড়ে উঠেছে চায়ের দোকান , কম্পিউটার দোকান, ফ্লেক্সিলোড দোকান ও ঔষুধের দোকান। বেশিরভাগ দোকানেই লোক দেখানোর জন্য রাখা হয়েছে কম্পিউটার ও ফটোকপি মেশিন। কিন্তু এর আড়ালে ভিন্ন ব্যবসা। প্রকাশ্যে চলছে পাসপোর্ট নিয়ে জাল-জালিয়তি কারবার। এসব দোকানে ঘাপটি মেরে বসে থাকে দালালরা। পাসপোর্ট প্রত্যাশীরা কাগজ পত্র ঠিক করতে গেলে দালালরা বলে উঠে ভাই নিজে-নিজে পাসপোর্ট করতে পারবেন না। ভিতরে আমাদের লোক আছে কোন রকম হয়রানি ছাড়াই পাসপোর্ট করতে পারবেন। এমন সুবিদেভোগী আশ^াসে বেশীরভাগ পাসপোর্ট প্রত্যাশীরা দালালদের ফাঁদে পড়ছেন। দালাল ছাড়া এমন হয়রানি যেন নিত্যদিনের সঙ্গী। নামপ্রকাশ না করার শর্তে পাসপোর্ট অফিসের একাধিক দালাল জানান, একদিনে পাসপোর্টের ফিঙ্গার হয়না। ব্যাংকড্রাফ করার পরের দিন ফিঙ্গার দিতে হয়। এর মুলকারণ জানতে চাইলে তারা জানান আগের দিন পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের ফাইলের সিরিয়াল নাম্বার হোয়াটসএ্যাপ দিতে হয়। জরুরী ফাইলের নিচে ফোটার চিহ্ন দিয়ে দেই। দিনশেষে প্রতি ফাইলে ১২’শ টাকা করে পাসপোর্ট অফিসের অসাধু কর্মকর্তাদের পরিশোধ করতে হয়। সরকারি নিয়মে ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা লাগলেও দালালদের দিতে হয় ৮ থেকে ১২ হাজার টাকা। বানান ভুল থাকলে দিতে হয় ২০ হাজার টাকা, বয়স ভুল থাকলেতো কোন কথাই নাই ভুক্তভোগীকে ঘুনতে হয় লাখ টাকা। পাসপোর্ট অফিসের তথ্যমতে, প্রতিদিন গড়ে ৫’শ থেকে ৭’শ ফাইল জমা হয়। ডেলিভারি হয় ৪ থেকে ৫’শ পাসপোর্ট। ক্যাটাগড়িতে ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা লাগলেও সরকারি নিয়মের কোন তোয়াক্কা চলে এ অফিসে। এ বিষয়ে পাসপোর্ট অফিসের আরিফ নামের এক কর্মকর্তা জানান আমি এখন আর জমা নেওয়ার দায়িত্বে নাই। ফাইল জমা নেয়ার দায়িত্বে আছেন মো. জাহাঙ্গীর আলম তিনি কি করছে আমি জানি না। পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেনকে মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেন নি। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। উপযুক্ত প্রমান পেলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com